এ পাঠে যেসব ইনপুট ডিভাইসের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো ছাড়া আরও ইনপুট ডিভাইস হতে পারে, নিচে এর একটি তালিকা দেওয়া হল-
১. ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার: এটি মানুষের হাতের ছাপ সম্পর্কিত তথ্য কম্পিউটারে ঢোকাবে।
২. হিউম্যান ভয়েস স্ক্যানার: মানুষের কণ্ঠস্বরের তথ্য কম্পিউটারে ঢোকাবে।
৩. গেম কনট্রোলার: কম্পিউটারের গেমসকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
৪. মিউজিক্যাল ইনপুট ডিভাইস : এ ডিভাইসের সাহায্যে কম্পিউটারের ভিতর সরাসরি মিউজিক ঢোকানো যাবে।
৫. ডিজিটাল পেন, ডিজিটাল পেপার, থ্রিডি স্ক্যানার প্রভৃতি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
একই সাথে ও ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে এমন একটি ডিভাইস হল টাচ স্ক্রিন।
বর্তমানে এরকম ডিভাইস অনেক প্রচলিত আছে, যার মধ্যে টাচ স্ক্রিন বেশ জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য। টাচ স্ক্রিনের একটা স্ক্রিন আছে, যা মনিটরের মতো কাজ করে অর্থাৎ আউটপুট দেয় এবং সেই স্ক্রিনে টাচ বা স্পর্শ করে তার ভিতর তথ্য পাঠানো যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
