১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলার শিল্পীরা গড়ে তোলেন 'বিক্ষুব্ধ শিল্পী সমাজ'। সেই শিল্পী সমাজের মধ্য থেকে নৃত্য শিল্পীরাও মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন নৃত্য শিল্পী মিনু বিল্লাহ। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারত চলে যান ও ২ নম্বর সেক্টরের অধীন বিশ্রাম গঞ্জ হাসপাতালে নার্স হিসেবে মুক্তিযুদ্ধাদের সেবা শুশ্রূষার কাজ করেছেন। এভাবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের নৃত্য শিল্পী 'বিক্ষুব্ধ শিল্পী সমাজ' মুক্তিযুদ্ধপূর্ব, মুক্তিযুদ্ধকালীন ও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে অবদান রেখেছেন।
Related Question
View Allসরকারী চারুকলা ইনস্টিটিউট' এর বর্তমান নাম চারুকলা অনুষদ
শহিদ মিনারের নকশা প্রণয়নকারী দুজন শিল্পীর মধ্যে নারী শিল্পীর নাম ভাস্কর নভেরা আহমেদ
ছায়ানট সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
অঙ্গগত অভিনয়ের সময় মস্তকের সঞ্চালনের মাধ্যমে অভিব্যক্তি প্রকাশ করাকে মস্তকচলন বলে।
'দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা' গানটির গীতিকার ও সুরকারের নাম আব্দুল লতিফ।
ছবিতে বিভিন্ন উপাদানের সুশৃংখল উপস্থাপনকে ছবির ভাষায় ঐক্য বলে ।
প্রবাসী সরকারের আর্ট ও ডিজাইন বিভাগের প্রধান ছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।
'গ' স্বরের কোমল রূপ হলো জ্ঞ।
লিথোগ্রাফ হলো এক ধরনের ছাপচিত্র
১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ অবস্থায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্মটির নাম মুক্তিযোদ্ধা
শরণার্থী তেলচিত্রটি শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদের আঁকা
'দুর্গমগিরি, কান্তার মরু, দুস্তর পারাবার হে!' গানটির গীতিকার ও সুরকারের নাম কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
বাংলাদেশের আধুনিক ছাপচিত্রের জনক বলা হয় কবি শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদ কে।
শিল্পী বুলবুল চৌধুরীর শিল্পচর্চার শাখা নৃত্যকলা
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাসে দুর্গত মানুষের সাহায্যের জন্য যে সংগীতায়জন করা হয় তার নাম ছিল কাঁদো বাঙালি কাঁদো ।
আজগজগপগকগ।
তোমার অভিজ্ঞতার আলোকে গ্রামীণ নগর ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঘর-বাড়ি ও পোশাকের ধরনের তুলনামূলক আলোচনা করো
উত্তরঃ
মন্ত্রকচলনঃ অঙ্গগত অভিনয়ের সময় মন্ত্রকের সঞ্চালনের মধ্য দিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করাকে মস্তকচলন বলে। কোনো গান বা অভিনয়ের অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অঙ্গভঙ্গি করা হয়ে থাকে। সেগুলোর মধ্যে মস্তকচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আকম্পিতঃ ধীর গতিতে মাথা উপর নিচ করাকে আকম্পিত মম্ভকচলন বলে। সম্বোধন করা, কাছে ডাকা, উপদেশ দেওয়া, জিজ্ঞেস করা, নির্দেশ দেওয়া, হ্যাঁসূচক ইঙ্গিত ইত্যাদি অর্থ প্রকাশে আকম্পিত মন্ত্রকচলন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
কম্পিতঃ দ্রুতগতিতে ও বহুবার মাথা উপর-নিচ করাকে কম্পিত মন্ত্রকচলন বলে। রাগ-ক্রোধ, বিশেষভাবে বোঝা, তর্ক বিতর্ক ইত্যাদি বোঝাতে কম্পিত মস্তকচলন করা হয়ে থাকে।
ধুতঃ ধীরে ধীরে মস্তক ডানে-বামে সঞ্চালন করাকে ধৃত মস্তকচলন বলা হয়। পাশে তাকাতে, বিস্ময়-বিষাদ-স্থির বিশ্বাস প্রকাশে ধৃত ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
বিধুতঃ ধুতের মতো মস্তক দ্রুত সঞ্চালনকে বিধুত বলা হয়ে থাকে। শীত অনুভূত হওয়া, ভয় পাওয়া, রোগে ভোগা ইত্যাদি বোঝাতে বিধুত মস্তকচলন করা হয়ে থাকে।
All the best
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!