৭ই মার্চের ভাষণ শুনে গর্জে ওঠে কলেজপড়ুয়া আবু সাঈদ। ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। তাঁর নেতৃত্বে একের পর এক গেরিলা আক্রমণে অতিষ্ঠ পাকসেনারা। অপারেশন জ্যাকপটের সফল অভিযানের পর পাকসেনারা আবু সাঈদের গ্রামে আক্রমণ করে। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। আর যাকে যেখানে পেয়েছে সেখানেই নির্মমভাবে হত্যা করে। একসময় আবু সাঈদ জানতে পারে স্বজন হারানোর খবর। কিন্তু সে আপসহীন। তার একটাই প্রতিজ্ঞা, এ দেশের মাটি থেকে ওদের তাড়াতেই হবে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

হরিকাকু তার জালে প্রচুর মাছ পেলে বুধাকে "মানিকরতন" ডাকতো।  হরিকাকুর স্ত্রীকে বুধা কাকিমা সম্বোধন করতো এবং তিনিও বুধাকে মানিকরতন ডাকতো।

rayhan sir
rayhan sir
2 years ago
উত্তরঃ

‘এবার মৃত্যুর উৎপাত শুরু করেছে ভিন্ন রকমের মানুষ’ - এ কথা বলার কারণ হলো, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জনগোষ্ঠীর ওপর যে নির্মম গণহত্যা, অত্যাচার ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, তা ছিল মানবসৃষ্ট এক অভূতপূর্ব দুর্যোগ, যা প্রাকৃতিক মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ ছিল।

সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক মৃত্যুতে অভ্যস্ত হলেও, যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীরা নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। উদ্দীপকেও দেখা যায়, পাকসেনারা আবু সাঈদের গ্রামে আক্রমণ করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং যাকে যেখানে পেয়েছে সেখানেই নির্মমভাবে হত্যা করে। এটি প্রমাণ করে যে, তৎকালীন সময়ে বাঙালিরা মানবসৃষ্ট এক ভয়ংকর ও ভিন্ন ধরনের মৃত্যুর শিকার হয়েছিল, যা স্বাভাবিক মৃত্যুর ধারণার বাইরে ছিল।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের যে বিশেষ দিকটির ইঙ্গিত উদ্দীপকে করা হয়েছে, তা হলো মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা, হানাদার বাহিনীর নির্মমতা এবং এর ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ও প্রতিরোধ গড়ার অদম্য মানসিকতা। এই উপন্যাসে দেখানো হয়েছে, কীভাবে যুদ্ধের কারণে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও সাধারণ মানুষ দেশকে শত্রুমুক্ত করার প্রতিজ্ঞায় অবিচল থাকে।

উদ্দীপকে কলেজপড়ুয়া আবু সাঈদ ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকসেনারা তার গ্রামে আক্রমণ করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্মমভাবে স্বজনদের হত্যা করে। স্বজন হারানোর এই তীব্র বেদনা সত্ত্বেও আবু সাঈদ আপসহীন থাকে এবং দেশ থেকে শত্রুদের বিতাড়িত করার প্রতিজ্ঞা করে। এটি ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় ভাবনারই প্রতিচ্ছবি, যেখানে বুধার মতো সাধারণ এক কিশোর পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার শিকার হয়ে ব্যক্তিগত ক্ষতির প্রতিশোধ নিতে এবং দেশকে মুক্ত করতে মরণপণ যুদ্ধে নামে।

ঠিক একইভাবে, ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের বুধা তার মা-বাবা ও বোনকে হারানোর পর পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং প্রতিশোধ ও দেশপ্রেমের টানে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশ নেয়। উদ্দীপকের আবু সাঈদের মধ্যেও এই ধরনেরই আপসহীন দেশপ্রেম, ব্যক্তিগত ক্ষতির পরও দেশের জন্য লড়ার দৃঢ়তা এবং শত্রুমুক্ত করার প্রতিজ্ঞা দেখা যায়। উভয় চরিত্রই মুক্তিযুদ্ধের সেই বাস্তবতাকে তুলে ধরে, যেখানে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা ও নিপীড়নই সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছিল, যা উপন্যাসটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আবু সাঈদের আপসহীন মনোভাব এবং দেশপ্রেম ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের মূল সুরকে ধারণ করে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি সামরিক অভিযান ছিল না, এটি ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার জন্য আপামর বাঙালির ইস্পাত কঠিন প্রতিজ্ঞা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ। এই প্রতিজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও আপসহীনতা উভয় কাহিনির কেন্দ্রীয় বিষয়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে কলেজপড়ুয়া আবু সাঈদ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত একের পর এক গেরিলা আক্রমণে পাক সেনারা অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। অপারেশন জ্যাকপটের সফল অভিযানের পর পাক সেনারা আবু সাঈদের গ্রামে আক্রমণ করে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্মমভাবে মানুষ হত্যা করে। একসময় আবু সাঈদ স্বজন হারানোর খবর জানতে পারলেও সে আপসহীন থাকে। তার একটাই প্রতিজ্ঞা, ‘এ দেশের মাটি থেকে ওদের তাড়াতেই হবে’। এই মনোভাব তার অদম্য দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্ত আত্মত্যাগের প্রস্তুতিকে নির্দেশ করে।

শাহরিয়ার কবির রচিত ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বুধাও একই ধরনের দেশপ্রেম ও দৃঢ়তার প্রতীক। বুধা তার পরিবার ও গ্রামকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধ্বংস হতে দেখে শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। সে ভয়কে জয় করে, নিজের জীবন তুচ্ছ করে শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মায়ের কবর থেকে লাশ চুরি করে পুঁতে ফেলা, মাইন পুঁতে শত্রুদের নিশ্চিহ্ন করার মতো সাহসী কাজগুলো বুধার আপসহীন মনোভাবেরই প্রকাশ। সে কোনো প্রকার আপস না করে বরং নিজের মেধা ও শক্তি দিয়ে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকের আবু সাঈদের ‘আপসহীন’ মানসিকতা এবং বুধার ‘কাকতাড়ুয়া’ রূপে শত্রুদের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম একই আদর্শে অনুপ্রাণিত।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের আবু সাঈদ এবং ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের বুধা—উভয়ই স্বাধীনতা যুদ্ধের অকুতোভয় সৈনিকদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দেশপ্রেম, সংকল্প ও আপসহীন মনোভাবই প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চালিকাশক্তি ছিল এবং ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের মূল বক্তব্য হিসেবে অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রমাণিত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
374

Related Question

View All
উত্তরঃ

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে চরিত্রের মনে গভীর ক্ষোভ, কষ্ট ও প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে, যার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তার চোখ লাল হয়ে যায়। আধা-পোড়া বাজারটি বাঙালির সম্পদ, সংস্কৃতি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার প্রতীক, যা পাকবাহিনীর হাতে ধ্বংস হয়েছে।

দেশপ্রেমিক বাঙালি হিসেবে, নিজের সম্পদ ও জাতির উপর এমন নির্মম অত্যাচার দেখে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। এই ধ্বংসযজ্ঞ কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে আছে বাঙালির ওপর চাপানো পরাধীনতা ও শোষণের যন্ত্রণা, যা তাকে প্রতিশোধ নিতে ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করে তোলে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
933
উত্তরঃ

‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বুধা হলো উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় চরিত্রই সরলতার আড়ালে প্রখর দেশপ্রেম ও বুদ্ধিমত্তা নিয়ে শত্রুদের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে সংগ্রাম করেছে।

‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে বুধা একজন কিশোর হলেও তার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ সাহস ও বুদ্ধিমত্তা। সে পাকবাহিনীর সামনে নিজেকে একজন নির্বোধ ও দরিদ্র বালক হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের আস্থা অর্জন করে। এরপর তাদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে দেয় এবং তাদের সহযোগিতায় ব্রিজ ও মাইন ধ্বংসের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেয়। বুধার এই কৌশল ছিল পাকবাহিনীকে বিভ্রান্ত করে তাদের উপর আঘাত হানার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারও বুধার মতোই একই কৌশল অবলম্বন করেছেন। তিনি পাকসেনাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে তাদের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং তাদের গ্রামে এনে ভাঙা পুলের কাছে নিয়ে যান। এরপর পরিকল্পিতভাবে জলে পড়ে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আক্রমণের সুযোগ তৈরি করে দেন। কলিমদ্দি দফাদারের এই কাজ বুধার মতোই সরলতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা দেশপ্রেম, সাহস ও বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক, যা হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.1k
উত্তরঃ

‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম, যা যুদ্ধের ভয়াবহতা, কিশোর বুধার বীরত্ব এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য আখ্যান। উদ্দীপকটিতে কলিমদ্দি দফাদারের বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার মাধ্যমে পাকসেনা নিধনের একটি কৌশল চিত্রিত হয়েছে, যা উপন্যাসের প্রতিরোধের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে বর্ণিত কলিমদ্দি দফাদারের চরিত্রটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের মূল চরিত্র বুধার বিপ্লবী চেতনার প্রতিধ্বনি। বুধা যেমন পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে নানা কৌশলে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তেমনি কলিমদ্দি দফাদারও পাকসেনাদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় তাদের ঘায়েল করার পরিকল্পনা করে। পুলের গোড়ায় নাটকীয়ভাবে জলে পড়ে গিয়ে পাকসেনাদের মুক্তিযোদ্ধাদের গুলির মুখে আনার এই কৌশল বুধার বিভিন্ন সাহসী কর্মকাণ্ডের মতোই বুদ্ধিমত্তা ও আত্মত্যাগের ইঙ্গিত বহন করে। এভাবে উদ্দীপকটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের হানাদার বাহিনীর প্রতি ঘৃণা, প্রতিরোধ ও দেশপ্রেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে ধারণ করে।

তবে, উদ্দীপকটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে না। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রতিরোধ অভিযান নয়, বরং এটি বুধা নামের এক কিশোরের বেড়ে ওঠা, তার মা-বাবা ও ভাই-বোন হারানোর বেদনা, প্রকৃতির সাথে তার আত্মিক সম্পর্ক, এবং গ্রামের সহজ-সরল মানুষের ওপর যুদ্ধের প্রভাবের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরে। উপন্যাসে বুধার মনের ভেতরের দ্বন্দ্ব, তার প্রতিবাদী সত্তার বিকাশ, এবং সর্বোপরি তার 'কাকতাড়ুয়া' রূপে নিজেকে সঁপে দেওয়ার যে গভীর প্রতীকী অর্থ রয়েছে, তা উদ্দীপকের সীমিত পরিসরে অনুপস্থিত। উদ্দীপকটি কেবল একটি বীরত্বপূর্ণ ঘটনার বর্ণনা দিলেও উপন্যাসের সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক ও আবেগিক দিকগুলো এখানে প্রকাশ পায়নি।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের একটি নির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ দিক, যেমন - মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রতিরোধ, সাহস ও কৌশল অবলম্বনকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। কিন্তু উপন্যাসের বিস্তৃত প্রেক্ষাপট, কিশোর বুধার মানসিক বিকাশ, প্রকৃতির সাথে তার সম্পর্ক, এবং যুদ্ধের সামগ্রিক প্রভাব ও প্রতীকী গভীরতার মতো অন্যান্য ব্যাপক ভাবকে এটি ধারণ করতে পারেনি। তাই উদ্দীপকটিকে উপন্যাসের সমগ্র ভাবের একটি ক্ষুদ্র অংশ বলা চলে, সমগ্র ভাব নয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
891
উত্তরঃ

হরিকাকু তার জালে প্রচুর মাছ পেলে বুধাকে "মানিকরতন" ডাকতো।  হরিকাকুর স্ত্রীকে বুধা কাকিমা সম্বোধন করতো এবং তিনিও বুধাকে মানিকরতন ডাকতো।

rayhan sir
rayhan sir
2 years ago
5.5k
উত্তরঃ

‘এবার মৃত্যুর উৎপাত শুরু করেছে ভিন্ন রকমের মানুষ’ - এ কথা বলার কারণ হলো, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জনগোষ্ঠীর ওপর যে নির্মম গণহত্যা, অত্যাচার ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, তা ছিল মানবসৃষ্ট এক অভূতপূর্ব দুর্যোগ, যা প্রাকৃতিক মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ ছিল।

সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক মৃত্যুতে অভ্যস্ত হলেও, যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীরা নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। উদ্দীপকেও দেখা যায়, পাকসেনারা আবু সাঈদের গ্রামে আক্রমণ করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং যাকে যেখানে পেয়েছে সেখানেই নির্মমভাবে হত্যা করে। এটি প্রমাণ করে যে, তৎকালীন সময়ে বাঙালিরা মানবসৃষ্ট এক ভয়ংকর ও ভিন্ন ধরনের মৃত্যুর শিকার হয়েছিল, যা স্বাভাবিক মৃত্যুর ধারণার বাইরে ছিল।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
2.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews