কোনো দেশের জাতীয় আয়ের বার্ষিক বৃদ্ধির হারকে প্রবৃদ্ধির হার বলা হয়।
উন্নয়নের জন্য নীতিগত ভিত্তি প্রস্তুত করতেই সরকার 'রূপকল্প ২০২১' ঘোষণা করেছে। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য বর্তমান সরকার পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের আওতায় সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০২১-এর আলোকে বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২০২১ শীর্ষক পরিকল্পনা দলিল প্রস্তুত করেছে।
প্রদত্ত ছকের 'A' দেশটি হলো উচ্চ আয়ের দেশ তথা একটি উন্নত দেশ।
উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে, যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর 'উচ্চ আয়ের দেশ' শ্রেণিভুক্ত। দৃশ্যমান ছকের 'A' চিহ্নিত দেশটিও তদ্রুপ একটি উচ্চ আয়ের দেশ। এ ধরনের দেশে মানুষের জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। এসব দেশে আর্থসামাজিক অবকাঠামো অত্যন্ত উন্নত, শিল্পখাত সম্প্রসারিত, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থনীতির অনুকূলে।
অতএব নিশ্চিতভাবে বলা যায়, 'A' দ্বারা উচ্চ আয়ের দেশ তথা উন্নত দেশের কথা বলা হয়েছে।
প্রদত্ত ছকের 'A' দেশটি হলো উচ্চ আয়ের দেশ তথা একটি উন্নত দেশ।
উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে, যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর 'উচ্চ আয়ের দেশ' শ্রেণিভুক্ত। দৃশ্যমান ছকের 'A' চিহ্নিত দেশটিও তদ্রুপ একটি উচ্চ আয়ের দেশ। এ ধরনের দেশে মানুষের জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। এসব দেশে আর্থসামাজিক অবকাঠামো অত্যন্ত উন্নত, শিল্পখাত সম্প্রসারিত, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থনীতির অনুকূলে।
অতএব নিশ্চিতভাবে বলা যায়, 'A' দ্বারা উচ্চ আয়ের দেশ তথা উন্নত দেশের কথা বলা হয়েছে।
না, প্রদত্ত ছকে উল্লিখিত 'B' ও 'C' উভয় দেশই একইভাবে কৃষি নির্ভর নয় বলে আমি মনে করি। 'B' দ্বারা মধ্যম আয়ের দেশ তথা উন্নয়নশীল দেশকে নির্দেশ করা হয়েছে। আর 'C' দ্বারা নিম্ন আয়ের দেশ তথা অনুন্নত দেশকে নির্দেশ করা হয়েছে।
মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চমধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্নত। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদার অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে। ফলে কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা কমছে। অপরদিকে, মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে 'নিম্ন আয়ের দেশ'। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো অনুন্নত দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই। পরিকল্পিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশগুলো কিছুটা উন্নয়নও অর্জন করেছে। সেজন্য অনেক ক্ষেত্রেই এ দেশগুলোকে অনুন্নত না বলে স্বল্পোন্নত দেশ বলা হয়। তবে অনুন্নত দেশের জনগণের বৃহদংশ খাদ্য, জীবিকা ও অন্যান্য প্রয়োজন পূরণের জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এসব দেশে কৃষি জাতীয় উৎপাদনের একক বৃহত্তম খাত।
উদ্দীপকে দেখা যায়, B দেশের মাথাপিছু আয় ৭০০০ – ৯০০০ মার্কিন ডলার যা মধ্যম আয়ের দেশকে নির্দেশ করে। আর C দেশের মাথাপিছু আয় ৫০০-৭০০ মার্কিন ডলার যা নিম্ন আয়ের দেশকে নির্দেশ করে। সাধারণত মধ্যম আয়ের দেশ কম মাত্রায় কৃষিনির্ভর আর নিম্ন আয়ের দেশ অধিক মাত্রায় কৃষিনির্ভর। পরিশেষে তাই আমি মনে করি, 'B' ও 'C' উভয় দেশই কৃষিনির্ভর নয়।
Related Question
View Allঅর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধি।
সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সংঘটিত বাণিজ্যকে বৈদেশিক বাণিজ্য বলা হয়।
পৃথিবীর কোনো দেশই সর্বদিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই প্রত্যেক দেশকেই অন্য দেশ থেকে কিছু আমদানি করতে হয়; আবার কোনো দেশ তার নিজের চাহিদা মিটিয়ে কোনো না কোনো পণ্য অন্য দেশে রপ্তানিও করে থাকে। এভাবে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যে বাণিজ্য গড়ে ওঠে তাই হচ্ছে বৈদেশিক বাণিজ্য।
অনিমা ও তার বাবা কুয়াকাটা যাওয়ার পথে যে ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় তা হচ্ছে প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগ কবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো ও নদীভাঙন। এ দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষিখাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া বাড়িঘর, পথঘাট ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়। বিশেষত প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এদেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদি পশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এ ক্ষতিপূরণ করেই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়। উদ্দীপকে অনিমা লক্ষ করে মহীপুরের ফেরিপার হতে গিয়ে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের কারণে ফেরি সংলগ্ন পল্টুনের তিন-চতুর্থাংশ পানির নিচে ডুবে গেছে। এক্ষেত্রে জলোচ্ছ্বাস হচ্ছে একটি প্রকৃতি সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা।
তাই বলা যায়, অনিমা ও তার পরিবার কুয়াকাটা যাওয়ার পথে দেশের প্রকৃতি সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।
অনিমার বাবার জানা প্রকল্পটি হচ্ছে 'কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম' বা সংক্ষেপে সিডিএমপি যা এদেশে প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য কাজ করছে। প্রকল্পটি অবশ্যই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠেছে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ, এর অধীনস্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো ও আবহাওয়া অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড ইত্যাদি সংস্থা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদান করে থাকে। বহুসংখ্যক এনজিও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। ত্রাণ ও পুনর্বাসন, খাদ্য, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসমূহ, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ 'কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম' শীর্ষক প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় ২০১০-১৪ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় দুর্যোগ সম্পর্কে আগাম সতর্কীকরণ, দুর্যোগের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি পদক্ষেপ গৃহীত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে। উদ্দীপকে অনিমা তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কুয়াকাটায় বেড়াতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে জলোচ্ছ্বাসের কারণে তাদের যাত্রাতে বিঘ্ন ঘটে। যা প্রকৃতসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতাকে নির্দেশ করে। অনিমার বাবা সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানতে পারে, সরকার এ প্রতিবন্ধকতা দূর করতে একটি বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। সরকারের এ প্রকল্প কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামকে নির্দেশ করে। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাকৃতিক এসব দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ প্রোগ্রাম বিশেষভাবে অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি।
যেকোনো অবস্তুগত দ্রব্য যার উপযোগ এবং বিনিময় মূল্য আছে, তাই সেবা।
শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতির সাথে দেশে বিদ্যমান শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির সম্পর্ক রয়েছে। ফলে সুশাসনের অভাব শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতির অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।
সুশাসনের অভাব দেশে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের ইচ্ছাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। তাছাড়া সুশাসনের অভাব দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মনে ভয়ভীতি এনে দেয়। সার্বিকভাবে সুশাসনের অভাব অর্থনীতিতে ঝুঁকি বৃদ্ধি করে যা শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতিতে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!