সংবাদ প্রতিবেদন
চারুলতা বিদ্যানিকেতনে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন
নিজস্ব প্রতিবেদক, চারুলতা বিদ্যানিকেতন:
চারুলতা বিদ্যানিকেতনে গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে শিক্ষার্থীরা খালি পায়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগ্রত করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সার্বিকভাবে দিবসটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি করেছে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন—
নাহিদ, শিক্ষার্থী
চারুলতা বিদ্যানিকেতন
সংবাদ প্রতিবেদন
বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তি: দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর
নিজস্ব সংবাদদাতা, (এলাকার নাম):
এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। খানাখন্দে ভরা এই সড়কে চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে বড় বড় গর্তগুলো দেখা যায় না, ফলে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলেও দেখা দিচ্ছে গুরুতর সমস্যা।
দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। দ্রুত সড়কটি মেরামতের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সবাই।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন—
জামিল
স্থানীয় সংবাদদাতা
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!