২৬ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় কলেজের অধ্যক্ষ সাহেব বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে যে অবিসংবাদিত নেতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তিনি রাজবন্দির মুক্তি ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমরণ অনশন শুরু করেন। তিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৬৬ সালে অধিকারবঞ্চিত বাঙালির পক্ষে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। তার নেতৃত্বে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং তারই দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

তদানীন্তন পাকিস্তানের শতকরা ৮ ভাগ লোকের ভাষা উর্দু ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশের মর্যাদা লাভ করলেও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানকে দুর্বল করে রাখা হয়। বিশেষ করে আইয়ুব খানের শাসনামলে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য চরম আকার ধারণ করে। তখন পূর্ব পাকিস্তানে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সম্পদ থেকে যে আয় হতো তা পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় না করে পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় করা হতো। ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং পাক সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকার প্রতিফলন ঘটেছে। কেননা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং রাজবন্দির মুক্তি ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমরণ অনশন শুরু করেন। উদ্দীপকেও দেখা যায়, ২৬ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কলেজের অধ্যক্ষ সাহেব বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে যে অবিসংবাদিত নেতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তিনি রাজবন্দির মুক্তি ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমরণ অনশন শুরু করেন। তিনি আরও বলেন, উক্ত নেতা ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৬৬ সালে অধিকারবঞ্চিত বাঙালির পক্ষে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। তার নেতৃত্বে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং তারই দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্দেশ করে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উক্ত নেতা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতার অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনে এক স্মরণীয় ঘটনা। ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধু মুক্তি সংগ্রামের উদাত্ত আহ্বান জানান। এই যুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও তার দিক নির্দেশনা ও আহ্বানে সমগ্র বাঙালি জাতি এ | যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫ মার্চ মাঝরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চের শুরুতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি ওয়ারলেসের মাধ্যমে দলের নেতৃবৃন্দকে জানিয়ে দেন যাতে স্বাধীনতার এই ঘোষণাপত্র প্রচার করা হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথমবার এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন। পরবর্তীতে মেজর জিয়াউর রহমান উক্ত বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বাধীনতার ঘোষণা শোনার সাথে সাথে বাংলাদেশের  সামরিক ও বেসামরিক জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ যুদ্ধে বাঙালি জাতি সফল হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবন কেটেছে বাংলা ও বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য। ফলে তার কর্মকাণ্ড বাঙালিদের পরাধীনতার শৃঙ্খল হতে মুক্ত হতে উজ্জীবিত করেছে এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করতে ঐক্যবদ্ধ করেছে। কাজেই উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে উক্ত নেতা তথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
145
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিবাহ বিহীন পরিবার গঠন দিবালোকে স্বপ্ন দেখার মতো। এমন কোনো পরিবারের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি যারা বিবাহ বহির্ভূত পরিবার গঠন করেছে। এজন্য পরিবারের ভিত্তি বলা হয় বিবাহকে। যখন একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক একত্রে বৈধভাবে বসবাস করে তখন তাকে পরিবার বলে। এ সংজ্ঞা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, পরিবার গঠনের পূর্বশর্ত বিবাহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
474
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভাষা আন্দোলনের কথা বলা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালিদের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বশ্যতা স্বীকার করানোর জন্য পাকিস্তানিরা উঠে পড়ে লাগে। ১৯৪৭ সালেই উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আসলে বুদ্ধিজীবীরা নানা রচনার মাধ্যমে তার প্রতিবাদ জানান। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় বলেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" বাংলার নির্ভীক ছাত্রসমাজ সাথে সাথে এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। তারপর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ঢাকার এক জনসভায় আবারও ঘোষণা করেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।" এ ঘোষণা শোনা মাত্রই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ভাষা আন্দোলনের গতিকে তীব্রতর করতে গঠিত হয় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। তীব্র আন্দোলন চলার এক পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্ররা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ বাহিনী গুলি করলে বরকত, জব্বার, রফিক প্রমুখ শহিদ হন।

উদ্দীপকের আইদান প্রভাত ফেরীতে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করে, আমরা শহিদ মিনারে কেন ফুল দেই? বাবা বলেন, এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ছাত্রজনতা বুকের রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছিল। তাদের স্মরণে আমরা শহিদ মিনারে ফুল দেই। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইদানের বাবার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
681
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দিবসটি অর্থাৎ শহীদ দিবসের মতোই স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ইত্যাদি বাংলাদেশের নগর সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।

বাঙালির বিভিন্ন দিবস পালনকে সাংস্কৃতিক অথবা আর্থ-সামাজিক যেভাবেই বিবেচনা করি না কেন, তার গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। গ্রামীণ ও নগর সংস্কৃতিতে এসব দিবস পালনের অনুষ্ঠানে ভিন্নতা দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবেই গ্রামীণ সংস্কৃতি অপেক্ষা নগর সংস্কৃতিতে যেকোনো দিবস ঘটা করে পালন করা হয়। যেমন ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। এ দিনটি উপলক্ষে নগরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়া হয়। যেমন- আনন্দ র‍্যালি বের করা, বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ইত্যাদি করা হয়। এসব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবসময়ই নগরবাসীকে অনুপ্রেরণা যোগায়। এ কারণে নগর সমাজের মানুষ জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠানে আগ্রহ সহকারে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া এ জাতীয় অনুষ্ঠান নগর সমাজের শিশুরা খুব কাছে থেকে উপভোগ করে বলে তাদের মধ্যে গভীর দেশপ্রেম দানা বাঁধতে থাকে। ফলে দেশের প্রতি তাদের মনে গভীর ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, এসব দিবস উদযাপন নগর সমাজের সব শ্রেণি ও পর্যায়ের মানুষের মধ্যে এক ধরনের জাতীয়তাবাদী চেতনা তৈরি করে।

উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, বাঙালির বিভিন্ন দিবস উদযাপন নগর সংস্কৃতি বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
335
উত্তরঃ

সাঁওতালরা মূলত এ দেশে আসে কৃষি মজুর হয়ে, জমি পরিষ্কার করে চাষাবাদ করার জন্য, রেললাইন বসাতে এবং চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে। ধারণা করা হয়, বর্তমান সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার রাজ্য ও অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এসে এখানকার পার্বত্য এলাকা ও আশপাশের বন-জঙ্গলে ও পতিত জমিতে বসতি স্থাপন করে। পরে তারা এসব বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে পতিত জমিকে চাষযোগ্য করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
493
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews