ছেলেমেয়েদের ১১-১৯ বছরের সময়কালটিকে বয়ঃসন্ধিকাল বলে।
গর্ভধারণ হচ্ছে শরীরে একটি বিশেষ পরিবর্তন। সন্তান গর্ভে এলেই শুধু নারীদের এই বিশেষ পরিবর্তন ঘটে। পুরুষের শুক্রাণু যখন নারীদের ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয় তখনই একজন নারীর গর্ভে সন্তান আসে অর্থাৎ সে গর্ভধারণ করে।
সন্তান জন্ম দেওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া।
কিন্তু অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ করলে অর্থাৎ ২০ বছর বয়সের আগে কোনো মেয়ে গর্ভবতী হলে মেয়েদের নানারকম শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। কারণ তখন তাদের নিজেদেরই শারীরিক বৃদ্ধি ও গঠন সম্পূর্ণ হয় না এবং সন্তান ধারণের জন্য গর্ভে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে তাদের নানা সমস্যা হতে পারে।
অপরিণত বয়সে রোকেয়ার গর্ভধারণে যে যে সমস্যা হতে পারে তা নিচে আলোচনা করা হলো-
গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ, শরীরে পানি অথবা খুব ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, গর্ভপাত ইত্যাদি ঘটতে পারে।
গর্ভের সন্তান বেড়ে ওঠার জন্য গর্ভে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকার কারণে কম ওজনের শিশু জন্ম নেবে। ফলে এই শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকবে।
অল্প বয়সে গর্ভধারণের ফলে রোকেয়ার মানসিক চাপ বেড়ে যাবে এবং সে অশান্তিতে ভুগবে।
অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে লজ্জায় সে আর বিদ্যালয়ে যেতে চাইবে না। ফলে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।
গর্ভধারণের নয় মাস পুরো সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়। এতে চিকিৎসক ও ঔষধপত্রের জন্য বেশ অর্থের প্রয়োজন হয়। ফলে আর্থিক অস্বচ্ছলতা দেখা দেবে এবং পরিবারে অশান্তি নেমে আসবে।
উদ্দীপকের রোকেয়ার মতো অল্পবয়সী মেয়েদের গর্ভধারণ থেকে পরিত্রাণের উপায়গুলো হলো-
অপরিণত বয়সে রোকেয়ার মতো মেয়েদের গর্ভধারণ হতে পরিত্রাণের প্রধান উপায় হলো বাল্যবিবাহ রোধ করা। তাই বাল্যবিবাহ বন্ধে কঠোর আইনের যে ব্যবস্থা আছে তা বেশি বেশি প্রচার করতে হবে।
অল্প বয়সে গর্ভধারণ যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ঝুঁকি পূর্ণ সে ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে।
শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া কিশোরীদের স্কুলগামী করার জন্য সামাজিকভাবে সকলকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে এবং মেয়েদেরকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।
সমাজের কোনো কিশোরীর যাতে বাল্যবিবাহ না হয় সে ব্যাপারে সামাজিকভাবে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।\
উপরোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে রোকেয়ার মতো অল্পবয়সী মেয়েদের গর্ভধারণ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
Related Question
View All"জীবন্ত জীবাশ্ম" বলতে এমন কিছু জীবিত অর্গানিজম বোঝায় যাদের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা জীবাশ্মের মতো দেখায় কিন্তু তারা আসলে জীবিত। এটি সাধারণত কিছু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীকে নির্দেশ করে, যেমন:
মরীচিকা জীবাশ্ম (Living Fossils): কিছু জীবন্ত প্রজাতি, যেমন গিঞ্জো গাছ বা কোয়ালাক্যান্থ মাছ, যারা অনেক পুরানো জীবাশ্মগুলোর সাথে অতি সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু তারা আজও জীবিত।
বিশেষ পরিবেশে টিকে থাকা জীব: কিছু প্রজাতি যেমন সামুদ্রিক জীব বা এডাপটিভ প্রজাতি যে পরিবেশ পরিবর্তনের প্রতি খুব কম সাড়া দেয়, তারা আজও টিকে আছে এবং জীবাশ্মের মতো দেখতে পারে।
এটি একটি গবেষণার বিষয় হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!