দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থল হলো অস্থিসন্ধি।
মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শুষ্ক হয়ে অস্থি গাত্রের সাথে যুক্ত থাকে। এ শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। ঘন, শ্বেত তত্ত্বময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত হয়। এসব টিস্যু শাখা-প্রশাখাবিহীন, তরঙ্গায়িত এবং উজ্জ্বল শ্বেততন্তু দ্বারা গঠিত।
নিলুফার বেগমের আর্থাইটিস হয়েছে। কারণ আর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো নিলুফার বেগমের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করালে আর্থাইটিস রোগ হয়ে থাকে। এ রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলো হলো-
- অস্থিসন্ধি বা গিঁটে প্রদাহ বা ব্যথা হওয়া
- অস্থিসন্ধিগুলো শক্ত হয়ে যাওয়া
- অস্থিসন্ধি নাড়াতে কষ্ট হওয়া
- গিঁট ফুলে যাওয়া।
উপরোক্ত লক্ষণগুলো দেখে বোঝা যায় যে, নিলুফার বেগমের আর্থ্রাইটিস হয়েছে।
নিলুফার বেগমের উক্ত আর্থ্রাইটিস রোগ নিরসনে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে-
- অত্যধিক পরিশ্রম আর ভারী কাজ থেকে বিরত থাকা।
- সম্ভব হলে দিনের বেলায় একটু করে ঘুমিয়ে নেওয়া।
- যন্ত্রণাদায়ক গিঁটের উপর গরম স্যাঁক নেওয়া।
- অস্থিসন্ধির নড়াচড়া ঠিক রাখতে হালকা ব্যায়াম করা।
- ডাল জাতীয়, বীজজাতীয় খাদ্য পরিহার করা।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বেদনা উপশমকারী ঔষধ সেবন ও সঠিক চিকিৎসা দ্বারা এ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে বসবাস করা।
Related Question
View Allযোজক কলার রূপান্তরিত রূপই হলো অস্থি।
গেঁটেবাত এক ধরনের বাত রোগ। অনেকদিন যাবৎ বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করা হলে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রেও গেঁটেবাত হতে পারে।
বিনিতার আঘাতপ্রাপ্ত অংশটি হলো লিগামেন্ট। এর সাহায্যে অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এ অংশটিকে দরজার কব্জার সাথে তুলনা করার কারণ কজা যেমন পাল্লাকে দরজার কাঠামোর সাথে আটকে রাখে অনুরূপভাবে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট অস্থিসমূহকে পরস্পরের সাথে আটকে রাখে। এতে অঙ্গটি সবদিকে সোজা বা বাঁকা হয়ে নড়াচড়া করতে পারে এবং হাড়গুলো স্থানচ্যুত ও বিচ্যুত হয় না।
উদ্দীপকের উল্লিখিত বিনিতার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে টেনডনের সমন্বয় অপরিহার্য। কারণ মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। ঘন, শ্বেত তত্ত্বময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত। এ ধরনের টিস্যুর আন্তঃকোষীয় পদার্থে বা ম্যাট্রিক্সে শ্বেততত্ত্ব ছড়ানো থাকে। পেশি ও টেনডনের সংযোগকে আরও শক্তিশালী করার জন্য টেনডনের আঁটিগুচ্ছ বেষ্টনকারী অ্যারিওলার টিস্যু, পেশি বান্ডল বা আঁটির আবরক টিস্যুর সাথে অবিচ্ছন্ন যোগাযোগ তৈরি করে। পেশি বা অস্থির তুলনায় টেনডনের ভেঙ্গে বা ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। পেশি বন্ধনী পেশি প্রান্তে রজ্জুর ন্যায় শক্ত হয়ে অস্থির সাথে সংযুক্ত থাকে, পেশি অস্থির সাথে আবদ্ধ হয়ে দেহ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তা দানে সাহায্যে করে, অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে এবং চাপ-টানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাই বলা যায় বিনিতার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে টেনডনের সমন্বয় অপরিহার্য।
মাংসপেশির যে প্রান্তভাগে রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত হয় যে শক্ত প্রান্তই টেনডন।
অস্টিওপোরোসিস হলো অস্থি সম্পর্কিত একটি রোগ। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের এ রোগটি হয়। বহুদিন যাবৎ স্টেরয়েডযুক্ত ঔষধ সেবন, মহিলাদের মেনোপজ হওয়ার পর, অলস জীবন-যাপন ও অনেক দিন যাবৎ আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
