২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার জাভার সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। এতে এলাকাটি প্লাবিত হয়ে অসংখ্য লোকের প্রাণহানিসহ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ গলিত লাভা, বাষ্প, ভস্ম, গ্যাস, ধূম্র প্রভৃতি পদার্থ ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে তা জমাট বেঁধে যে পদার্থ বা গিরির সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সৃষ্টিকারী শক্তিসমূহের মধ্যে ধীর পরিবর্তন অন্যতম। ধীরগতির শক্তিসমূহের ভূমিরূপের পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ব্যাপি সংঘটিত হয়। ধীর গতির শক্তিসমূহ প্রধানত প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে কাজ করে। ধীরগতির শক্তিসমূহ চারটি প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয় যেমন-
১. বিচূর্ণীভবন,
২. অপসারণ,
৩. নগ্নীভবন ও
৪. অবক্ষেপণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হলো সুনামি।
সাগর তলদেশে প্রচন্ড ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে কিংবা অন্যকোনো কারণে ভূআলোড়নের সৃষ্টি হলে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে প্রবল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। এ প্রবল ঢেউ উপকূলভাগে এসে তীব্র বেগে আছড়ে পড়ে। এ আছড়ে পড়া প্রবল ঢেউ-ই সুনামি। সুনামি সৃষ্টির প্রধান কারণগুলো হলো নিম্নরূপ-  সমুদ্রতলদেশের ত্রুটিপূর্ণ গতিশীলতার ফলে সৃষ্ট ভূমিকম্পের কারণে। ভূতাত্ত্বিক গতিশীলতার জন্য সমুদ্রতলে কিংবা উপকূলভাগে বিশাল ভূমিধসের কারণে। সমুদ্রতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি হতে পারে। মোটকথা সমুদ্রের তলদেশে বড় ধরনের ভূআলোড়ন জাতীয় ঘটনার ফলে সুনামি সংঘটিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইলিাতকৃত দুর্যোগটি হলো সুনামি।

সুনামির পরিবেশগত প্রভাব লক্ষণীয়।  সুনামি একটি মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যেহেতু এটি সমুদ্রের তলদেশে উৎপত্তি হয়ে সমুদ্রের উপর বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে উপকূলে আঘাত হানে তাই এর প্রভাবে জনজীবনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। নিচে এর ক্ষতির দিকগুলো উল্লেখ করা হলো। ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইন্দোনেশিয়ার বিখ্যাত ক্রাকাটাও আগ্নেয়গিরির প্রলয়ঙ্করী বিস্ফোরণে ৪০ মিটার উঁচু সুনামি হয়। এ সুনামিতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের ৩৬ হাজার লোক প্রাণ হারায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে আলাস্কার লিটুয়া উপসাগরে ভূমিধসের ফলে সুনামি সৃষ্টি হয়। এ সুনামিতে ৩৫ মিটার উঁচু সৃষ্টি হয়। ২৬ ডিসেম্বর ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে ৮.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ায় এক মহাপ্রলয়ঙ্করী সুনামির সৃষ্টি হয়। এ সুনামিতে শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই লক্ষাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ সুনামি পূর্ব আফ্রিকার সোমালিয়া ও কেনিয়াতেও আঘাত হানে। তাছাড়া, থাইল্যান্ড, ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ এবং তামিলনাডু রাজ্যসহ ভারত ও শ্রীলঙ্কার ব্যাপক ক্ষতি হয়।জাপানের রাজধানী টোকিও শহরের প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-
পূর্বে এ সুনামি আঘাত হেনেছিল। এ সুনামির ফলে জাপানের পাঁচটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা বাতাস ও পানির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ সুনামিতে জাপানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এভাবে সুনামির ফলে যে ব্যাপক প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতি হয় তার দ্বারা বায়ু, পানি, মাটি ও তেজস্ক্রিয় দূষণ সংঘটিত হয় যা ব্যাপকভাবে পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
36
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলারাশি চূর্ণ-বিচূর্ণ বা বিশ্লিষ্ট হলে তাকে বিচূর্ণীভবন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
127
উত্তরঃ

সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, নভোজাগতিক ঘটনা প্রভৃতি কারণে সুনামির সৃষ্টি হয়।
সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের

সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রের তলদেশের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং সমুদ্রের পানিতে প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যা সুনামি নামে পরিচিত। এছাড়া পাত সঞ্চালনের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের কারণেও সমুদ্রের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা পানি আরও ফুলে ওঠে লক্ষ লক্ষ টনের বিশাল ঢেউ তৈরি করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে যা সুনামি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
125
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিবিসি এর প্রচারিত দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প।
ভূঅভ্যন্তরে দ্রুত বিপুল শক্তি বিমুক্ত হওয়ায় পৃথিবীপৃষ্ঠে যে ঝাঁকুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকল্প বলে। নিচে ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার কারণ বর্ণনা করা হলো- ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূনিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। আবার সমগ্র পৃথিবী ৭টি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। তবে মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
111
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হারিস সাহেবের পরের দিন দেখা দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূরে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ইত্যাদি ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদগিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমেষে প্রাণহানি হয়। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদগীরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্রাটোমণ্ডলে ওঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার যেসব আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত সেসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে ও জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটিও অগ্ন্যুৎপাতের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ শুধু তাই নয়, এর ফলে মালভূমিও সৃষ্টি হয়। লাভার সাথে অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ ভূপৃষ্ঠে ওঠে আসে। ফলে উক্ত এলাকা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
112
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ গলিত লাভা, বাষ্প, ভস্ম, গ্যাস, ধূম্র প্রভৃতি পদার্থ ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে তা জমাট বেঁধে যে পদার্থ বা গিরির সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
127
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সৃষ্টিকারী শক্তিসমূহের মধ্যে ধীর পরিবর্তন অন্যতম। ধীরগতির শক্তিসমূহের ভূমিরূপের পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ব্যাপি সংঘটিত হয়। ধীর গতির শক্তিসমূহ প্রধানত প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে কাজ করে। ধীরগতির শক্তিসমূহ চারটি প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয় যেমন-
১. বিচূর্ণীভবন,
২. অপসারণ,
৩. নগ্নীভবন ও
৪. অবক্ষেপণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
148
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews