১৯৫২ ভাষা আন্দোলন

১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন

১৯৬৬ ছয়দফা আন্দোলন

১৯৬৯ গণআন্দোলন

১৯৯০

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলোর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি বাংলাদেশের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করে তুলেছিল।

উত্তরঃ

বজাবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকরা রাষ্ট্রক্ষমতায় আধিপত্য বিস্তারের ফলে সেনাবাহিনীতে 'চেইন অব কমান্ড' ভেঙ্গে পড়েছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর আকস্মিক হত্যাকাণ্ডের ফলে দেশে রাজনৈতিক শূন্যতা এবং সেনাবাহিনীতে নৈরাজ্যকর অবস্থা দেখা দেয়। খন্দকার মোশতাকের পক্ষে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অসম্ভব ছিল। কারণ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের সহায়তায়ই তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। তাই এই সৈনিকদের ওপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফলে সেনাবাহিনীতে 'চেইন অব কমান্ড' ভেঙে পড়েছিল।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে "?" চিহ্নিত আন্দোলনটি নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানকে নির্দেশ করেছে। স্বৈরশাসক জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতন ঘটিয়ে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে-এ গণ-আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছাত্র- জনতার প্রতিরোধ, আন্দোলন, সংগ্রাম মোকাবেলা করেছেন জেনারেল এরশাদ। তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত হতে থাকে। এরশাদবিরোধী আন্দোলন বেগবান করতে ২২টি ছাত্র সংগঠন মিলে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত করেছিল।

উদ্দীপকে "?" চিহ্নিত স্থান ১৯৯০ সালের নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানকে নির্দেশ করে। এ আন্দোলনের পেছনে বিভিন্ন কারণ বিদ্যমান। ১৯৮৬ সালের ৭ই মে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দলীয় জোট এবং জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দল এরশাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া ক্যুর মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করে। পর্যবেক্ষকগণও এ অভিযোগ যথার্থ বলে একমত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৬ সালের ১৫ই অক্টোবর প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে এরশাদকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর থেকেই এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে সকল রাজনৈতিক দল, সাধারণ জনগণ এবং নাগরিক সমাজ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এরশাদের পদত্যাগ ও একটি অর্থবহ নির্বাচনের দাবিতে বিরোধী দলগুলো দুর্বার গণআন্দোলন শুরু করে। স্বৈরাচারী এরশাদের দলীয় পেটোয়াবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনরত জনগণের ওপর গুলিবর্ষণ করে অনেক মানুষকে হত্যা করে। ধারাবাহিক আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে পুলিশের গুলিতে ডা. শামসুল আলম খান মিলন নিহত হলে এরশাদবিরোধী আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানের রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার এই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এরশাদের পতন হয়। দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সাথে ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। অন্যদিকে স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। দুটো আন্দোলনেই দেশের সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সমর্থন ছিল। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি ও ১৯৯০ এর গণ- অভ্যুত্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাদৃশ্য এটিই যে, দুটো আন্দোলনই ছিল স্বৈরশাসনের বিপক্ষে। স্বৈরশাসক আইয়ুব খান ও এরশাদ উভয়েই আন্দোলন দমনে অত্যাচার, নিপীড়ন, হত্যার পথ বেছে নেন।

আবার ১৯৬৬ সালের ছয় দফা ছিল আমাদের স্বায়ত্তশাসনের দাবি আর নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ছিল স্বাধীন দেশেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ছয় দফার পক্ষে জনমত গড়ে উঠলে আইয়ুব সরকার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় শুরু করে। আইয়ুব খান ছয় দফাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক ও পাকিস্তানের অখণ্ডতার প্রতি হুমকি বলে আখ্যায়িত করেন। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে হরতাল পালিত হয়। হরতালের সময় পুলিশের গুলিতে কয়েকজন প্রাণ হারায়। এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায়ই এক পর্যায়ে উনসত্তরের ঐতিহাসিক গণ- অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। অন্যদিকে, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শাসক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), কৃষক সংগঠনসহ সব দল প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে মিছিলে গুলিবর্ষণে ৫ জন নিহত এবং তিন শতাধিক আহত হয়। এভাবে এরশাদবিরোধী আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে পরিণত হয়।

আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সাথে ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের নানা সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।

140

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের পর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে সেনাশাসন বহাল ছিল। দেশের সংবিধানকে উপেক্ষা করে খন্দকার মোশতাক, বিচারপতি সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, বিচারপতি আহসান উদ্দিন এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদ এ সময়ের মধ্যে অবৈধভাবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। দেশে সেনাশাসন বহাল রেখে সুবিধামতো সময়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান (১৯৭৫-১৯৮১) এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদ (১৯৮২-১৯৯০) নির্বাচন সম্পন্ন করে বেসামরিক শাসন চালু করেন। তাদের অগণতান্ত্রিক শাসন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কার্যকলাপ দেশের জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। ফলে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতিতে ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। অবসান ঘটে দীর্ঘ সেনাশাসনের। অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • সামরিক শাসনের সূত্রপাত এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনা বর্ণনা করতে পারব;
  • রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসন আমলের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো বর্ণনা করতে পারব;
  • ১৯৮২ সালের সামরিক শাসন এবং তৎপরবর্তী ঘটনায় সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে পারব;
  • এরশাদ সরকারের প্রশাসনিক সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি এবং ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে গণতন্ত্রের তাৎপর্য এবং এর প্রয়োগ সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইনডেমনিটির আভিধানিক অর্থ হলো কাউকে নিরাপদ করা বা নিরাপত্তা বিধান করা। মূলত যারা জাতির পিতা ও তার পরিবারবর্গ, জাতীয় চার নেতাকে অবৈধভাবে অস্ত্রের জোরে হত্যা করেছিল বাংলাদেশের কোনো আদালতে এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না- এই মর্মে ইনডেমনিটি বা নিরাপত্তা বিধান করা হয়েছিল।

766
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাধীনতা পরবর্তী নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল। তার শাসনামলের দীর্ঘ নয় বছরের প্রায় পুরো - সময়টাই জনগণ আন্দোলন করেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কৃষক সংগঠনসহ এরশাদবিরোধী চেতনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যায়। হরতাল-অবরোধে প্রশাসনে এক প্রকার স্থবিরতা দেখা দেয়। অবশেষে জেনারেল এরশাদ তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালে পদত্যাগ করেন।
উদ্দীপকের চলচ্চিত্রে দেখা যায়, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাধারণ জনগণ, কৃষক, শ্রমিক বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ বিষয়গুলোতে ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

213
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পায়।

সামরিক শাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর বুকে ও পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' 'স্বৈরাচার নিপাত যাক' লেখাসহ ঢাকার জিপিও-এর নিকট জিরো পয়েন্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন নূর হোসেন। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার এক সমাবেশে নির্বিচারে জনতার উপর গুলি চালায়, অল্পের জন্য শেখ হাসিনা বেঁচে যান। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে জনগণ ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলো সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে যা রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তোলে। এদিন মিছিলে পুলিশের গুলিতে ৫ জন নিহত হয় এবং তিন শতাধিক আহত হয়। আর ধারাবাহিক আন্দোলনের পথে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পাশে পুলিশের গুলিতে ডা. শামসুল আলম খান মিলন নিহত হলে এরশাদবিরোধী আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। রাজপথ চলে যায় জনতার দখলে এবং ঢাকা পরিণত হয় মিছিলের শহরে। অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। বস্তুত নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পায়।

214
উত্তরঃ

শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার শতভাগ ছাত্র-ছাত্রীকে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করেছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণ করা হয়েছে। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর শতকরা হার ছিল ৬১। বর্তমানে তা উন্নীত হয়েছে শতকরা ৯৭.৭০ ভাগে। শিক্ষার সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে 'শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২' প্রণয়ন করা হয়েছে, গঠন করা হয়েছে 'শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট'।

638
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews