তাপগতিবিজ্ঞানের দ্বিতীয় সূত্র (The Second law of thermodynamics):
ক্লসিয়াস দ্বিতীয় সূত্রের যে সংজ্ঞা প্রদান করেন তা নিম্নরূপ:
“বাইরের কোনো কারকের (Agency) সাহায্য ব্যতিরেকে একটি স্বয়ংক্রিয় (self-acting) যন্ত্রের পক্ষে নিম্ন উষ্ণতার বস্তু হতে উচ্চ উষ্ণতার বস্তুতে তাপ স্থানান্তর করা সম্ভব নয়।”
অথবা
”বাইরের কোনো কারক (Agent) কর্তৃক সম্পাদিত কাজ ব্যতিরেকে শীতল বস্তু হতে উষ্ণ বস্তুতে তাপ নিজ হতে প্রবাহিত হতে পারে না।"
লর্ড কেলভিন তাপগতিবিজ্ঞানের দ্বিতীয় সূত্রকে নিম্নলিখিতভাবে বিবৃত করেন:
“পারিপার্শ্বিক শীতলতম বস্তুর উষ্ণতার চেয়েও অধিকতর শীতল করে কোনো জড় বস্তুর সাহায্যে অবিরত কাজ পাওয়া সম্ভব নয়।”
প্লাঙ্ক দ্বিতীয় সূত্রকে নিম্নলিখিত ভাষায় বিবৃত করেন,
“কোনো তাপ উৎস হতে অবিরত তাপ শোষণ করবে এবং তা সম্পূর্ণরূপে কাজে পরিণত করবে কিন্তু যন্ত্রের কার্যপ্রণালীর কোনরূপ পরিবর্তন ঘটবে না, এরূপ একটি তাপ ইঞ্জিন তৈরি করা অসম্ভব।”
এড্সার এর সংজ্ঞা (Edser's definition): "তাপ আপনা-আপনি অধিক তাপমাত্রা হতে কম তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়।"
Related Question
View Allফ্যারাডের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় আবেশের সূত্র (Farady's Law of Elcetromagnetic Induction):
চৌম্বক ক্ষেত্রকে ইলেকটিসিটি-তে রূপান্তরের উপর ভিত্তি করে মাইকের ফ্যারাডে দুটি সূত্র উদ্ভাবন করেন। যা ফ্যারাডের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় আবেশের সূত্র নামে পরিচিত।
• প্রথম সূত্র (First Law):- যখন কোন পরিবাহীর সাথে সংযুক্ত ফ্লাক্সের বা বলরেখার মানের পরিবর্তন হয় তখন ঐ পরিবাহীতে e.m.f আবেশিত হয়।
বা, যখন কোন পরিবাহী চুম্বক বলরেখাকে কর্তন করে তখন ঐ পরিবাহীতে e.m.f আবেশিত হয়।
• দ্বিতীয় সূত্র (Second Law):- এ আবেশিত e.m.f সরাসরি ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারের সাথে সমানুপাতিক।
ফ্যারাডের উপরোক্ত সূত্র দুটিকে একত্রিত করে এভাবে প্রকাশ করা যায়ঃ
কোন পরিবাহীর সাথে যখন সংযুক্ত চুম্বক বল রেখার মানের পরিবর্তন হয় তখন পরিবাহীটিতে e.m.f উৎপন্ন হয়, এ উৎপন্ন e.m.f-এর মান পরিবাহীর সাথে সংযুক্ত চুম্বক বলরেখার (2) পরিবর্তনের হারের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!