১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচন ছিল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মূলত এ নির্বাচন ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের শোষণের বিরুদ্ধে এক 'ব্যালট বিপ্লব'। পাকিস্তান সৃষ্টির কয়েক বছরের মধ্যেই ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিভিন্ন উপদল, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ব্যর্থ শাসন, অঞ্চলভেদে বৈষম্যমূলক নীতি প্রভৃতির কারণে নতুন নতুন রাজনৈতিক দল গঠন আবশ্যক হয়ে পড়ে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের সর্বোচ্চ আইন হচ্ছে সংবিধান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মুসলিম লীগ সরকারের অগণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক আচরণ ও দমননীতির প্রতিবাদ করা এবং পূর্ব বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের উদ্দেশ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই মুসলিম লীগ সরকার পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অগণতান্ত্রিক আচরণ করতে থাকে। তারা অর্থনীতি, রাজনীতি, প্রশাসন, সংস্কৃতি ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই বাঙালিদের প্রতি সীমাহীন বৈষম্যমূলক আচরণ করে। এসময় জাতীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী, আবুল হাশিম, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ অনেকে মুসলিম লীগের নীতির প্রতিবাদ করতে থাকেন এবং এদেশের জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য একটি গণমুখী রাজনৈতিক দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। এ উদ্দেশ্যেই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তফ্রন্টের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের ফলে যুক্তফ্রন্টের জয়ের পরও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারেনি।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারকে পরাজিত করে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে এই প্রদেশে একটি সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ আসে। কিন্তু মুসলিম লীগ ও কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তে এবং সর্বোপরি যুক্তফ্রন্টের শরিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সংখ্যালঘু সংসদ সদস্যদের বার বার সমর্থন বদলের কারণে ঘন ঘন সরকার বদল হতে থাকে। মাত্র চার বছরে সাতটি মন্ত্রিসভার পতন ঘটে এবং তিনবার গভর্নরের শাসন জারি করা হয়। উপরন্তু এই সময় বিরোধী দলের আক্রমণে ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সীমিত হয়ে আসে পাকিস্তানের পার্লামেন্টারি গণতন্ত্রের দিন। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে ৮ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করে। তিন সপ্তাহ পর ইস্কান্দার মির্জা নিজেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে জেনারেল আইয়ুব খান সংসদীয় সরকার ও সংবিধানের অবসান ঘটিয়ে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন এবং ব্যর্থ হয় পূর্ববাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
উদ্দীপকে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছিলো মূলত উপরে উল্লিখিত কারণে। তাই বলা যায়, নিজেদের মধ্যকার ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের ফলেই যুক্তফ্রন্টের জয়েও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তফ্রন্ট জোট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলো।
পূর্ববাংলার গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিল। এই ইশতেহারের বিশেষ দফাগুলো ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা এবং মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদান করা। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী পূর্ববাংলাকে পূর্ণ স্বায়ত্ত্বশাসন প্রদান করা এবং বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করা। পূর্ববাংলার প্রধান অর্থনীতি কৃষির উন্নতির জন্য সমবায় কৃষিব্যবস্থার প্রবর্তন ও পাটশিল্পকে জাতীয়করণ করা। শিক্ষার উন্নয়নের জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা এবং সকল বিদ্যালয়কে সরকারি সাহায্য করা। ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহিদ দিবস হিসেবে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করা ছিলো তৎকালীন সময়ের গণমানুষের বিশেষ দাবি। এছাড়া ৫২'র ভাষা আন্দোলনে বীর শহিদদের স্মরণে শহিদ মিনার নির্মাণ, লবণের কারখানা স্থাপন এবং শিল্প ও খাদ্যশিল্পে দেশকে স্বাবলম্বী করার কথাও এই ইশতেহারের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তাছাড়া আইন পরিষদের মেয়াদ বৃদ্ধি না করে তিন মাসের মধ্যে শূন্যপদের জন্য উপনির্বাচনের ব্যবস্থা করার উল্লেখও ছিলো যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারে।
পরিশেষে বলা যায়, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল পূর্ববাংলার সর্বসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আর এই ইশতেহারের জন্যই যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সকল মানুষের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
499

১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ভারত উপমহাদেশ ভাগ হয়ে পাকিস্তান (১৪ আগস্ট, ১৯৪৭) এবং ভারত (১৫ আগস্ট, ১৯৪৭) নামে দুটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। তৎকালীন পূর্ব-বাংলা পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পরবর্তীকালে এর নাম হয় পূর্ব-পাকিস্তান । পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকালে দেশটির মোট জনগোষ্ঠীর ৫৬% বাংলা ভাষী এবং ৩.২৭% ছিল উর্দু ভাষী। তবুও শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। বাঙালি বুদ্ধিজীবী সমাজ প্ৰথমেই প্রতিবাদমূখর হয়ে ওঠেন। তাঁরা এই অন্যায় ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। তরুণনেতা শেখ মুজিবসহ অন্যান্য ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দ এর প্রতিবাদ জানান। এভাবেই পূর্ব-বাংলায় ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত। ১৯৫২ সালে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই স্বাধীন পাকিস্তানে প্রথম গ্রেফতার হয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। এই সময়ে আরও গ্রেফতার হয়েছিলেন শামসুল হক, , অলি আহাদ, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অনেকে। ভাষার জন্য প্রতিবাদী আন্দোলনে পৃথিবীতে প্রথম শহিদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ অনেকেই। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ – এই দীর্ঘ সময়ে বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পটভূমি রচনা করেছিল ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে। যার প্রেরণায় দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতির প্রেক্ষাপট এবং এর মর্যাদা বর্ণনা করতে পারব;
  • নতুন রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব;
  • যুক্তফ্রন্ট গঠন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ মূল্যায়ন করতে পারব;
  • ভাষা আন্দোলনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে ভাষাশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে আগ্রহী হব;
  • রাজনৈতিক আন্দোলন সম্পর্কে ভাব বিনিময়ে উৎসাহী হব এবং অপরকেও উৎসাহী করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মুসলিম লীগের অগণতান্ত্রিক আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে সংস্কারপন্থীরা আওয়ামী মুসলিম লীগ গড়ে তোলেন।
দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম লীগের এক অংশ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, সংস্কারপন্থি ছিল তাদের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি মদদপুষ্ট প্রতিক্রিয়াশীল অপর অংশ নানাভাবে দমন-নিপীড়ন চালাতে থাকে। ফলে সংস্কারবাদীরা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি, সংবিধান প্রণয়ন, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন ইত্যাদি দাবি নিয়ে গড়ে তোলেন আওয়ামী মুসলিম লীগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
247
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সবুজনগর অঞ্চলে ছোট দলগুলো স্বাধীনতাপূর্ব ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে একতাবদ্ধ হয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচন ও যুক্তফ্রন্ট গঠন ছিল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পূর্ব বাংলায় ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের শাসনের চরম ব্যর্থতার ফলে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি, নেজামে ইসলামী মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয় ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর। তারা জনগণের অশা- আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৮ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। আর ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সবুজনগর অঞ্চলের ছোট দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়। এই নির্বাচন প্রক্রিয়া ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের শিক্ষারই প্রতিফলন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
530
উত্তরঃ

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের মাধ্যমে "ক্ষমতাসীন ও প্রভাবশালী হলেই নির্বাচনে জয়ী হওয়া যায় না" এ বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচন ছিল মুসলিম লীগের অন্যায় ও বৈষম্যমূলক, ব্যর্থ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ। বাঙালি জাতি এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগকে বুঝিয়ে দেয় যে, তারা পূর্ব বাংলার মুসলিম লীগকে আর চায় না। তারা যুক্তফ্রন্টের তরুণ নেতৃত্বের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। তারা ক্ষমতাসীন অত্যাচারীদের প্রতি ধিক্কার জানিয়েছিল তাদের ভোটের মাধ্যমে। তারা বুঝতে পারে পশ্চিম পাকিস্তানি ও তাদের এদেশীয় দোসরদের দ্বারা বাঙালির প্রকৃত মুক্ত সম্ভব নয়। ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলার জনগণ স্বায়ত্তশাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে।
মুসলিম লীগ ক্ষমতাশীল ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল হয়েও ১৯৫৪ 'সালের নির্বাচনে পরাজিত হয়। তাই বলা যায়, ক্ষমতাসীন ও প্রভাবশালী হলেই নির্বাচনে জয়ী হওয়া যায় না, এ বিষয়টি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের দ্বারা প্রমাণিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
293
উত্তরঃ

১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের জাল হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews