১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফরাসি বিপ্লব শুরু হবার প্রাক্কালে সমগ্র ইউরোপে সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক দূর্বিষহ সঙ্কট বিরাজ এ করছিল। অষ্টাদশ শতকে প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা মধ্যযুগীয় কুসংস্কার ও অনাচারে লিপ্ত ছিল। জনসাধারণের মজালার্থে উদারনীতির পরিবর্তে সামাজিক অসাম্য বৈষম্যই প্রাধান্য পায়। ক্ষমতা ছিল মুষ্টিমেয় কতিপয় রাজন্যবর্গের ওপর। ফলে একটি গোষ্ঠী সর্বদাই আমলাদের দ্বারা নিষ্পেষিত হতো

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

ভরত একজন হিন্দু রাজা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযান মুসলিম ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ও চমকপ্রদ ঘটনা।

হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১১ খ্রিষ্টাব্দে স্বীয় ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে সিন্ধুতে অভিযান প্রেরণ করেন। ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিম রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধুতে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। আরবদের এ সাফল্য রাজনৈতিকভাবে ফলাফল শূন্য হলেও সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক দিক থেকে ফলপ্রসু ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আরবদের ভারতবর্ষে আগমনের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক অবস্থার একটি সার্বিক চিত্র পরিলক্ষিত হয়।

প্রাক-মুসলিম যুগে ভারতে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কোন ঐক্য ছিল না তেমনি প্রশাসনিক ব্যবস্থায়ও রাজতন্ত্র প্রচলিত ছিল। সামাজিক ব্যবস্থায়ও নানা কুসংস্কারের নিমজ্জিত ছিল সমাজ, যা উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে দ্রষ্টব্য ফরাসি বিপ্লব শুরু হবার প্রাক্কালে ইউরোপে সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক দুর্বিষহ সঙ্কট বিরাজমান ছিল। প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মধ্যযুগীয় কুসংস্কারে লিপ্ত ছিল এবং ক্ষমতা ছিল মুষ্টিমেয় রাজন্যবর্গের হাতে। যা প্রাক-ইসলামি যুগে ভারতের ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়। আরবদের বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থা সন্তোষজনক ছিল না। সমাজে হিন্দু সংকীর্ণ জাতিভেদ প্রথা প্রচলিত ছিল। জনগণ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র এ চারটি বর্ণে বিভক্ত ছিল। পাশাপাশি সমাজে বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ, বিধবাবিবাহ নিষিদ্বকরণের মত সামাজিক সংস্কার প্রচলিত ছিল। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এ সময় রাজতন্ত্র জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটিয়ে রাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হয়, রাজা ছিলেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। গ্রামের শাসক পরিচালিত হত পঞ্চায়েত দ্বারা। প্রাচীনকালে বাংলার অর্থনীতি ছিল সমৃদ্ধ তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও অভিজাত শ্রেণির মধ্যে অনেক তফাৎ ছিল। উদ্দীপকে বিপ্লবপূর্ব ফ্রান্সের অবস্থার সাথে মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের অবস্থার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

হ্যা, আমি মনে করি, উদ্দীপকের এ রকম পরিস্থিতি সত্ত্বেও একটি দেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন থেমে থাকে না। সংস্কৃতি তার নিজস্ব গতিতে অগ্রসর হয়।

মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সর্বক্ষেত্রে অসাম্যতা পরিলক্ষিত হয়। এ সময়ের সমাজ ছিল কুসংস্কারাচ্ছন্ন। যেমনটি উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, ফরাসি বিপ্লবের প্রাক্কালে ফ্রান্সে জনসাধারণের মঙ্গলার্থে উদারনীতির পরিবর্তে সামাজিক অসাম্যই প্রাধান্য পেয়েছিল। ক্ষমতা ছিল মুষ্টিমেয় রাজন্যবর্গের ওপর। যেমনটি আমরা আরবদের বিজয়ের প্রাক্কলে ভারতের অবস্থায়ও দেখতে পাই। এ সময় ভারতের সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কতিপয় বৈষম্য ও কুসংস্কার পরিলক্ষিত হলেও সংস্কৃতির চর্চা থেমে থাকেনি। প্রাক-মুসলিম এ সময়েও ভারতবর্ষে শিক্ষা-দীক্ষা, কৃষ্টি সভ্যতার ব্যাপক উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। বৌদ্ধ ও হিন্দুদের পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার বিস্তার ঘটে। টোল, মঠ, পাঠশালা এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠিত হয়। পশ্চিম ভারতে বল্লভী ও বিহারে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, ভদন্দীপুর, বিক্রমশীলা, এগুলোর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এছাড়া প্রাক-মুসলিম যুগে ভারতবর্ষে হিন্দু কাব্য, নাটক, উপন্যাস, গদ্য, সাহিত্য ও বিকাশ লাভ করে। ভগবতি, বাহমান, জয়বেদ, রাজশেখর শ্রীহর্ষ, কালিদাস ছিল বিখ্যাত কবি। গণিত বিদ্যা, জ্যোতিবিদ্যা, গণিতশাস্ত্রের পাশাপাশি তারা স্থাপত্য ও ভাস্কর্যেও নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। কৈলাশ মন্দির, কোনারকের মন্দির, ইলোরা, অজন্তা প্রভৃতির চিত্র স্থাপত্যকীর্তি ভারতীয়দের উচ্চমানের শিল্প নৈপূণ্যের পরিচয় বহন করে।
সুতরাং আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, সংস্কৃতি অত্যন্ত ব্যাপক একটি বিষয়। সে তার নিজস্ব গতিতে অগ্রসর হয়, প্রাক-ইসলামি যুগেও ভারতের সংস্কৃতির এ ধারা থামেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
29
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
115
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
82
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
70
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews