চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত কোনো বিন্দুর বিপরীত বিন্দুকে সেই বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান বলে। প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণভাবে একে অন্যের বিপরীত দিকে থাকে। প্রতিপাদ স্থান নির্ণয় করার জন্য ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়। ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে ভূপৃষ্ঠের বিপরীত পাশে এসে পৌছায় সে বিন্দুই পূর্ব বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।
সিডনি ঢাকার পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় এর দ্রাঘিমা বেশি হবে ঢাকা ও সিডনির সময়ের ব্যবধান =১০-৬ ঘণ্টা
= ৪ ঘণ্টা
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
৪ ঘণ্টা = ৬০ ৪ মিনিট
= ২৪০ মিনিট
৪ মিনিট ব্যবধানে দ্রাঘিমার ব্যবধান হয় ১০
১ “ ” “ ” "
২৪০ “ ” “ ” "
= ৬০০
মূল মধ্যরেখা হতে ঢাকার অবস্থান =৯০০ পূর্ব দ্রাঘিমায়
ঢাকা থেকে সিডনি =৬০০ পূর্ব দ্রাঘিমায়
∴ সিডনির দ্রাঘিমা =৯০০ + ৬০০
= ১৫০° পূর্ব
উত্তর: ১৫০° পূর্ব।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে সিডনির দ্রাঘিমা ১৫০° পূর্ব।
একই সময়ে দিপার দেশেও একই ঋতু তথা শীতঋতু বিরাজ করবে না।
পৃথিবীর কেন্দ্র বরাবর পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা। এ বিষুব রেখা বা নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে পূর্ব থেকে পশ্চিমগামী রেখাকে বলে উত্তর অক্ষরেখা। নিরক্ষরেখার দক্ষিণ দিকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে গমনকারী রেখাকে দক্ষিণ অক্ষরেখা বলে। নিরক্ষরেখার উত্তরের অংশ উত্তর গোলার্ধে আর দক্ষিণের অংশ দক্ষিণ গোলার্ধ। উদ্দীপকে দীপা ২৩.৫০° উত্তর অক্ষরেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ফোন দিয়েছেন ৩৩° দক্ষিণ অক্ষরেখা ও ২৫০° পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে। দ্রাঘিমাগত দিক দিয়েই একই দিক একই হলেও গোলার্ধের দিক থেকে দুটি আলাদা অবস্থানে। অর্থাৎ ঢাকার অবস্থান উত্তর গোলার্ধে আর সিডনির অবস্থান দক্ষিণ গোলার্ধে, এজন্য বার্ষিক গতির নিয়মানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করবে। উদ্দীপকে উল্লিখিত হয়েছে যে ঢাকায় ঐ সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত ঢাকা শহরে শীত পড়ার কারণ সূর্য থেকে দূরে সরতে থাকার ফলে। বিপরীত দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত সিডনি শহর এ সময় সূর্যের কাছে আসতে থাকে। তাই এখানে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বা ঋতু দেখা যায়।
Related Question
View Allপৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে মেরুরেখা বলে।
সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক। ৫৫% হাইড্রোজেন, ৪৪% হিলিয়াম এবং ১% অন্যান্য গ্যাসের সমন্বয়ে সূর্য গঠিত। আর এ সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।
দেওয়া আছে
A' চিহ্নিত স্থানটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা A' চিহ্নিত স্থানের পূর্বে B' স্থানটি অবস্থিত হওয়ায় 'B' স্থানের স্থানীয় সময় ' A' চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় থেকে বেশি হবে।
অর্থাৎ, ৭টা + ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট = ১০টা ১৬ মিনিট
সুতরাং 'B' স্থানটির স্থানীয় সময় হবে ১০: ১৬ মিনিট
না, উক্ত তারিখে অর্থাৎ ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবারাত্রির দৈর্ঘ্য একইরূপ হবে না।
ছকে 'A' ও 'B' স্থান দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থিত। 'A' স্থানটি ৩০০ উত্তর অক্ষরেখা বরাবর এবং 'B' স্থানটি ৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখায় অবস্থিত। দুটি স্থান দুই গোলার্ধে হওয়ায় ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য ভিন্ন রকম হবে। অর্থাৎ 'A' স্থানে দিন বড় এবং রাত ছোট হবে। পক্ষান্তরে, 'B' স্থানে দিন ছোট ও রাত বড় হবে। ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়নের শেষ দিন। এদিন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। লম্বরশ্মি অধিক তাপ দেয়। তাছাড়া সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক স্থান জুড়ে এবং অধিক সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে ঐ দিনের পূর্বেকার দেড় মাস এবং পরবর্তী দেড় মাস মোট তিন মাস সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক তাপ ও আলো দেয় বলে ঐ সময়কালে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়। এ কারণে ২২ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। পক্ষান্তরে, ২২ জুনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অল্প সময় এবং অল্প স্থানব্যাপী আলো দেয়। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে তাপ ও আলো কম পায়। এ কারণে ২২ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'A' ও 'B' দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থানের কারণে দিবা-রাত্রির মধ্যে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়।
নিজ অক্ষের ওপর পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনকে সৌরদিন বলে।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এভাবে দেখা যায়, প্রতি ৪ বছর পর পর একটি বাড়তি দিন থাকছে। এই বাড়তি দিন প্রতি ৪র্থ বছরে যোগ হয়ে ৩৬৬ দিন হয়। সেই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে হয়। এরূপ বছরকে অধিবর্ষ বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!