১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘ ৯ বছর পর ১৯৫৬ এবং ১৯৬২ সালে দুটি বারে দুটি সংবিধান রচিত হয়েছিল। কিন্তু সে সংবিধান সর্বজনগ্রহণযোগ্য ও নন্দিত ছিল না। সর্বোপরি সে সংবিধানে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল না। তাই ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
সাহিদা আক্তার শাকিলা যে নির্বাচনে মনিটরিং কমিটির সদস্য ছিলেন তা হলো ১৯৭০ সালের নির্বাচন। নিচে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের আইনগত কাঠামো আদেশ ব্যাখ্যা করা হলো-
১. পশ্চিম পাকিস্তানে এক ইউনিট ভেঙে দিয়ে পূর্বের সিন্ধু, বেলুচিস্তান, পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।
২. সকল প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে 'এক ব্যক্তি, এক ভোট' নীতি গৃহীত হবে। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে।
৩. জাতীয় অখণ্ডতা ও সংহতি বজায় রেখে দুই এলাকায় স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হবে।
৪. পরিষদের প্রথম অধিবেশন হতে ১২০ দিনের মধ্যে সংবিধান রচনা করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে ব্যর্থ হলে পরিষদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন করা হবে।
৫. সংবিধান রচনা ও কার্যকর করা পর্যন্ত সামরিক শাসন বজায় থাকবে। ৬. জাতীয় পরিষদের আসন হবে ৩১৩। এর মধ্যে ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি এবং পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদের আসন
হবে ৬২১-এর মধ্যে মহিলা প্রতিনিধি ২১ জন। বাংলাদেশের ১৯৭০ সালের আইনগত কাঠামো আদেশ একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। এটি সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিষদের অধিবেশন বসার সীমা এতে বর্ণিত হয়। এছাড়া উক্ত সময়সীমার মধ্যে অধিবেশন না বসলে এবং তার ১২০ দিনের মধ্যে সংবিধান রচনা না হলে যে নতুন নির্বাচন (Election) করতে হবে তাকে এ আইনগত কাঠামো আদেশ বলা হয়। জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা, মহিলা প্রতিনিধির সংখ্যা, পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদের আসন এবং সেখানকার মহিলা প্রতিনিধির সংখ্যাও এতে বর্ণিত ছিল।
উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সাহিদা আক্তার শাকিলা ১৯৭০ সালে. যে নির্বাচন মনিটরিং কমিটির সদস্য ছিলেন সে নির্বাচনের আইনগত কাঠামো আদেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আদেশ ছিল।
উদ্দীপকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পটভূমি ছিল ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পতন ও ইয়াহিয়া খনের নির্বাচনের ঘোষণা এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা।
রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে মুসলিম লীগ তথা পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর স্বরূপ উন্মোচিত হয়। ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব বাংলার ৪টি রাজনৈতিক দল যুক্তফ্রন্ট গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে এবং মন্ত্রিসভা গঠন করে। কিন্তু 'কেন্দ্রীয় সরকার ব্যর্থতার অভিযোগ এনে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করে। এতে পূর্ব বাংলার জনগণ ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়। ১৯৫৬ সালে সংবিধান কার্যকরী হয়। পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রাপ্তির আগেই ১৯৫৮ সালে ৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সামরিক আইন জারি করেন। তিনি ১৯৬০, ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালে নির্বাচনের নামে নাটক করেন। পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ছয় দফাভিত্তিক জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলে। আইয়ুব খান ছয় দফা আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেওয়ার জন্য শেখ মুজিবকে আগরতলা মামলার আসামি, করেন। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ছয় দফার প্রতি জনসাধারণের সহানুভূতি বৃদ্ধি পায় এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ে। আন্দোলনে ছাত্রসমাজ তথাকথিত আগরতলা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক বন্দীদের মুক্তি দাবি করে। পশ্চিম পাকিস্তানেও আইয়ুববিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। ছয় দফা ও ১১ দফা দাবি আদায়ে এক সাথে আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শেখ মুজিবুর রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের পক্ষে দেশ শাসন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে তিনি ২৫ মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়ার নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন। জেনারেল ইয়াহিয়া কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
Related Question
View Allমুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী একটি রাজনৈতিক দল হলো জামায়াত ইসলামি বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন আদায়, সামরিক শাসনের অবসান ও ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে দেশবাসীকে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ফলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে সামরিক শাসনের অবসান, পূর্ব পাকিস্তানে স্বায়ত্ত্বশাসন ও ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
কেননা এতে ক্ষমতার পালা বদলের আশা তৈরি হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফিলিস্তিনের নির্বাচনের সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, নির্বাচনে হামাসের কাছে পিএলও হেরে গেলেও প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করে। এতে ফিলিস্তিনের দুই অংশ গাজা ও পশ্চিম তীর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উদ্দীপকের নির্বাচন ও ক্ষমতা ছাড়ার অস্বীকৃতির সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ও ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা ছাড়ার অস্বীকৃতির ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে। কেননা ফিলিস্তিনের অনুরুপ ঘটনা পাকিস্তানেও ঘটেছিল। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পতনের পর ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা গ্রহণ করে ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে দেশবাসীকে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে নির্বাচিতদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই ঘোষণা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। ১৯৭০ সালের ২৮ মার্চ ইয়াহিয়া খান নির্বাচনসংক্রান্ত আইন কাঠামোর ধারাগুলো ঘোষণা করে বলেন ১৯৭০ সালের ১ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ ও ৬২১ জন সদস্য নিয়ে এটি প্রাদেশিক পরিষদ হবে। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ ও ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ১২ নভেম্বর ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ংকরী ঝড়ের কারণে ৯টি প্রাদেশিক পরিষদের ১৭টি আসনের নির্বাচন হয় ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি।
বঙ্গবন্ধু এ নির্বাচনে এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অবতীর্ণ হন। এ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭টি মহিলা আসনসহ ১৬৭টি আসন লাভ করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসন লাভ করে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা করতে থাকে। যার প্রেক্ষিতে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে।
অতএব উদ্দীপকের নির্বাচন ও নির্বাচনে হেরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতির ঘটনার সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।'
উদ্দীপকের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা পাকিস্তানের অবস্থার মতো ছিল না। উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত
উদ্দীপকে প্রেসিডেন্ট ইসমাইল হানিয়া ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জনালে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হামাসের অধীনে গাজা এবং পিএলও-এর অধীনে থাকে পশ্চিম তীর। যদি উভয়ই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অধীনেই থাকে। কিন্তু উদ্দীপকের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থার মতো পাকিস্তানের অবস্থা ছিল না। কেননা। ফিলিস্তিন একই রাষ্ট্র থাকলেও ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সৃষ্ট বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও এর প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ফলে একসময় পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। আওয়ামী লীগ ৭০-এর নির্বাচনে জিতলে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা শুরু করে। ১৯৭১ সালে ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও ১ মার্চ তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেন। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত হয়। 'জয় বাংলা' "পদ্মা-মেঘনা-যমুনা/তোমার আমার ঠিকানা" 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধর বাংলাদেশ স্বাধীন কর।' স্লোগানে সারাদেশ মুখরিত হয় এবং ২ মার্চ পুলিশের গুলিতে শত শত লোক হতাহত হয়। পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ঢাকার পল্টন ময়দানে আহূত জনসভা থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশ শুরুর ঘোষণা দেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বাঙালির বুকের তাজা রক্ত মাড়িয়ে ১০ মার্চে সর্বদলীয় বৈঠক বর্জন করেন। তিনি ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। যার প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠে আন্দোলন। পাকিস্তান সরকার এ আন্দোলন দমনে ২৫ মার্চ গণহত্যায় চালায় ফলে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ৯ মাসের যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামক নতুন দেশ।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ও তার প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে নতুন দেশ সৃষ্টির সাথে উদ্দীপকের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থার ভিন্নতা রয়েছে।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৩৫ জন আসামি ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দিক নির্দেশনা ও বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয়।
৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ৭ মার্চের ভাষণে লক্ষকোটি জনতার, উপস্থিত অনুপস্থিত শ্রোতার মনে স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়। তারা এ ভাষণে উজ্জীবিত হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝুঁপিয়ে পড়ে এবং মুক্তির আশা লাভ করে। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে 'ডকুমেন্টরি হেরিটেজ' বা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!