সংঘাত এবং যুদ্ধকবলিত এলাকাগুলোতে ক্ষুধা নিরসনে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে জাতিংসঘের অঙ্গ সংস্থা ‘বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি' বা ‘World Food Programme' (WFP).
হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিস্কারের জন্য ২০২০ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন তিনজনঃ হার্ডি জে অল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চালর্স এম রাইস (যুক্তরাষ্ট্র) এবং মাইকেল হটন (যুক্তরাজ্য) আর কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে তিন বিজ্ঞানীকে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। এরা হলেনঃ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রজার পেনরোজ', জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়াল ফিজিকস এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের 'রেইনহার্ড গেনজেল' এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের 'আন্দ্রে গেজ'। উল্লেখ্য, জিনোম সম্পাদনার একটি পদ্ধতির বিকাশের জন্য রসায়ন বিভাগে ২০২০ সালে পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের ২জন নাগরিক ইমানুয়েল শার্পেত্তি এবং জেনিফার ডুডনা। নিলাম তত্ত্ব এবং নতুন নিলাম ফরমেটের প্রতিচ্ছবিগুলোর আবিস্কারের জন্য ২০২০ সালে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন (২ জন) পল আর মিলগ্রাম (যুক্তরাষ্ট্র) এবং রবার্ট বি উইলসন (যুক্তরাষ্ট্র)। কাব্যিক কণ্ঠ যা নিরলস সৌন্দর্য স্বতন্ত্র অস্তিত্বকে সর্বজনীন করে তোলে এই জন্য ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক 'লুইস গ্লুক'। সংঘাত এবং যুদ্ধকবলিত এলাকগুলোতে ক্ষুধা নিরসনে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে জাতিংঘের অঙ্গ সংস্থা 'বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি' বা ‘World Food Programme' (WFP).
নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট ‘নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি' কর্তৃক নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় ৬টি ক্ষেত্রে। আর এই পুরস্কার প্রদানের নেপথ্যে কাজ করে ৪টি প্রতিষ্ঠান।
নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড বার্নার্ড নোবেল। ১৯০১ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রথম নোবেল পুরস্কারের সূচনা হয়। এই পুরস্কারের অর্থ দেয় সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকটি তাদের ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু করে ।