২। দশম শ্রেণির ছাত্রীপূর্ণির পড়াশোনার প্রচণ্ড চাপ। প্রতিদিন স্কুলছুটির পর সে হেঁটেবাসায় ফেরে। তারপর অতি দ্রুত তারঘামে ভেজা কাপড় পাল্টিয়েসে আবার বাইরে শিক্ষকেরকাছে পড়তে যায়। এ সময়ে মাতাকে ডাবের পানি, লেবুর শরবত কিংবা ফলেরসুপ-জাতীয় পানীয় খেতে দিলে পূর্ণিতা খেতে চায় না। দুপুর কিংবা রাতের খাবারের পরও সে পানিকম খায়। ফলে বেশ কিছুদিনযাবৎ তার শারীরিক সমস্যাহচ্ছে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান হলো স্নেহ পদার্থ।

উত্তরঃ

খাদ্য দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয় পূরণ, তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান করে। এছাড়া খাদ্য দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। বেঁচে থাকার জন্য আমাদের শরীরে এ সকল কাজগুলো সম্পাদন হওয়া জরুরি যা খাদ্যের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, খাদ্যই বেঁচে থাকার নিয়ামক।

উত্তরঃ

পূর্ণি ডিহাইড্রেশনে ভুগছে। শরীরে পানির পরিমাণ খুব কমে গেলে সেই অবস্থাকে ডিহাইড্রেশন বলে। 

বেঁচে থাকার জন্য পানি অত্যাবশ্যকীয়। প্রতিদিন মল, মূত্র, ফুসফুস ও চামড়ার মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। মানুষের শরীর পানি সঞ্চয় করে রাখতে পারে না। তাই প্রতিদিনই বিশুদ্ধ পানি করতে হয়। পূর্ণির শরীর থেকে দৈনিক প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। কিন্তু এই ঘাটতি পূরণের জন্য যতটুকু পানি প্রয়োজন তা সে গ্রহণ করে না। ফলে তার দেহে পানির পরিমাণ খুব কমে গেছে এবং ডিহাইড্রেশন বা পানি শুষ্কতা দেখা দিয়েছে। তার দেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিয়েছে তা হলো- 

১. মাথা ধরা

২. শারীরিক দুর্বলতা 

৩. ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া বা ফেটে যাওয়া 

৪. মূত্রের রং গাঢ় হওয়া 

৫. কোষ্ঠকাঠিন্য ডিহাইড্রেশন থেকে শরীরে মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। 

তাই এটি প্রতিরোধে পূর্ণির পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি গ্রহণ করা দরকার।

উত্তরঃ

পূর্ণির শারীরিক সমস্যার মূল কারণ পানির অভাব; যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে। 

শারীরিক পরিশ্রম বা ঘাম বেশি হলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। তাই এ সকল ক্ষেত্রে বেরিয়ে যাওয়া পানির চাহিদা পূরণ করতে অতিরিক্ত পানি, ডাবের পানি, ফলের রস, লেবুর শরবত প্রভৃতি পান করতে হবে।

পূর্ণি প্রতিদিন স্কুল থেকে হেঁটে বাসায় ফেরে। তখন তার শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয়। এতে তার শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায়। কিন্তু এজন্য তার যে পরিমাণ পানি পান করা প্রয়োজন তা সে করে না। পূর্ণির মা তাকে বিভিন্ন পানীয় জাতীয় খাবার দিলেও তা সে খেতে চায় না। এছাড়া তিনবেলা খাবার পরও সে তুলনামূলক কম পানি খায়। ফলে তার দেহে পানির অভাবজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমন অবস্থায় নিজের সচেতনতাই পারে তার অবস্থার উন্নতি ঘটাতে। একজন স্বাভাবিক সুস্থ মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ৬-৮ গ্লাস পানি প্রয়োজন। তাই পূর্ণিরও উচিত অভাব পূরণের পাশাপাশি তার দেহের চাহিদা অনুযায়ী পানি পান করা। 

সুতরাং বলা যায়, পূর্ণির শারীরিক সমস্যার সমাধান তার নিজের পক্ষেই করা সম্ভব।

173

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রোটিনকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাঙলে প্রথমে অ্যামাইনো এসিড পরবর্তীতে কার্বন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। 

বড় আকারের এক একটি প্রোটিনকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এসিড অণু পাওয়া যায়। প্রত্যেকটা অণুতে কমপক্ষে ১টি অ্যামাইনো দল (-NH2) ও ১টি কার্বক্সিল দল (-COOH) বিদ্যমান থাকে। এদেরকে অ্যামাইনো এসিড বলে।

493
উত্তরঃ

সানার দেহে প্রোটিনের অভাবে উল্লিখিত সমস্যাগুলো হচ্ছে। 

সানা তার সমবয়সীদের তুলনায় আকৃতিতে ছোট অর্থাৎ তার দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে এবং ওজন কমে গেছে। সে অল্পতেই রেগে যায় অর্থাৎ তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে। আবার তার চুলের রং ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এগুলো প্রোটিনের অভাবজনিত লক্ষণ।

প্রোটিনের প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে দেহকোষের গঠন ও বৃদ্ধি সাধন করা। আমাদের দাঁত, চুল, নখ থেকে শুরু করে দেহের অস্থি, পেশি সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। দেহের কোষ সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। নতুন কোষ গঠন করে ক্ষয়পূরণের কাজ করে প্রোটিন। এই প্রোটিনের অভাবে মানবদেহে বিভিন্ন রকমের অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দেয়, যা সানার মধ্যেও দেখা দিয়েছে।

531
উত্তরঃ

ঘসানার শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় তার দেহে প্রোটিনের অভাব দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ডাক্তার তাকে প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য সানার প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ প্রোটিন জাতীয় খাবার দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। মানসিক বিকাশের সময় প্রোটিনের অভাব হলে বুদ্ধির বিকাশ ব্যাহত হয়। আর এই উপাদানের ঘাটতি যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাহলে তার দেহে আরো বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন- হাত পা ফুলে গিয়ে মুখে পানি এসে কোয়াশিয়রকর (kwashiorkor) দেখা দিতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন প্রোটিন ও ক্যালরি উভয়েরই অভাব হলে ম্যারাসমাস (marasmus) দেখা দিতে পারে। এ রোগে শিশুরা খুবই শুকিয়ে যায়। অর্থাৎ পরবর্তী জটিলতা এড়ানোর জন্য এবং বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতির মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে ডাক্তারের পরামর্শটি অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে।

487
উত্তরঃ

সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান হলো স্নেহ পদার্থ।

896
উত্তরঃ

খাদ্য দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয় পূরণ, তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান করে। এছাড়া খাদ্য দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। বেঁচে থাকার জন্য আমাদের শরীরে এ সকল কাজগুলো সম্পাদন হওয়া জরুরি যা খাদ্যের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, খাদ্যই বেঁচে থাকার নিয়ামক।

992
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews