দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচকই হলো ভরসূচি।
ভিটামিন A এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্ণিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয়। এই অবস্থাই হলো জেরপথ্যালমিয়া। এ অবস্থার সৃষ্টি হলে ব্যক্তি পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যায়। এটি চোখের একটি মারাত্মক রোগ।
পূর্ণ বিশ্রামরত অবস্থায় ন্যূনতম শক্তি দ্বারা শারীরবৃত্তীয় কাজ পরিচালনা করা হলো মৌল বিপাক। মৌল বিপাকের হার সাধারণত প্রকাশ করা হয় প্রতি ঘণ্টায় প্রতি বর্গমিটার দেহতলে উৎপন্ন তাপের পরিমাণ দ্বারা। দেহতলের ক্ষেত্রফল সঠিকভাবে মাপা অসুবিধাজনক বলে দেহের ওজন দ্বারা মৌল বিপাকের হার নির্ণয় করা হয়।
একজন পুরুষের মৌল বিপাকের ক্ষেত্রে প্রতি ১ কেজি ওজনে প্রতি ঘণ্টায় ১ কিলোক্যালরি শক্তি প্রয়োজন। একজন মহিলার মৌল বিপাকের ক্ষেত্রে প্রতি ১ কেজি ওজনে প্রতি ঘণ্টায় ০.৯ কিলোক্যালরি শক্তি প্রয়োজন হয়। তনুকে একজন মহিলা হিসেবে ধরে তার মৌল বিপাকের জন্য ব্যয়িত
শক্তি হিসাব করা হলো-
তনুর ওজন = ৩৫ কেজি
তার একদিনে মৌল বিপাকে ব্যয়িত শক্তির পরিমাণ
= দেহের মোট ওজন × ০.৯ × সময়
=(৩৫০.৯২৪) কিলোক্যালরি
=৭৫৬ কিলোক্যালরি
তার ২ দিনের মৌল বিপাকে শক্তিব্যয় হবে
=(৭৫৬২) কিলোক্যালরি
=১৫১২ কিলোক্যালরি
সুতরাং, তনুর দুই দিনের মৌল বিপাকে ১৫১২ কিলোক্যালরি শক্তি ব্যয় হবে।
উদ্দীপক হতে দেখা যায় তনুর সমস্যা হলো ত্বকে লালচে দাগ পড়ছে এবং খাওয়ার তেমন রুচি নেই। এ সমস্যাগুলো সমাধানের উপায় নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণত মানুষের ত্বকে লালচে দাগ পড়ে ভিটামিন এর অভাবে আবার খাওয়ার রুচি কমে যায় ভিটামিন ও এর অভাবে। তাই বলা যায়, তনুর শরীরে ভিটামিন এর অভাবে উক্ত সমস্যাগুলো দেখা দিয়েছে। এখন এই সমস্যাগুলো সমাধানে তনুকে উত্ত ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
এমতাবস্থায় ভিটামিন এর অভাবপূরণের জন্য ভিটামিন পাওয়া যায় এমন খাদ্যদ্রব্য যেমন- মাংস, যকৃৎ, আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ, শাক-সবজি ইত্যাদি নিয়মিত ও পরিমাণ মতো খেতে হবে।
আবার, ভিটামিন ও এর অভাবপূরণের জন্য উক্ত ভিটামিনসমৃদ্ধ খাদ্যদ্রব্য যেমন- চাল, আটা, শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি নিয়মিত খেতে হবে।
উপরোক্ত খাদ্যগুলো গ্রহণ করে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলে তনু তার সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারে।
Related Question
View Allকীভাবে ভর সূচি বা BMI নির্ণয় করা হয়?
ভর সূচি নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভর সূচি = ওজন (কেজি) / (উচ্চতা (মি) x উচ্চতা (মি))।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭৫ মিটার হয়, তাহলে তার ভর সূচি হবে: ভর সূচি = ৭০ / (১.৭৫ x ১.৭৫) = ৭০ / ৩.০৬২৫ ≈ ২২.৮৬।
ভর সূচির ব্যবহার
প্রাপ্ত ভর সূচির মান ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সাধারণত এই মান ব্যবহার করে ওজন-সম্পর্কিত রোগ বা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ' এর অভাব জনিত একটি রোগ। জেরোফথ্যালমিয়ায়, বিটোটের দাগগুলি কনজাংটিভাল জেরোসিসের পরে দেখা দেয়। ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ফল, শাকসবজি, শস্যদানা ইত্যাদি উপস্থিত সেলুলোজ নির্মিত আঁশ বা তন্তুর ন্যায় অপাচ্য অংশই হলো রাফেজ।
খাদ্যপ্রাণ বলতে সাধারণত জীবিত প্রাণী বোঝায়। অর্থাৎ, যে সকল প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে, বৃদ্ধি পায়, প্রজনন করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে খাদ্যপ্রাণ বলা হয়।
খাদ্যপ্রাণের কিছু উদাহরণ:
- মানুষ: আমরা খাদ্য গ্রহণ করে শক্তি পাই এবং বেঁচে থাকি।
- প্রাণী: সকল প্রাণী, যেমন সিংহ, হাতি, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
- পোকামাকড়: মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
- উদ্ভিদ: উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে খাদ্য তৈরি করে।
খাদ্যপ্রাণের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জীবন: খাদ্যপ্রাণের মধ্যে জীবনের উপস্থিতি থাকে।
- বৃদ্ধি: খাদ্য গ্রহণ করে খাদ্যপ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রজনন: খাদ্যপ্রাণ নিজের প্রজাতির বংশ বিস্তার করে।
- পরিবেশের সাথে যোগাযোগ: খাদ্যপ্রাণ পরিবেশের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে।
খাদ্যপ্রাণের শ্রেণিবিন্যাস:
খাদ্যপ্রাণকে বিভিন্ন ভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। যেমন:
- খাদ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে: শাকসভী, মাংসাশী, সর্বভুক ইত্যাদি।
- বাসস্থানের উপর ভিত্তি করে: স্থলচর, জলচর, উড়ুচর ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!