১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ইহাতে ১৫ বার সংশোধনী আনা হলেও ইহা মানুষের সব সমস্যা সমাধান করতে পারেনি। কিন্তু দেড় হাজার বছর পূর্বে আরব দেশে যে সংবিধান প্রণীত হয় তা রক্তের পরিবর্তে ধর্মের ভিত্তিতে একটি সাধারণ উম্মাহ গঠন করতে ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

৬২০ সালে মেরাজ সংঘটিত হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আল আকাবার শপথ বলতে মক্কার নিকটবর্তী আকাবা নামক স্থানে মদিনার আওস ও খাযরাজ গোত্রের লোকদের তিন বার ইসলাম গ্রহণ ও প্রসারের অঙ্গীকারকে বোঝায়।
৬২০ খ্রিষ্টাব্দে মদিনার আওস ও খাযরাজ গোত্রের ৬ জন লোক মক্কায় এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে মদিনা থেকে ১০ জন খাযরাজ এবং ২ জন আউস গোত্রের লোক আকাবা পাহাড়ের পাদদেশে এসে রাসুল (স)-এর সাথে সাক্ষাত করে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরের বছর (৬২২) কয়েকজন মহিলাসহ ৭৫ জন মদিনাবাসী ইসলাম গ্রহণ করেন। এভাবে তিন বার মদিনাবাসী আকাবার শপথের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করে এবং ইসলাম প্রসারে সহযোগিতায় সম্মত হয়। তাদের এ অঙ্গীকারই ইতিহাসে আকাবার শপথ নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধান প্রণয়নের সাথে মহানবি (স)-এর মদিনা সনদ প্রণয়নের মিল পরিলক্ষিত হয়।

একটি দেশকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার মূল চাবিকাঠি হলো সংবিধান। সংবিধানে লিখিত নীতিমালা অনুযায়ী মানুষের মৌলিক অধিকারসহ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করাই একটি সংবিধানের মূল লক্ষ্য থাকে। রাসুল (স) প্রণীত মদিনা সনদের ধারায় যেমন এ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়, তেমনি উদ্দীপকের সংবিধানেও এগুলো লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন। এ সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকার, ধর্মীয় অধিকারসহ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা হয়। একইভাবে বিশ্বের সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান মদিনা সনদের ধারায় রাসুল (স) মদিনাকে একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি সকল সম্প্রদায়কে নিয়ে একটি সাধারণ জাতি গঠন করে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করেন। প্রত্যেকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষাসহ অসহায় ও দুর্বলদের সর্বতোভাবে সহযোগিতার বিধান রাখা হয় এ সনদে। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে প্রণীত এ সংবিধানের মাধ্যমে মহানবি (স) মদিনায় বসবাসরত বিবদমান সকল সম্প্রদায়কে সম্ভাব ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাজ গঠনে সক্ষম হয়েছিলেন। উল্লিখিত বিষয়গুলোই উদ্দীপকের সংবিধানের সাথে মদিনা সনদের সাদৃশ্য রচনা করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর গৃহীত সংবিধান আরবে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও সদ্ভাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান হচ্ছে মদিনা সনদ। একটি আদর্শ সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে সংযোজিত নীতিমালা একটি সুন্দর, সুষ্ঠু, ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক আদর্শ সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। আরবদের সংহতির কথা চিন্তা করে সেখানে বসবাসকারী পৌত্তলিক, ইহুদি, খ্রিষ্টান এবং মুসলমানদের জন্য মহানবি (স) শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় দিক দিক দিয়ে মদিনা সনদ ছিল মহানবি (স)-এর অনন্য অবদান। মদিনা সনদ মুসলমান ও অমুসলমান সম্প্রদায়কে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবন্ধ করে হিংসা, বিদ্বেষ, ও দ্বন্দ্ব-কলহের অবসান ঘটায়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধনে বেঁধে একটি তুলনাহীন রাজনৈতিক ঐক্যের দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করে। প্রত্যেক সম্প্রদায়কে স্ব স্ব মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে গৃহযুদ্ধের ডামাডোল থেকে মদিনাকে রক্ষা করে এ সনদের বিধান। সুদহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় এ সনদের বিধান বিশ্বের সকল শাসকদের জন্য অতুলনীয় দৃষ্টান্ত। মদিনা সনদ প্রণয়নের মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ (স) মদিনাকে একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। এ সনদে প্রণীত নীতিমালা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূরীকরণ, বর্ণবৈষম্য থেকে বিশ্বকে মুক্ত করণের পাশাপাশি গৃহযুদ্ধের মতো ঘটনা নিরসনে
প্রত্যেক শান্তিকামী মানুষের জন্য আদর্শ উদাহরণ। উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরবদের সংবিধানের ভূমিকা ছিল অসামান্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
29
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
56
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
58
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
309
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews