৩১ বছর বয়সী গর্ভবতী নাজ হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যান। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার সাহেব বলেন, গর্ভাবস্থায় যে সকল কারণে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয় তার মধ্যে জন্মের পূর্বকালীন কারণ অন্যতম। ফলে শিশু প্রতিবন্ধীও হতে পারে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাবারের অভাবে শিশুদের মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা দেখা দেয়।

উত্তরঃ

সেরেব্রাল পলসি এক ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা। সেরেব্রাল পলসিতে জন্মের সময় শিশুকে অনেক সময় শিথিল বা নেতানো মনে হয়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তারা অন্য শিশুদের মতো হাত-পা নাড়াচাড়া করতে পারে না। মাথা তোলা, বসা ইত্যাদি তাদের খুব ধীর গতিতে তাদের হয়। দুধ চুষতে ও গিলতে অসুবিধা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত নাজ গর্ভবতী। প্রথমত তার বয়স ৩০ বছরের উর্ধ্বে। দ্বিতীয়ত তিনি পা পিছলে পড়ে যাওয়ায় যে আঘাত পান তা গর্ভকালীন সময়ে গর্ভস্থ শিশুর মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারে। 

উদ্দীপকে শিশুটি প্রতিবন্ধী হবার সম্ভাব্য কারণ হল জন্মপূর্ব জটিলতা। শিশু যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা ও গর্ভের পরিবেশ শিশুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। গর্ভকালীন সময়ে নানা কারণে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয়। নাজের শিশুটির প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণ হতে পারে তার বেশি বয়স ও গর্ভকালীন আঘাত। বেশি বয়সে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যাবলি হ্রাস পায়। ভাই ৩৫ বছরের পরে প্রথম সন্তান জন্মদান ঝুকিপূর্ণ। নাজের বয়স ৩১ বছর। যা ৩৫ এর কাছাকাছি। এর ফলে শিশু প্রতিবন্ধী হতে পারে ও গর্ভাবস্থায় মা যদি কোন রোগ বা আঘাতের সম্মুখীন হয় তখন শিশুর অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যার ফলে শিশু শারীরিক বিকলাঙ্গ ও মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। 

সুতরাং বলা যায়, নাজের শিশুটি প্রতিবন্ধী হবার সম্ভাব্য কারণ হল জন্মপূর্ব জটিলতা। যার মধ্যে রয়েছে মায়ের বয়স ও গর্ভকালীন আঘাত।

উত্তরঃ

জন্মপূর্ববর্তী কারণ ছাড়াও শিশু জন্মের সময় এবং জন্ম পরবর্তী কারণেও প্রতিবন্ধী হতে পারে।

শিশু জন্মের সময়ের কারণসমূহ-

i. শিশুর জন্ম সময়কাল দীর্ঘ হলে, শিশুর গলায় নাড়ি পেঁচানোর কারণে বা শিশু জন্মের পর পরই শ্বাস নিতে অক্ষম হলে অক্সিজেনের স্বল্পতার জন্য মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে শিশু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়। 

ii. জন্মের সময় মস্তিষ্কে কোনো আঘাত, যেমন- পড়ে যাওয়া বা মাথায় চাপ লাগা ইত্যাদি প্রতিবন্ধিতার কারণ হতে পারে।

শিশু জন্মের পরবর্তী কারণসমূহ-

i. নবজাতক যদি জন্ডিসে আক্রান্ত হয় এবং রক্তে যদি বিলিরুবিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় তবে মস্তিষ্কে কোষের ক্ষতি হয় এবং শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী হয়। 

ii. শৈশবে শিশু যদি হঠাৎ করে পরে যায়, মস্তিষ্কে আঘাত পায় বা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয় তবে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

iii. পরিবেশের বিষাক্ত পদার্থ, যেমন- পোকামাকড় ধ্বংস করার রাসায়নিক পদার্থ, ফ্লোরাইড, আর্সেনিক মিশ্রিত পানি ইত্যাদি শিশুর শরীরে প্রবেশ করলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এবং শিশু প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

iv. শিশুর শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্রকার পুষ্টিকর উপাদানের প্রয়োজন হয়। পুষ্টিকর উপাদানের অভাবে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হয় এবং শিশু মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হতে পারে।

175
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।

1.2k
উত্তরঃ

কণার শিশুকে প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে শনাক্ত করা যায়। 

কণার শিশুটি কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে না। হাঁটা-চলাতেও তার সমস্যা রয়েছে। এটা মূলত তার রক্তে বিলিরুবিন (Bilirubin) বেড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছে।

রক্তে যদি বিলিরুবিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় তবে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয় এবং শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী হয়। গর্ভকালীন সময়ে কণা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া- দাওয়াও করেনি। অর্থাৎ নিজের প্রতি খেয়াল রাখেনি। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যতটুকু পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন তার ঘাটতি হয়েছে। এ কারণেই কণার শিশুটির হাঁটা-চলার অর্থাৎ অঙ্গ সঞ্চালনমূলক বিকাশ ব্যাহত হয়েছে।

537
উত্তরঃ

কণার অসচেতনতা তার শিশুর প্রতিবন্ধিতার কারণ বলে আমি মনে করি।

কণার শিশুটি প্রতিবন্ধী। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করত না। সে নিজের প্রতি খেয়াল রাখত না।

গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কারণ গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টির ফলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া গর্ভধারণের আগে বিভিন্ন প্রতিষেধক নেওয়াটাও জরুরি। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছে। গর্ভস্থ শিশুর জন্য এ রোগের প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে শিশুর শারীরিক বিকলাঙ্গতার পাশাপাশি মানসিক প্রতিবন্ধিতাও হতে পারে। বর্তমানে কণার সন্তান কোনো কিছুর প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে পারে না। এমনকি সে ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না। এগুলো সবই কণার অসচেতনতার ফল।

493
272
উত্তরঃ

শিশুর শারীরিক গঠন যদি স্বাভাবিক না হয়, হাত অথবা পা না থাকে, কথা বলতে না পারে, চোখে না দেখে অথবা কম দেখে, বুদ্ধিমত্তা কম থাকে, সামাজিক আচরণ ও ভাব বিনিময় ঠিকমতো করতে না পারে, তবে এই ধরনের শিশুদের প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়।

420
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews