উদ্দীপকের চিত্র-২ এ সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় দেখানো হয়েছে। মূলত নিম্নচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রা এ দুটি কারণে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।
সাধারণত ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়। সাগরে বৃষ্টিপাতের ফলে সুপ্ততাপ ছেড়ে দেওয়ায় বায়ুমন্ডলে বাষ্পীভবন বাড়িয়ে দেয়। এ সুপ্ততাপের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এতে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সৃষ্ট নিম্নচাপে আশেপাশের বাতাস সেখানে ধাবিত হয়, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘূর্ণি আকারে উপরের দিকে উঠতে থাকে এবং
ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণিঝড় থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়-
প্রথমত, আমাদের ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রক্রিয়া জোরদার করতে হবে এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানোর জন্য আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘূর্ণিঝড়ের আরেকটি মারাত্মক দিক হলো জলোচ্ছ্বাস। তাই এর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য উঁচু করে মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। নিচু এলাকায় বসবাসরত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর জন্য উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ তৈরি করতে হবে এবং সেখানে প্রচুর গাছপালা লাগিয়ে ক্ষতির পরিমাণ কমানো যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড় পূর্বকালীন উপকূলীয় এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য কার্যক্রম জোরদার করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা যেতে পারে।
সুতরাং যথাযথ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া
সম্ভব। জনতারাকাত
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!