১নং চিত্রের বস্ত্রটি গঠনমূলক নকশা অনুসরণ করে অলংকৃত করা হয়েছে।
গঠনমূলক নকশা হলো পোশাকের ছাঁটকাটের মাধ্যমে বিভিন্ন আকৃতির নকশা সৃষ্টি করা। অর্থাৎ বস্ত্রের মূল কাঠামো দেয়ার জন্য যে নকশা করা হয় সেটাই গঠনমূলক নকশা। যেমন- মিনিফ্রক। গঠনমূলক নকশায় এক সেট সুতা তাঁতে লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে, আর এক সেট সুতা লম্বালম্বি সুতার ভেতর দিয়ে আড়াআড়িভাবে চালনা করে বস্ত্র উৎপাদন করা হয়। এ নকশা ব্যবহার করে ব্যক্তির অবয়বের অনেক ত্রুটি ঢাকা যায়।
গঠনমূলক নকশার মধ্যে রয়েছে এক রঙের সুতির লংক্লথ, ভয়েল, জিন্স ইত্যাদি। তবে গঠনমূলক নকশার বস্ত্র উৎপাদনের পরও বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অলংকৃত করে বস্তুকে সজ্জামূলক বস্ত্রে পরিণত করা যায়। যেমন- এক রঙের কাপড়ের উপর প্রিন্টিং পেইন্টিং, এমব্রয়ডারি ইত্যাদি। বেশিরভাগ সময়ই গঠনমূলক বস্ত্রই হয় সজ্জামূলক বস্ত্রের প্রথম পর্যায়।
Related Question
View Allসুচ ও সুতার সাহায্যে বিভিন্ন রকম ফোঁড় ব্যবহার করে বস্ত্রের ওপর নকশা ফুটিয়ে তোলার পদ্ধতি হলো এমব্রয়ডারি।
তন্তু থেকে সুতা ও বস্ত্র উৎপাদনের পর তা সরাসরি বিক্রির উদ্দেশে দোকানে দেওয়া যায় না। এজন্য বস্তুকে আকর্ষণীয় করতে হয়। এ ক্ষেত্রে একটি সাধারণ বস্ত্রকে গঠনমূলক ও সজ্জামূলক নকশা দ্বারা অসাধারণ করে তোলা যায়। যেমন- ডাইং, প্রিন্টিং, পেইন্টিং, এমব্রয়ডারি ইত্যাদি।
কাপড়ের বৈচিত্র্য আনয়নে ২নং চিত্রের ভূমিকাই বেশি। বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।
যে কোনো বস্ত্র তৈরির পর তা অলংকরণের প্রয়োজন দেখা দেয়। বস্তুকে আকর্ষণীয় করার জন্য যে নকশা করা হয় সেটিই সজ্জামূলক নকশা। বস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন ডিজাইনের সুতা ব্যবহার করে সজ্জামূলক নকশার বস্ত্র উৎপাদন করা হয়।
আবার বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বস্তুকে অলংকৃত করে সজ্জামূলক নকশায় পরিণত করা যায়। গঠনমূলক নকশায় শুধু বস্ত্রের মূল কাঠামো থাকে। এতে তেমন বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য থাকে না। কিন্তু গঠনমূলক নকশার ওপর প্রিন্টিং, পেইন্টিং, এমব্রয়ডারি বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় সজ্জামূলক নকশা ফুটিয়ে তোলা হলে বস্ত্র আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
২নং চিত্রে গঠনমূলক বস্ত্রের ওপর সজ্জামূলক নকশা করে বস্ত্রে নতুনত্ব ও বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। একটি সাধারণ পোশাক অসাধারণ হয়ে ওঠে যখন তাতে অলংকরণ করা হয়। তাই বলা যায়, কাপড়ের বৈচিত্র্য আনয়নে ২নং চিত্রের সজ্জামূলক নকশা সমৃদ্ধ পোশাকের ভূমিকাই বেশি।
নকশা দুই প্রকার। যেমন- গঠনমূলক ও সজ্জামূলক।
আমরা যে পোশাক ব্যবহার করি তার মধ্যে কিছু আছে সাধারণ বস্ত্র দিয়ে তৈরি, আবার কিছু বস্ত্র আছে ডিজাইন সমৃদ্ধ। পোশাকে বিভিন্ন ধরনের নকশা প্রয়োগ করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যায়। পোশাকের ডিজাইন একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে পারে। কাজেই পোশাকে ডিজাইনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
মানুষের দেহকে আচ্ছাদিত করে দেহের শ্রী বৃদ্ধির জন্য পোশাকের প্রয়োজন রয়েছে। যুগোপযোগী কোনো পোশাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিল্পসম্মত দিকগুলোর প্রতি দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।
বীথিও যুগোপযোগী পোশাকের প্রতি সচেতন। কারণ রং, নকশা, জমিন, রেখা এই সব উপাদানগুলোই পোশাকের সৌন্দর্য সৃষ্টিতে ব্যাপক অবদান রাখতে পারে। দৈহিক অবয়ব ও দেহত্বকের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রুচিসম্মত ও মানানসই পোশাক নির্বাচন করে নিজেকে আকর্ষণীয় করা যায়। বীথি এ কারণেই যুগোপযোগী পোশাক সম্পর্কে সচেতন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!