১ম অংশ: 'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রায় সাত বছর পর অনুষ্ঠিত একটি প্রদেশের নির্বাচনে কয়েকটি দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এতে ঐক্যবদ্ধ দলটি বিজয় পায়।

২য় অংশ: 'খ' রাষ্ট্রের জনপ্রিয় নেতা শাসকগোষ্ঠীর দমন পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে। শাসকগোষ্ঠী ভীত হয়ে তাঁকে এক নম্বর আসামি করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে আন্দোলনে জনগণ স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করে তাকে গণআন্দোলন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জনের মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অথচ উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়। অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বাঙালিদের যে আন্দোলন শুরু হয়, তা-ই ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত। এ আন্দোলন ১৯৪৭ সালে শুরু হয় এবং ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ম অংশে বর্ণিত নির্বাচন আমার পঠিত ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন ছিল যুক্ত পাকিস্তানের প্রথম নির্বাচন।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হলেও এর সাত বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৪ সালের ৮ই মার্চ নির্বাচন দেওয়া হয়। এ নির্বাচনই ছিল সর্বজনীন প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন। এ নির্বাচনে 'যুক্তফ্রন্ট' নামে একটি ঐক্যজোট গঠন করা হয়। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিল নৌকা। এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট অভূতপূর্ব বিজয় অর্জন করে।
উদ্দীপকের প্রথম অংশে বলা হয়েছে, 'ক' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার সাত বছর পর অনুষ্ঠিত একটি প্রদেশের নির্বাচনে কয়েকটি দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এতে ঐক্যবদ্ধ দলটি বিজয় পায়। এখানে ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের ইঙ্গিত রয়েছে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর থেকে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে নানাভাবে শোষণ ও অত্যাচার করতে থাকে। এ শোষণের হাত থেকে মুক্তি এবং মুসলিম লীগকে পরাজিত করার জন্য পূর্ব পাকিস্তানের সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দল যুক্তফ্রন্ট নামে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়। এ নির্বাচনে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে আমার পঠিত ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের মিল রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ২য় অংশে বর্ণিত ঘটনা অর্থাৎ ১৯৬৬ সালের ৬ দফা কর্মসূচি বাঙালি জনগণকে স্বাধীনতার প্রেরণা দেয়।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরম শোষণ ও বৈষম্যের শিকার হয়। এসব বৈষম্য থেকে মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ৬ দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে বাঙালি প্রথম লিখিতভাবে স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানায়।
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শাসন-শোষণ ও বঞ্চনার হাত থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করার জন্য ৬ দফা কর্মসূচি ছিল এক সুচিন্তিত, সুপরিকল্পিত ও অনুপ্রেরণা সমৃদ্ধ কর্মসূচি। ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন দমনের জন্য সরকার কঠোর দমন ও নিপীড়নমূলক নীতি গ্রহণ করে। এর ফলে বাঙালির নবজাগ্রত জাতীয়তাবাদী চেতনা তাদের ঐক্য ও সংহতি জোরদার করে। বাঙালির এই ঐক্য, সংহতি ও সংগ্রামী চেতনার ফসল '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। আর গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরেই বাঙালি জাতি তাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে অগ্রসর হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত রূপ হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, ৬ দফা কর্মসূচি ছিল 'বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ'।
পরিশেষে বলা যায়, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা কর্মসূচি বাঙালিদের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণা যুগিয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
82

পূর্বের অধ্যায়গুলোতে আমরা সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে জেনেছি । এ অধ্যায়ে আমরা ইতিহাস থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে দেশের নাগরিকদের ভূমিকা সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা-

♦ ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ এবং অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ জানতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব

♦  দেশপ্রেমের গুরুত্ব ব্যাখ্যা ও উপলব্ধি করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দ্বিজাতি তত্ত্ব ব্রিটিশ ভারতকে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত করার একটি রাজনৈতিক মতবাদ। এর ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।

ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমান অধিবাসীরা দুটি আলাদা জাতি- এটাই দ্বিজাতি তত্ত্বের মূল কথা। ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "ভারতের হিন্দু ও মুসলমানরা দুটি আলাদা জাতি। তাদের জীবন দর্শন, ধর্মীয় আদর্শ ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।” জিন্নাহ এ যুক্তি দিয়ে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবি করেন। তার এ যুক্তিই উপমহাদেশের ইতিহাসে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

উপরের ছবিটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত।
উপরের ছবিতে একটি মিছিলের একাংশ দেখা যাচ্ছে। ছাত্রজনতা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করছে। এ ছবির সাথে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের মিছিলের সাদৃশ্য রয়েছে। পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন অধিবাসীর মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানকেন্দ্রিক শাসকগোষ্ঠী সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা যে আন্দোলন শুরু করে, তা-ই ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর প্রতিবাদে পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বে, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। কয়েক বছর ধরে চলা এ আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভেঙে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে গুলি চালালে সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। অতঃপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
230
উত্তরঃ

ছবির লোকগুলোর চেতনাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে- সক্ষম হয়- এ উক্তিটির পক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
ভাষা আন্দোলন তখনকার পূর্ব বাংলা অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে প্রথম অধিকার সচেতন করে তোলে। বাঙালি জাতি তার স্বতন্ত্র আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে নতুন করে সচেতন হয়ে ওঠে। ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর থেকেই বাঙালিরা বুঝতে পারে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এতে পূরণ হচ্ছে না। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মুসলিম লীগের ভরাডুবি এবং বিরোধী জোট যুক্তফ্রন্টের বিজয় পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে আরও শানিত করে। পাকিস্তানি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মাতৃভাষাকেন্দ্রিক ভাষা আন্দোলনের ফলে পূর্ব বাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে।
ভাষা আন্দোলনের জের ধরেই ধীরে ধীরে পূর্ব বাংলার ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী সবাই পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালিদের মধ্যে যে জোরালো অধিকারবোধের সৃষ্টি হয় তা এ ভূখণ্ডের রাজনৈতিক বিবর্তনকে এগিয়ে নেয়। এর ধারাবাহিকতায়ই ধাপে ধাপে আসে পাকিস্তানি বৈষম্যের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল বিজয় পাওয়া আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

সুতরাং বলা যায়, ছবির লোকগুলোর চেতনা তথা ভাষা আন্দোলনের চেতনাই কালক্রমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে সক্ষম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
232
222
উত্তরঃ

গেরিলা যুদ্ধ একটি বিশেষ রণকৌশল।
গেরিলা যুদ্ধের মূলকথা হচ্ছে বৃহৎ ও নিয়মিত শত্রুবাহিনীর ওপর, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণ, যার উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর বাহিনীকে হয়রানি, নাজেহাল এবং সম্ভব হলে নির্মূল করা। শক্তির পার্থক্যের কারণে গেরিলা যোদ্ধারা যথাসম্ভব সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে চলে। পেশাদার সেনাদের বদলে সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে গেরিলা বাহিনী গঠিত হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আক্রমণের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা পদ্ধতিকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। গেরিলাদের মধ্যে ছাত্র ও কৃষকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
734
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews