চিত্র-২ তে যে বসতি দেখা যাচ্ছে তা হলো গোষ্ঠীবার বা সয়েকশ্য বসতি।
এই ধরনের বসতিতে কোনো এক স্থানে বেশ কয়েকটি পরিবার একত্রিত হয়ে বসবাস করে। এই ধরনের বসতি আততনে মোট গ্রাম হতে পারে যেমন- নারায়ণগঞ্জের আগুয়ান্দী, আবার পৌর বসতিও হতে পারে যেমন- নারায়ণগঞ্জের আড়াইমাজার পৌরসভা।।
এই ধরনের বসতির বৈশিষ্ট্য হলো, এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির দুরত্ব কম ও বাসগৃহের একত্র সমাবেশ। সামাজিক বন্ধন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য বাসগৃহগুলোর মধ্যে পরস্পরের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। যদি স্থানটি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উন্নত হয়, তবে সেখানে আরও বসতি ও রাস্তা গড়ে উঠবে। এভাবে একাধিক রাস্তার সংযোগস্থলে বর্ধিষ্ণু বসতিটি কালক্রমে শহর বা নগরে রূপান্তরিত হয়।
এছাড়া ভূপ্রকৃতি, উর্বর মাটি ও পানির উৎসের উপর নির্ভর করেও সংঘবন্দ বা গোষ্ঠীবন্ধ বসতি গড়ে ওঠে
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!