মানবতা, পক্ষপাতহীনতা, নিরপেক্ষতা, স্বাধীনতা ইত্যাদি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির মূলনীতি
"লিঙ্গ সমতা আনয়ন” ওয়ার্ল্ড ভিশনের একটি নারী উন্নয়নমূলক কার্যক্রম।
লিঙ্গ সমতা আনয়ন কর্মসূচির লক্ষ্য হলো লিঙ্গ বৈষম্য বা নারী পুরুষের অসমতা কমিয়ে আনা। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি সমতাভিত্তিক এলাকা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। পুরুষের পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা গড়ে তুলতেও ওয়ার্ল্ড ভিশন বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। প্রতিষ্ঠানটি এজন্য নারীদের বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ ঋণ প্রদান করছে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠান UNDP-এর বিবৃত কার্যক্রমের বিশেষত্ব হলো বাংলাদেশে এই কার্যক্রমগুলো শুধুমাত্র UNDP-ই পরিচালনা করে। যা এদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশে যে সকল সংস্থা কাজ করছে তার মধ্যে UNDP-এর কার্যক্রম সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। সংস্থাটি এদেশে বিদ্যমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠানিক রূপদানে কাজ করে যাচ্ছে।
সংস্থাটি এদেশের বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করার জন্য ২০১২ সালে বিচারব্যবস্থা সুদৃঢ়করণ প্রকল্প চালু করে যা ২০১৪ সাল পর্যন্ত চলে। এ প্রকল্পটি UNDP-এর অর্থায়নেই বাস্তবায়িত হয়। আবার এদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সাথে UNDP যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সংস্থাটি এদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে।
উদ্দীপকেও UNDP-এর এই কার্যক্রমগুলো বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
আর এদেশে কাজ করছে এরকম বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে UNDP-ই এই কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করছে। ফলে এদেশের গণতন্ত্র, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা প্রভৃতির উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। এটিই উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত UNDP-এর বিবৃত কার্যক্রমের বিশেষ দিক।
আমি মনে করি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে সুসংহত ও ফলপ্রসূ করতে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটি অর্থাৎ UNDP যে সব কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশে যেসব সংস্থা কাজ করছে সেগুলোর মধ্যে UNDP অন্যতম। এটি ১৯৭২ সালের ৩১ জুলাই থেকে এদেশে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছে। আর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে সুসংহত ও ফলপ্রসূ করতে সংস্থাটি গণতন্ত্র ও শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করেছে। এর মাধ্যমে সংস্থাটি এদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানে নির্বাচন ও বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছে। যেমন এ লক্ষ্যপূরণে সংস্থাটি পুলিশের সেবাকে জনকল্যাণমূখী করতে পুলিশ সংস্কার কার্যক্রম চালু করেছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের দারপ্রান্তে পৌছে দিতে এটি উপজেলা শাসন পরিচালনা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। আবার, বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে এ সংস্থার আওতায় বিচারব্যবস্থা সুদৃঢ়করণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমকে গতিশীল ও কার্যকর করতে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের সাথে UNDP যৌথভাবে কাজ করে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি মজবুত হয়েছে। যার ফলে এদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ সহজে তাদের অধিকার আদায় ও চাহিদা পূরণ করতে পারছে।
উদ্দীপকে একটি সংস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে এটি ১৯৭২ সাল থেকে এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক অন্যান্য কর্মকাণ্ডের সাথে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে যা UNDP কে নির্দেশ করে। আর UNDP গৃহীত কার্যক্রমগুলো এদেশের উন্নয়নকে সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে সুসংহত করতে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ UNDP পরিচালিত কার্যক্রমগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
Related Question
View All১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মানবহিতৈষী ব্যক্তি হেনরি ডুনান্ট (Henri Dunant) এর উদ্যোগে Red Cross Society প্রতিষ্ঠিত হয়।
২৪ জুন, ১৮৫৯ সালে ইতালির সলফ্যারিনো গ্রামে ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে এক ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে হেনরি ডুনান্ট A Memory of Solferino' নামক বইতে বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে যুদ্ধাহতদের সেবার জন্য একটি বিশ্ব সংস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ১৮৬৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হেনরি ডুনান্ট অপর ৪ জন জেনেভাবাসীকে নিয়ে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন। ১৮৬৩ সালের ২৬ অক্টোবর তারিখে এ কমিটি ১৬টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেনেভায় একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আহ্বান জানায়। এ সম্মেলনের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক রেডক্রস প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
সুরমার উপসর্গগুলো এইডস রোগকে নির্দেশ করে।
এইডস একটি প্রাণঘাতী রোগ। এইডস রোগের ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে।
এই রোগে আক্রান্ত হলে শরীরের ওজন দ্রুত কমতে থাকে। এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত অবসাদগ্রস্ততা, বিরতিহীন ডায়রিয়া, খাবারে অরুচি, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ফুলে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।
উদ্দীপকের সুরমার ক্ষেত্রে এই উপসর্গগুলোই দেখা দিয়েছে।
উদ্দীপকের সুরমার সন্তান জন্মের পর দ্রুত ওজন কমতে থাকে। প্রায় সপ্তাহখানেক জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ আরওউপসর্গ নিয়ে সুরমা ডাক্তারের কাছে যায়। তখন রক্ত পরীক্ষায় জানা যায় সে একটি প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত। সুরমার প্রাণঘাতী রোগটির উপসর্গগুলো ওপরে বর্ণিত এইডস রোগের লক্ষণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, সুরমার উপসর্গগুলো এইডস রোগকে নির্দেশ করে।
সুরমার সন্তানের সহযোগিতায় সেভ দ্যা চিলড্রেন ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
এইডস এর বিস্তৃতি বন্ধে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সেভদ্যা চিলড্রেন বিশ্বব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব শিশুর এইডস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি তাদের জন্য সংস্থাটি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে সংস্থাটি যেসব কাজ করে তা হলো সমষ্টিকেন্দ্রিক সাহায্য প্রদান, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের শিক্ষা, মানসিক সমর্থন, পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ ইত্যাদি। অসহায়, এতিম এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের ওপর গুরুত্বারোপ করে এইডস বিষয়ে সেভদ্যা চিলড্রেন ব্যাপক কর্মসূচি পালন করে। ২০১৪ সালে সংস্থাটি HIV/AIDS কর্মসূচির আওতায় বিশ্বব্যাপী ১১.৮ মিলিয়ন শিশুকে সহযোগিতা প্রদান করেছে। সুরমার সন্তানের ক্ষেত্রে সংস্থাটি সহযোগিতা করতে পারে।
উদ্দীপকের সুরমা এইডসে আক্রান্ত হওয়ায় তার সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর যেসব শিশু এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তাদের সুরক্ষায় সেভদ্যা চিলড্রেন নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে। যেহেতু সুরমার সন্তান এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছে সেহেতু সংস্থাটি সুরমার সন্তানকে সহযোগিতা করতে পারে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুরমার সন্তানের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সেভ দ্যা চিলড্রেন ভূমিকা রাখতে পারে।
ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্থায়ী কার্যালয় অবস্থিত নেত্রকোণার বিরিশিরিতে।
ইউএনডিপির বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হলো সংকট প্রতিরোধ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম।
UNDP বিভিন্ন দেশে বিদ্যমান সশস্ত্র সংঘাত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসের ক্ষেত্রে কাজ করে। পাশাপাশি সংঘাত ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমেও সহায়তা দিয়ে থাকে। এছাড়া UNDP ঝুঁকি হ্রাসের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারকে ঝুঁকি হ্রাস বিষয়সমূহ নির্ধারণ, ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বিত নীতি প্রণয়ন এবং কর্মসূচির মান নির্ধারণে সহযোগিতা করে থাকে। UNDP নিরস্ত্রীকরণ, সেনা অপসারণ, মাইন অপসারণ, বাস্তুহারা লোকদের পুনর্বাসন এবং নির্যাতন রোধে কর্মসূচি পরিচালনা ইত্যাদি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!