১৯৬৭ সাল থেকে রমনার বটমূলে 'ছায়ানট' নববর্ষের যে উৎসব শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের বাধাহীন পরিবেশে এখন তা জনগণের বিপুল আগ্রহ-উদ্দীপনাময় অংশগ্রহণে দেশের সর্ববৃহৎ জাতীয় অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার নববর্ষ উৎসবের দ্বিতীয় প্রধান আকর্ষণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ছাত্র-ছাত্রীদের বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। এই শোভাযাত্রায় মুখোশ, কার্টুনসহ যে-সব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীকধর্মী চিত্র বহন করা হয়, তাতে আবহমান বাঙালিত্বের পরিচয় এবং সমকালীন সমাজ-রাজনীতির সমালোচনাও থাকে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নববর্ষ এক অস্তিত্বকে বিদায় দিয়ে অন্য জীবনে প্রবেশ করায় নবজন্মের ধারণা প্রকাশ করে।

উত্তরঃ

ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা বলতে ভেদাভেদহীন ধর্মচেতনাকে বোঝায়। এই চেতনায় একক কোনো ধর্মের বিষয়কে গুরুত্ব না দিয়ে উদার ধর্মনীতিতে বিশ্বাস করা হয়।

পৃথিবীর সব সমাজ বা রাষ্ট্রে সবসময় একই ধর্মের অনুসারী মানুষ থাকে তা ঠিক নয়। এমন অনেক রাষ্ট্র বা সমাজ রয়েছে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম অনুসারী বসবাস করে। সেই সমাজ বা রাষ্ট্রে প্রতিটি ধর্ম অনুসারীদের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেখানে কোনো একটি ধর্ম অনুসারীদের তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সমাজ বা রাষ্ট্রের এমন চেতনাকেই ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা বলে।

উত্তরঃ

'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে প্রকাশিত নববর্ষ উদ্যাপনের 'হালখাতা' অনুষ্ঠানের বিষয়টি উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন বাঙালির ঐতিহ্য, সর্বজনীন উৎসব। পুরনো বছরের সমস্ত গ্লানি মুছে ফেলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নতুন করে, নতুন প্রাণে প্রাণিত হয়। এই উৎসবে জাতি-ধর্ম-গোত্র, উঁচু-নিচু কোনো ভেদাভেদ থাকে না। বাংলা ভাষা, বাংলার উৎসব, বাংলার মানুষ- পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত।

উদ্দীপকে শহর অঞ্চলে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রমনা বটমূলকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা শহরের সব শ্রেণির মানুষ বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখোশ, কার্টুন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীকধর্মী চিত্র বহন করে। 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধের নববর্ষ উদ্যাপনের অন্যতম বিষয় হালখাতা। এটি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের অনুষ্ঠান। সারা বছর বিভিন্ন জিনিসপত্র ক্রয় করার কারণে বছর শেষে ক্রেতার কাছে টাকা পাওনা থাকে। সেই টাকা পরিশোধ করার জন্য নববর্ষের দিন তাকে নিমন্ত্রণ করে এনে বিক্রেতা তাকে মিষ্টিমুখ করান। ক্রেতাও বিগত বছরের পাওনা মিটিয়ে দিয়ে পুরনো খাতার হিসাবের ইতি টানেন। এই আনন্দের বিষয়টি উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

উত্তরঃ

সামাজিক প্রকৌশলীদের আজ বাংলা নববর্ষের মধ্যে সচেতনভাবে নতুন মাত্রিকতা যোগ করতে হবে। লেখকের এই প্রত্যাশাই যেন উদ্দীপকটি ধারণ করেছে। মন্তব্যটি যথার্থ।

বাংলা নববর্ষ উৎসব বাঙালির প্রাণের উৎসব। পয়লা বৈশাখে প্রতিবছর বাংলা নববর্ষ উৎসব পালিত হয়। এই দিনে জাতি-ধর্ম-বর্ণ- গোত্র-উঁচু-নিচু, ধনী-দরিদ্র ইত্যাদির বৈষম্য ভুলে সব বাঙালি আনন্দে মেতে ওঠে। ফলে নববর্ষ উদ্যাপনের চেতনা তাদের ঐক্যবদ্ধ করে উজ্জীবিত করে তোলে।

উদ্দীপকে শহরকেন্দ্রিক মানুষের জীবনধারায় বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের নানা বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে ১৯৬৭ সাল থেকে রমনার বটমূলে 'ছায়ানট'-এর উদ্যোগে নববর্ষ উৎসব পালনের ঐতিহাসিকতা তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে এটি সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণে দেশের সর্ববৃহৎ জাতীয় অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয় এবং তাতে বিশেষ বিশেষ সামাজিক বিষয় ও অসংগতি নির্দেশ করে মুখোশ পরিধান করা হয়। এর মধ্য দিয়ে সমকালীন সমাজ- রাজনীতি সম্পর্কে মানুষ ধারণা লাভ করে। এই বিষয়টি 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে সচেতনতার দিকটিকে নির্দেশ করে। উদ্দীপকেও তার পরিচয় পাওয়া যায়।

'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে বাংলা নববর্ষে বাঙালির অংশগ্রহণ ও সচেতনতাবোধের বিকাশ বিশেষভাবে চোখে পড়ে। এতে বাঙালির লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্য অত্যন্ত গৌরবমণ্ডিত হয়ে উপস্থিত হয়। এখানে সমাজ নির্মাণের কারিগররা নিজস্ব চিন্তা-চেতনায় সাধারণকে উন্নত জীবনমানের সন্ধান দিতে পারেন। তাতে পয়লা বৈশাখ আরও মূল্য ও মর্যাদা লাভ করবে। আর ধর্মীয় সংস্কৃতির সংকীর্ণতার গণ্ডি যত ক্ষুদ্র হয়ে আসবে, জাতীয় চৈতন্য তত বেড়ে যাবে। বাঙালি তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির মাধ্যমে আরও বেশি আত্মবিকাশের সুযোগ পাবে। আর এ কারণেই বলা হয়েছে- সামাজিক প্রকৌশলীদের আজ বাংলা নববর্ষের মধ্যে সচেতনভাবে নতুন মাত্রিকতা যোগ করতে হবে।

390

প্রায় সব দেশে, সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে, সব সংস্কৃতিতেই নববর্ষ উদযাপনের প্রথা প্রচলিত আছে। অবশ্য উদ্যাপনের রীতি-প্রকৃতি ও পদ্ধতি-প্রকরণের মধ্যে তারতম্য আছে, তবু সর্বক্ষেত্রেই একটি মৌলিক ঐক্য আমাদের চোখে পড়ে। তা হলো নবজন্ম বা পুনর্জন্ম বা পুনরুজ্জীবনের ধারণা, পুরানো জীর্ণ এক অস্তিত্বকে বিদায় দিয়ে সতেজ সজীব নবীন এক জীবনের মধ্যে প্রবেশ করার আনন্দানুভূতি । টেনিসন যখন বলেন :
রিং আউট দি ওল্ড, রিং ইন দি নিউ, রিং, হ্যাপি বেলস্ এ্যাক্রস দি স্নো : দি ইয়ার ইজ গোয়িং, লেট হিম গো, রিং আউট দি ফল্স, রিং ইন দি ট্রু ॥
তখন তার মধ্যে আমরা সেটা লক্ষ করি । কবি রবীন্দ্রনাথ যখন বলেন :
এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ ।
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক ॥ যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
যাক পুরাতন স্মৃতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক ॥
মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা,
রসের আবেশরাশি
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা । শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ ৷
মায়ার কুজ্‌ঝটিজাল যাক দূরে যাক ।।

তখন তার মধ্যে আমরা সেটা লক্ষ করি। একজন বলেছেন, পয়লা জানুয়ারিকে উদ্দেশ্য করে, আরেকজন লিখেছেন পয়লা বৈশাখকে মনের মধ্যে রেখে, কিন্তু কেন্দ্রীয় ভাবটি উভয়ক্ষেত্রেই এক।
পয়লা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বাঙালির এক অনন্য উৎসব, তার অন্যতম জাতীয় উৎসব। এর ঐতিহ্য সুপ্রাচীন ও গৌরবমণ্ডিত। অবশ্য কালের যাত্রাপথ ধরে এর উদযাপন রীতিতে নানা পালাবদল ঘটেছে, বিভিন্ন সময়ে তা বিভিন্ন মাত্রিকতা অর্জন করেছে। সুদূর অতীতে এর সঙ্গে কৃষি সমাজের যোগসূত্র ছিল অবিচ্ছেদ্য। প্রাচীন কৃষিসমাজের শীতকালীন নির্জীবতার পর নবজীবনের আবির্ভাবের ধারণার সঙ্গে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের বিষয়টি সম্পর্কিত ছিল, একথা ভাবা অসঙ্গত নয় । এক সময় গ্রাম- নগর নির্বিশেষে বাংলার সব মানুষ, সে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ কি খ্রিষ্টান হোক, বাংলা নববর্ষের উৎসবে সোৎসাহে যোগ দিত। পরস্পরের বাড়িতে যাওয়া-আসা, শুভেচ্ছা, বিনিময়, খাওয়া-দাওয়া, নানা রকম খেলাধুলা ও আনন্দ উৎসব, মেলা ও প্রদর্শনী মিলে সারা বছরের অন্যান্য দিনগুলি থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হয়ে এই দিনটি গৌরবমণ্ডিত হয়ে উঠত। সাড়ে তিনশ' বছরেরও বেশি আগে বিখ্যাত ঐতিহাসিক আবুল ফজল তাঁর আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে বাংলা নববর্ষকে এদেশের জনগণের নওরোজ বলে উল্লেখ করেছেন । অবশ্য তারও বহু শতবর্ষ আগে থেকে বাংলার মানুষ নানাভাবে এই দিনটি পালন করে আসছে।
কিন্তু পালা বদলের কথা বলছিলাম। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রাজত্বের দিনগুলোর এক পর্যায়ে বাংলা নববর্ষ পালনের মধ্যে এদেশের শোষিত ও পরশাসিত জনগণের চিত্তে স্বাদেশিকতা ও জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছিল, যদিও সে সময়কার মুসলিম মানসে এর কোনো গভীর বা প্রত্যক্ষ অভিঘাত লক্ষ করা যায় না। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে অবলম্বন করে তার জাতীয়তাবাদী অনুষঙ্গের সঙ্গে যে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চেতনা যুক্ত হয়েছিল, একটু লক্ষ করলেই তা বোঝা যায়। ১৯৪৭-এ উপমহাদেশ বিভক্তির ফলে পাকিস্তান সৃষ্টির পর সেদিনের পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন নিয়ে তৎকালীন নয়া উপনিবেশবাদী, ক্ষীণদৃষ্টি, ধর্মান্ধ, পাকিস্তানি শাসকবর্গ যে মনোভাব প্রদর্শন করেন তা একইসঙ্গে কৌতূহলোদ্দীপক ও ন্যক্কারজনক । তখন এ অঞ্চলের শিক্ষিত মানুষ ধর্ম ও সম্প্রদায় নিরপেক্ষভাবে একটি প্রতিবাদী মনোভাব নিয়ে পরম উৎসাহ ভরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। এর মধ্য দিয়ে তারা তাদের বাঙালি জাতীয়বাদী চেতনাকে তুলে ধরেছে, তাদের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় ঘোষণা করেছে, তাদের দীর্ঘদিনের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
আজ স্বাধীন বাংলাদেশেও এই দিনটি নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ব্যবসায়ী মহলে হালখাতা ও মিঠাই বিতরণের অনুষ্ঠান তো আছেই। তার পাশাপাশি আছে নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী ও মেলার আসর, সঙ্গীতানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা, বক্তৃতা- ভাষণ ইত্যাদি। তবে যে গ্রামবাংলা ছিল পয়লা বৈশাখের আনন্দানুষ্ঠানের প্রাণকেন্দ্র, আজ অর্থনৈতিক কারণে শহরে, বিশেষভাবে রাজধানী ঢাকায়, পয়লা বৈশাখকে উপলক্ষ করে এখন যে চাঞ্চল্য ও আনন্দ-উৎসব দেখা যায় তা নিতান্তই মেকি একথা বলা যাবে না, কিন্তু তার মধ্যে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত নাগরিকের বুর্জোয়া বিলাস ও ফ্যাশনের একটি বড়ো অংশ কাজ করছে সেকথা মানতেই হবে ।পয়লা বৈশাখকে এ অবস্থা থেকে উদ্ধার করা প্রয়োজন। বৃহত্তর জনজীবনের সঙ্গে, শ্রমজীবী মানুষের আন্তরসত্তার সঙ্গে এর রাখিবন্ধনকে আবার নতুন করে বাঁধতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের আজ বাংলা নববর্ষের মধ্যে সচেতনভাবে নতুন মাত্রিকতা যোগ করতে হবে। বাংলা নববর্ষের উৎসব যে বিশেষভাবে ঐতিহ্যমণ্ডিত, শ্রেণিগত অবস্থান নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের উৎসব, এর একান্ত ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র যে অত্যন্ত তাৎপর্যময় আজ সেকথাটা আবার জোরের সঙ্গে বলা চাই। নিজেকে একবার একজন হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে ভেবে দেখুন, তাহলেই এর শভিনিস্টিক দিকটি বুঝতে পারবেন। অথচ এ অঞ্চলের ঐতিহ্য তো তা নয়। ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী বেনিয়া শক্তির সামনে স্বাধীন বাঙলার সূর্য ডুবে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে সিরাজদ্দৌলা শেষবারের মতো লড়াই করার জন্য ডাক দিয়েছিলেন হিন্দু-মুসলমান উভয়কে। আমাদের ঐতিহ্য তো মীর মদন ও মোহন লালের, তিতুমীর ও মঙ্গল পাণ্ডের, গোবিন্দ দেব ও মুনীর চৌধুরীর । তবে কেন এখন এরকম ঘটছে? পাকিস্তানি আমলের ধর্মের নামে নৃশংসতার ইতিহাস ভুলে যাওয়া কি এতই সহজ?
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব বাংলা নববর্ষ উদযাপন আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ চেতনাকে অপরাজেয় শক্তি ও মহিমায় পূর্ণ করুক, এই হোক আমাদের শুভ কামনা। জয় পয়লা বৈশাখ।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews