১৯৬৯ সালে ভারতের ৪র্থ লোকসভায় অন্তর্কলহের কারণে ইন্দিরা গান্ধী দল থেকে বহিষ্কৃত হন। ফলে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। গরিষ্ঠ সংখ্যক কংগ্রেস সদস্য ও স্বীয় তৃণমূল সমর্থকদের নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আর) বা মূল কংগ্রেস গঠিত হয়। অপরদিকে মোরারজী দেশাই-এর নেতৃত্বে মাত্র ৩২ জুন কংগ্রেস সদস্য নিয়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (অর্গানাইজেশন) গঠিত হয়। ১৯৭১ সালে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীর দল ৫১৮টি আসনের মধ্যে ৩৫২টি লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। অন্যদিকে মোরারজী দেশাই-এর দল অর্ধেক আসন হারায়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ১. আওয়ামী মুসলিম লীগ, ২. নেজাম-ই-ইসলাম, ৩. কৃষক-শ্রমিক পার্টি ও ৪. গণতন্ত্রী দল এ চারটি দল নিয়ে যে জোট গঠিত হয় তাই যুক্তফ্রন্ট নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উর্দুকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক।

পাকিস্তানের শাসনভার যেসব রাজনীতিবিদ ও আমলাদের হাতে ছিল তাদের অধিকাংশই ছিল উত্তর ভারত থেকে আগত উর্দুভাষী। এসব কর্তাব্যক্তিরা বাংলাকে হিন্দুদের ভাষা মনে করে রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক ক্ষমতার প্রাধান্য বজায় রাখতে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে ১৯৭১ সালে ভারতের সাধারণ নির্বাচনের সাথে আমার পঠিত ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উদ্দীপকের দেখা যায়, ১৯৬৯ সালে ভারতের লোকসভায় অন্তঃকলহের কারণে ইন্দিরা গান্ধী দল থেকে বহিষ্কৃত হন এবং গরিষ্ঠ সংখ্যক কংগ্রেস সদস্য নিয়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠন করেন। অপরদিকে মোবারজী দেশাইর নেতৃত্বে অন্য একটি জোট গঠিত হয়। ১৯৭১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীর দল বিজয় লাভ করে। উদ্দীপকের ইন্দিরা গান্ধীর জোট গঠন ও নির্বাচনের বিজয় অর্জন পূর্ব বাংলার ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠন এবং নির্বাচনে বিজয় লাভের ঘটনার সাদৃশ্য লক্ষণীয়। ১৯৪৯ সালে পূর্ব বাংলার টাঙ্গাইলে প্রথম উপনির্বাচনে মুসলিম লীগের প্রার্থী জমিদার পল্লী সাহেব তরুণ যুবনেতা শামসুল হকের কাছে পরাজিত হলে শাসকগোষ্ঠী পরাজয়ের আশঙ্কায় ৩৪টি শূন্য আসনে নির্বাচন দিতে ভয় পায়। নানা টানবাহানার পর বাধ্য হয়ে সরকার ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন সংশোধন করে ২১ বছর বয়স্ক নাগরিকদের সর্বজনীন প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান করা হয়। মুসলিম লীগকে মোকাবিলা করার জন্য মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রমুখের প্রচেষ্টায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একটি যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। ৪টি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। যুক্তফ্রন্টের শরীক দলগুলো হলো- ১. আওয়ামী মুসলিম লীগ, ২. নেজাম-ই-ইসলাম ৩. কৃষক-শ্রমিক পার্টি এবং ৪. গণতন্ত্রী দল। এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং নির্বাচনে ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ নির্বাচনে পূর্ব বাংলার মুসলিম আসন সংখ্যা ২৩৭টির মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি, মুসলিম লীগ ১০টি, নির্দলীয় ৩টি ও খেলাফতে রব্বানী ১টি আসন লাভ করে।

অতএব উদ্দীপকের ১৯৭১ সালের নির্বাচনের সাথে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ঐক্যজোটের বিজয় অর্জনের ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বে ব্যাপক পরিবর্তন সার্ধিত হয়।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের ফলাফলে পূর্ব বাংলার মানুষের জাতীয়তাবাদী চেতনার ব্যাপক প্রতিফলন ঘটে। এ নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমীনসহ মুসলিম লীগ মন্ত্রিসভার ৫ জন প্রভাবশালী সদস্য ও কয়েকজন খ্যাতিমান কেন্দ্রীয় নেতা যুক্তফ্রন্ট প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হলে পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন সাধিত হয়। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী এবং এ কে ফজলুল হকের মতো সুযোগ্য ও জননন্দিত নেতারা ঐক্যবদ্ধ হলে মানুষ নতুন করে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর ভরসা করতে শুরু করে। এ নির্বাচনে মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ আসন থেকে মুসলিম লীগ প্রার্থী ওহিদুজ্জামান ঠান্ডাকে পরাজিত করে এমএলএ নির্বাচিত হন এবং যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় কৃষি, ঋণ, সমবায় ও পল্লিউন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্রে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করেন। সোহরাওয়ার্দী, ভাসানী দেশের বাইরে মুজিবুর রহমান জেলে ফলে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পূর্ব বাংলা হালহীন নৌকার মতো হয়ে যায়। পরবর্তীতে সোহরাওয়ার্দী কেন্দ্রীয় সরকারের আইনমন্ত্রী হন এবং ভাসানীর সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ফলে ১৯৫৫ সালে যুক্তফ্রন্ট ভেঙে যায় এবং মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার রাজনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনিই বাংলার অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন এবং তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। তিনি হন বাঙালি জাতির পিতা।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের ফলে বাংলার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে এবং নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে সফলতা অর্জিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
366
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
506
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
374
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
701
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
549
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews