প্রকাশ অনুসারে আবেগ শব্দকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:
- সিদ্ধান্তবাচক আবেগ শব্দ: এই জাতীয় আবেগ শব্দের সাহায্যে অনুমোদন প্রকাশ পায়। যেমন: বেশ, তাই হবে।
- প্রশংসাবাচক আবেগ শব্দ: এ ধরনের আবেগ শব্দ প্রশংসা প্রকাশ করে। যেমন: বাঃ! বড় ভালো কথা বলেছ।
- বিরক্তিবাচক আবেগ শব্দ:এ ধরনের আবেগ শব্দ ঘৃণা প্রকাশ করে। যেমনঃ ছিঃ ছিঃ, তুমি এত নীচ!
- যন্ত্রণাবাচক আবেগ শব্দ: এ ধরনের আবেগ শব্দ আতঙ্ক প্রকাশ করে। যেমন: আঃ, কী আপদ।
- সম্বোধনবাচক আবেগ শব্দ: এ ধরনের আবেগ শব্দ আহবান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন: হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন। বিস্ময়বাচক আবেগ শব্দ:এ ধরনের আবেগ আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে। যেমন: আরে, তুমি আবার এলে!
আমার ময়না কথা কয় না। = বিশেষ্য
বাড়ির সকলে তো রাগিয়া আগুন। = বিশেষণ
একদিন শোনা গেল সে মর-মর। = ক্রিয়া
আরে! তুমি এখন এলে? = আবেগ
সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল। = বিশেষণ
শকুনরা উড়ে এসে বসছে পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়। = অসমাপিকা ক্রিয়া
মাসি বলে, এত রাতে? = বিশেষণ
আহা! বৃষ্টির ঝমঝম বোল। = আবেগ
পদ প্রধানত দুই প্রকার – নামপদ ও ক্রিয়াপদ।
নামপদ আবার চার প্রকার । যেমন – বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও অব্যয়। তাহলে পদ হল মোট পাঁচ প্রকার।
Related Question
View Allযে পদ দ্বারা মনের আক্স্মিক ভাব অথাৎ (আনন্দ, দুঃখ,আবেগ,ঘৃণা,বেদনা ইত্যাদি ববোঝায় তাকে আবেগ শব্দ
বলে।
বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য
আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। = ক্রিয়াবিশেষণ
মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা ৷ = সর্বনাম
বুঝিয়াছিলাম মেয়েটির রূপ বড় আশ্চর্য। = ক্রিয়া
শাবাশ! দারুণ কাজ করেছ। = আবেগ
সানজিদা দ্রুত দৌড়াতে পারে। = ক্রিয়াবিশেষণ
বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য
আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। = ক্রিয়াবিশেষণ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!