২১শে ফেব্রুয়ারি প্রভাত ফেরিতে সহপাঠীদের সাথে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায় নিলয়। এরপর এ দিনটি উপলক্ষে কলেজে আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে একজন স্যার বলেন, আজ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। এই দিনটিতে বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছেন ছাত্র-শিক্ষকসহ বাংলার জনতা।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন লাভের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে যে দাবি উত্থাপন করেছিলেন তাই 'ছয় দফা কর্মসূচি' হিসেবে পরিচিত।

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ নানাভাবে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হতে থাকে। এ অবস্থার অবসান এবং পূর্ববাংলার জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে দাবিসমূহ পেশ করেন, তা ছয় দফা কর্মসূচি হিসেবে অভিহিত। ছয় দফা কর্মসূচি ছিল বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনাকার্টা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

ভাষা আন্দোলন বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পরই শাসকগোষ্ঠী ভাষার প্রশ্নে বাঙালি সংস্কৃতির ওপর প্রবল আঘাত হানে। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়াদী উদ্যান) এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন, 'Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan.' সাথে সাথে উপস্থিত ছাত্র-জনতা এ উক্তির তীব্র প্রতিবাদ জানায়। ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানও উর্দুকে গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন। পাকিস্তান সরকারের এরূপ অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কর্তৃক সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা আয়োজনের কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে সে মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। নিহত হন সালাম, বরকত, জব্বার প্রমুখ। মাতৃভাষার জন্য জীবনদানের এমন ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। দিবসটিতে বাঙালি আপামর জনসাধারণ প্রভাত ফেরিতে অংশ নিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, নিলয় ২১ ফেব্রুয়ারিতে সহপাঠীদের সাথে প্রভাত ফেরিতে অংশ নিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায়। পরবর্তীতে নিলয়দের একজন শিক্ষক দিবসটির ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। পূর্বে বর্ণিত ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং উদ্দীপকের তুলনামূলক পর্যালোচনা করে এটা স্পষ্ট যে, উদ্দীপকটি ভাষা আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক দ্বারা ইঙ্গিতকৃত আন্দোলন তথা ভাষা আন্দোলনের সফলতায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ রোপিত হয়েছিল- উক্তিটি ঐতিহাসিকভাবেই যথার্থ এবং প্রমাণিত।

ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কেননা ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই পূর্ব বাংলার জনগণ সর্বপ্রথম অধিকার সচেতন হয়ে ওঠে। পূর্ব পাকিস্তানিরা যে পশ্চিম পাকিস্তানদের থেকে স্বাতন্ত্র্য এবং তাদের দাবি যে স্বাতন্ত্র্য খাতে প্রবাহিত হতে পারে, এ শিক্ষা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই অর্জিত হয়। এ আন্দোলন পূর্ব বাংলার জনগণকে সর্বপ্রথম সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত করে। সংগ্রাম ছাড়া কোনো দাবি আদায় করা সম্ভব না, তা এ আন্দোলনের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে যায়। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার শিক্ষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা, বুদ্ধিজীবী, কৃষকরা ঐক্যবদ্ধ হন এবং দাবি আদায়ের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ আন্দোলনের ফলে আপামর বাঙালির ভেতর এই চেতনা জাগ্রত হয় যে, ধর্মের দিক থেকে বিভিন্নতা থাকলেও সাংস্কৃতিক দিক থেকে বাঙালিরা একই জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ- ভাষা আন্দোলনের ফলেই ধর্মভিত্তিক জাতীয়তার পরিবর্তে ভাষা ও সংস্কৃতিভিত্তিক জাতীয়তাবোধের সৃষ্টি হয়।

উপরের আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায় যে, ভাষা আন্দোলনের ফলে সর্বপ্রথম পৃথক জাতিগোষ্ঠী হিসেবে বাঙালির চেতনা জাগ্রত হয়েছিল, আর এর ওপর ভিত্তি করেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ রোপিত হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
356

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিবাহ বিহীন পরিবার গঠন দিবালোকে স্বপ্ন দেখার মতো। এমন কোনো পরিবারের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি যারা বিবাহ বহির্ভূত পরিবার গঠন করেছে। এজন্য পরিবারের ভিত্তি বলা হয় বিবাহকে। যখন একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক একত্রে বৈধভাবে বসবাস করে তখন তাকে পরিবার বলে। এ সংজ্ঞা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, পরিবার গঠনের পূর্বশর্ত বিবাহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
495
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভাষা আন্দোলনের কথা বলা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালিদের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বশ্যতা স্বীকার করানোর জন্য পাকিস্তানিরা উঠে পড়ে লাগে। ১৯৪৭ সালেই উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আসলে বুদ্ধিজীবীরা নানা রচনার মাধ্যমে তার প্রতিবাদ জানান। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় বলেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" বাংলার নির্ভীক ছাত্রসমাজ সাথে সাথে এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। তারপর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ঢাকার এক জনসভায় আবারও ঘোষণা করেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।" এ ঘোষণা শোনা মাত্রই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ভাষা আন্দোলনের গতিকে তীব্রতর করতে গঠিত হয় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। তীব্র আন্দোলন চলার এক পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্ররা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ বাহিনী গুলি করলে বরকত, জব্বার, রফিক প্রমুখ শহিদ হন।

উদ্দীপকের আইদান প্রভাত ফেরীতে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করে, আমরা শহিদ মিনারে কেন ফুল দেই? বাবা বলেন, এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ছাত্রজনতা বুকের রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছিল। তাদের স্মরণে আমরা শহিদ মিনারে ফুল দেই। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইদানের বাবার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
717
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দিবসটি অর্থাৎ শহীদ দিবসের মতোই স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ইত্যাদি বাংলাদেশের নগর সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।

বাঙালির বিভিন্ন দিবস পালনকে সাংস্কৃতিক অথবা আর্থ-সামাজিক যেভাবেই বিবেচনা করি না কেন, তার গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। গ্রামীণ ও নগর সংস্কৃতিতে এসব দিবস পালনের অনুষ্ঠানে ভিন্নতা দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবেই গ্রামীণ সংস্কৃতি অপেক্ষা নগর সংস্কৃতিতে যেকোনো দিবস ঘটা করে পালন করা হয়। যেমন ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। এ দিনটি উপলক্ষে নগরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়া হয়। যেমন- আনন্দ র‍্যালি বের করা, বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ইত্যাদি করা হয়। এসব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবসময়ই নগরবাসীকে অনুপ্রেরণা যোগায়। এ কারণে নগর সমাজের মানুষ জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠানে আগ্রহ সহকারে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া এ জাতীয় অনুষ্ঠান নগর সমাজের শিশুরা খুব কাছে থেকে উপভোগ করে বলে তাদের মধ্যে গভীর দেশপ্রেম দানা বাঁধতে থাকে। ফলে দেশের প্রতি তাদের মনে গভীর ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, এসব দিবস উদযাপন নগর সমাজের সব শ্রেণি ও পর্যায়ের মানুষের মধ্যে এক ধরনের জাতীয়তাবাদী চেতনা তৈরি করে।

উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, বাঙালির বিভিন্ন দিবস উদযাপন নগর সংস্কৃতি বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
359
উত্তরঃ

সাঁওতালরা মূলত এ দেশে আসে কৃষি মজুর হয়ে, জমি পরিষ্কার করে চাষাবাদ করার জন্য, রেললাইন বসাতে এবং চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে। ধারণা করা হয়, বর্তমান সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার রাজ্য ও অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এসে এখানকার পার্বত্য এলাকা ও আশপাশের বন-জঙ্গলে ও পতিত জমিতে বসতি স্থাপন করে। পরে তারা এসব বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে পতিত জমিকে চাষযোগ্য করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
513
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews