২। মাসুমা বেগম মধ্যবয়সী ভদ্রমহিলা। তার দেহের ওজনও বেশি। অসুস্থ বাবা-মার দেখাশোনা, দুইবেলা তাদের ইনসুলিন দেওয়া ও খাবারের ব্যবস্থা তাকেই করতে হয়। সংসারের যাবতীয় কাজ করতে গিয়ে তিনি কোনো চলাফেরার কোনো নিয়মশৃঙ্খলা মানেন না। তিনি মিষ্টি, পায়েস, সফট্ ড্রিংকস, জুস খেতে পছন্দ করেন। মাসুমার শরীর খারাপ হলে চিকিৎসক তাকে ভবিষ্যতের জন্য স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে বলেন।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

বিপাকজনিত একটি রোগ হলো ডায়াবেটিস।

উত্তরঃ

স্বাস্থ্যরক্ষায় আঁশ জাতীয় খাবার গুরুত্বপূর্ণ। 

বেশি পরিমাণে আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণে রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। এছাড়া আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে পিত্তথলির রোগ, মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ্ব, এ্যাপেন্ডিকস, হৃদরোগ, স্থূলতা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য রোগের প্রকোপ কমে।

উত্তরঃ

মাসুমা বেগমের বাবা একজন ডায়াবেটিস রোগী। মাসুমা বেগমের বাবার উপযোগী একটি খাদ্য ব্যবস্থা নিচে উপস্থাপন করা হলোঃ

  • বেশি পরিমাণে বা ইচ্ছামতো খাওয়া যাবে- চিচিংগা, ধুন্দল, পেঁপে, পটল, সিম, লাউ, শশা, খিরা, করলা, উচ্ছে, কাঁকরোল, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি সবজি এবং ফলের মধ্যে জাম, জামরুল, আমলকি, লেবু, জাম্বুরা ইত্যাদি।
  • হিসেব করে বা পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে- ভাত, রুটি, চিড়া, মুড়ি, খৈ, বিস্কুট, আলু, মিষ্টিআলু, মিষ্টি কুমড়া, দুধ, ছানা, পনির, মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, বাদাম, মিষ্টিফল যেমন: কলা, পাকা আম, পাকা পেঁপে ইত্যাদি। সাদা চালের চেয়ে লাল চালের ভাত ও ভুসিসহ আটার রুটি বেশি উপকারী। এগুলো রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দ্রুত বাড়ায় না।
  • পরিহার করতে হবে- কিছু কিছু খাবার খাওয়ার পর খুব দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। সেগুলো পরিহার করতে হবে। যেমন: চিনি, গুড়, মিসরি, রস, শরবত, সফট ড্রিংকস, জুস, সব রকমের মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর, পেস্ট্রি কেক ইত্যাদি। 

অর্থাৎ যে সকল খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি করে না বা সামান্য বৃদ্ধি করে সে সকল খাবারই একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্য উপযোগী।

উত্তরঃ

নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন হচ্ছে সুস্বাস্থ্য রক্ষার মূল চাবিকাঠি। মাসুমা বেগম তার সংসারের কাজের চাপে নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করতে পারেন না। অসুস্থ বাবা মার দেখাশোনা করতে গিয়ে এবং সংসারের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে গিয়ে তিনি তার নিজের খাওয়া, গোসল, ঘুম, বিশ্রাম ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম মানতে পারেন না। এছাড়া খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রেও তার যে সকল খাবার পছন্দ তা তার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না। যেমন তিনি মিষ্টি, পায়েস, ড্রিংকস, জুস ইত্যাদি পছন্দ করেন এবং ইচ্ছামতো খান। ফলে তার ওজন বেড়ে গেছে এবং একই সাথে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ইত্যাদির ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তার অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজন নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন।

নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনের ফলে দেহের কার্যক্ষমতা বাড়ে, বিভিন্ন ধরনের বিপাকজনিত রোগের ঝুঁকি কমে যায় এবং দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, মাসুমা বেগমের সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত নিয়মতান্ত্রিক জীবনপ্রণালি।

155

Related Question

View All
উত্তরঃ

সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করা প্রয়োজন। 

নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। জীবনের দীর্ঘতা বা আয়ু বেড়ে যায়। ফলে বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই সুস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ।

938
উত্তরঃ

মিসেস শীলা অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করেন এবং তার খাদ্যাভ্যাসও ত্রুটিপূর্ণ। ফলে তার ওজন বেড়ে যাচ্ছে এবং তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এমতাবস্থায় তার খাদ্যাভ্যাস যেরূপ হওয়া দরকার তা হলো- 

১. চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যের ছয়টি উপাদান সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

২. যথাযথ সময় পরিকল্পনা করতে হবে। খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে হবে। খাওয়ার কমপক্ষে দু ঘণ্টা পর ঘুমাতে যেতে হবে। 

৩. পরিমিত পরিমাণে খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করতে হবে। 

৪. ক্ষতিকর খাদ্যাভ্যাস যেমন অতিরিক্ত ক্যালরি এবং ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার পরিহার করতে হবে। 

৫. দৈনিক কিছু শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। 

৬. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য খাদ্য গ্রহণে সচেতন থাকতে হবে। 

৭. খাদ্য সম্পর্কিত কুসংস্কার পরিহার করতে হবে। 

উপরিউক্ত নিয়মে খাদ্য গ্রহণ করলে মিসেস শীলা খুব সহজেই তার স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন।

605
উত্তরঃ

মিসেস শীলার জীবনপ্রণালি সংশোধন না করলে তার শারীরিক জটিলতা থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত। 

মিসেস শীলার বয়স ৪৫ বছর। এই বয়সে সাধারণত মানুষের প্রোটিন ও ফ্যাটের চাহিদা হ্রাস পায় এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তাই এ সময় প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য তার খাদ্য তালিকা থেকে কমাতে হবে এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মিসেস শীলা পরোটা, মাংস, মিষ্টি, ডিম ইত্যাদি বেশি, পরিমাণে গ্রহণ করেন। এসকল খাদ্য গ্রহণের ফলে তার দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট সঞ্চিত হয়ে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া তার সময় ব্যবস্থাপনায়ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। তিনি সকালে অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমান। দুপুরে খাওয়ার পর ২ ঘণ্টা ঘুমান, আবার রাতে খাওয়ার সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়েন। এই ধরনের জীবনযাপনের ফলে তার গৃহীত খাদ্য পরিপাকে সমস্যা দেখা দেয় এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং মিসেস শীলার শারীরিক জটিলতা থেকে উত্তরণের জন্য তার জীবন প্রণালির সংশোধন আবশ্যক।

557
উত্তরঃ

স্বাস্থ্যরক্ষায় আঁশ জাতীয় খাবার গুরুত্বপূর্ণ। 

বেশি পরিমাণে আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণে রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। এছাড়া আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে পিত্তথলির রোগ, মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ্ব, এ্যাপেন্ডিকস, হৃদরোগ, স্থূলতা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য রোগের প্রকোপ কমে।

667
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews