১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের ১৯শে নভেম্বর গেটিসবার্গে একটি বিখ্যাত ভাষণ প্রদান করেছিলেন। যে ভাষণে তিনি দীপ্তকণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন ক্রীতদাসদের স্বাধীনতার কথা। এ ভাষণ ক্রীতদাসদের সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস দিয়েছিল। এ ভাষণই সমাজকে দিয়েছিল সাম্যের অর্ঘ্যমালা এবং মালিক-শ্রমিককে একই সাথে চলার অনন্য সাহস। সর্বোপরি এ ভাষণ ১৮৬৫ সালের মার্কিন গৃহযুদ্ধের অবসানকে ত্বরান্বিত করেছিল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির প্রেক্ষাপটে আগরতলা মামলা দায়ের করা হয়।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যের শিকার হয়। এ বৈষম্য নিরসনের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত জননেতায় পরিণত হয়েছিলেন। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড রুদ্ধ করার জন্য শাসকগোষ্ঠী বারবার তাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। ১৯৬৬ সালে উত্থাপিত ৬ দফা দাবি নস্যাৎ করার জন্য আইয়ুব সরকার। এক পর্যায়ে মিথ্যা মামলার আশ্রয় নেয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ছিল, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হয়। সেখানে ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করা হয়। এজন্যই এ মামলার নাম হয় 'আগরতলা মামলা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষণের সাথে আমার পঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মিল রয়েছে।
বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করা হয়েছিল। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, ৭ই মার্চের সমাবেশে জনতার ঢল নামে। আর লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণ প্রদান করেন। উদ্দীপকে এ রকম একটি ভাষণেরই বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের ১৯শে নভেম্বর গেটিসবার্গে কৃতদাসদের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে একটি ভাষণ প্রদান করেছিলেন। ঠিক একইভাবে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে এক দিক-নির্দেশনামূলক ভাষণ দেন, যা বাংলার ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছে। তার এ ভাষণের মূল বিষয় ছিল ৪টি। যথা- ১. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার; ২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া; ৩. গণহত্যার তদন্ত করা এবং ৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণে বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষণ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণেরই ইঙ্গিত প্রদান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষণের ন্যায় উক্ত ভাষণ অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণও এক কালজয়ী অধ্যায়ের সূচনা করে- মন্তব্যটি যথার্থ।
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য ছিল অপরিসীম। ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তার এ ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ভাষণের মধ্যে বাঙালি জাতি তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখতে পায়। এ ভাষণের মাধ্যমেই পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনগণ দীক্ষিত হয় স্বাধীনতার মন্ত্রে।
উদ্দীপকে আব্রাহাম লিংকনের ভাষণে ক্রীতদাসদের অধিকার, সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। তার এ ভাষণের মাধ্যমে মালিক-শ্রমিক একই সাথে চলার প্রেরণা পেয়েছিল। সর্বোপরি, তার এ ভাষণ মার্কিন গৃহযুদ্ধের অবসানকে ত্বরান্বিত করেছিল। ঠিক একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণও ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যবহ। এ ভাষণ ছিল বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক মূল্যবান দলিল। এ ভাষণের প্রেক্ষিতেই পূর্ব বাংলায় অসহযোগ আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। বাঙালি জাতি এ ভাষণের মধ্যে স্বাধীনতার সবুজ সংকেত দেখতে পায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। একটি ভাষণ পুরো জাতিকে কতটা উদ্দীপ্ত করতে পারে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা ইতিহাসে এক কালজয়ী অধ্যায়ের সূত্রপাত ঘটায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
221

পূর্বের অধ্যায়গুলোতে আমরা সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে জেনেছি । এ অধ্যায়ে আমরা ইতিহাস থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে দেশের নাগরিকদের ভূমিকা সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা-

♦ ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ এবং অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ জানতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব

♦  দেশপ্রেমের গুরুত্ব ব্যাখ্যা ও উপলব্ধি করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দ্বিজাতি তত্ত্ব ব্রিটিশ ভারতকে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত করার একটি রাজনৈতিক মতবাদ। এর ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।

ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমান অধিবাসীরা দুটি আলাদা জাতি- এটাই দ্বিজাতি তত্ত্বের মূল কথা। ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "ভারতের হিন্দু ও মুসলমানরা দুটি আলাদা জাতি। তাদের জীবন দর্শন, ধর্মীয় আদর্শ ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।” জিন্নাহ এ যুক্তি দিয়ে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবি করেন। তার এ যুক্তিই উপমহাদেশের ইতিহাসে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

উপরের ছবিটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত।
উপরের ছবিতে একটি মিছিলের একাংশ দেখা যাচ্ছে। ছাত্রজনতা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করছে। এ ছবির সাথে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের মিছিলের সাদৃশ্য রয়েছে। পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন অধিবাসীর মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানকেন্দ্রিক শাসকগোষ্ঠী সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা যে আন্দোলন শুরু করে, তা-ই ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর প্রতিবাদে পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বে, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। কয়েক বছর ধরে চলা এ আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভেঙে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে গুলি চালালে সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। অতঃপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
219
উত্তরঃ

ছবির লোকগুলোর চেতনাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে- সক্ষম হয়- এ উক্তিটির পক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
ভাষা আন্দোলন তখনকার পূর্ব বাংলা অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে প্রথম অধিকার সচেতন করে তোলে। বাঙালি জাতি তার স্বতন্ত্র আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে নতুন করে সচেতন হয়ে ওঠে। ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর থেকেই বাঙালিরা বুঝতে পারে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এতে পূরণ হচ্ছে না। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মুসলিম লীগের ভরাডুবি এবং বিরোধী জোট যুক্তফ্রন্টের বিজয় পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে আরও শানিত করে। পাকিস্তানি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মাতৃভাষাকেন্দ্রিক ভাষা আন্দোলনের ফলে পূর্ব বাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে।
ভাষা আন্দোলনের জের ধরেই ধীরে ধীরে পূর্ব বাংলার ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী সবাই পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালিদের মধ্যে যে জোরালো অধিকারবোধের সৃষ্টি হয় তা এ ভূখণ্ডের রাজনৈতিক বিবর্তনকে এগিয়ে নেয়। এর ধারাবাহিকতায়ই ধাপে ধাপে আসে পাকিস্তানি বৈষম্যের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল বিজয় পাওয়া আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

সুতরাং বলা যায়, ছবির লোকগুলোর চেতনা তথা ভাষা আন্দোলনের চেতনাই কালক্রমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে সক্ষম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
221
210
উত্তরঃ

গেরিলা যুদ্ধ একটি বিশেষ রণকৌশল।
গেরিলা যুদ্ধের মূলকথা হচ্ছে বৃহৎ ও নিয়মিত শত্রুবাহিনীর ওপর, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণ, যার উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর বাহিনীকে হয়রানি, নাজেহাল এবং সম্ভব হলে নির্মূল করা। শক্তির পার্থক্যের কারণে গেরিলা যোদ্ধারা যথাসম্ভব সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে চলে। পেশাদার সেনাদের বদলে সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে গেরিলা বাহিনী গঠিত হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আক্রমণের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা পদ্ধতিকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। গেরিলাদের মধ্যে ছাত্র ও কৃষকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
721
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews