উত্তরঃ

সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে। = সব পাখিই নীড় বাঁধে।

উত্তরঃ

বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। = বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

উত্তরঃ

বাক্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়। = বাক্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়।

উত্তরঃ

ঐক্যতান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা। = 'ঐকতান' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা।

উত্তরঃ

এক পৌষে শীত যায় না। = এক মাঘে শীত যায় না।

উত্তরঃ

ঘড়িকে হাতে দাও। = হাতে ঘড়ি দাও।

উত্তরঃ

মধুমিতা এমন রূপসী যেন অপ্সরী। = মধুমিতা এমন রূপসি যেন অপ্সরী।

উত্তরঃ

বাংলা বানান আয়ত্ব করা বেশ কঠিন। = বাংলা বানান আয়ত্ত করা বেশ কঠিন।

উত্তরঃ

জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তাই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ্য রেখে। শুধু মাটির রস টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে এই ভেবে কোনো মালী গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজ ব্যবস্থাকেও ঠিক করতে হবে। মানুষকে খাইয়ে দাইয়ে মোটা করে তুলবার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ তথা সৌন্দর্য, প্রেম ও আনন্দ সম্বন্ধে চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্যে।


প্রদত্ত অনুচ্ছেদটিতে কিছু বানান ও বাক্যগঠনগত অপপ্রয়োগ ছিল, যা শুদ্ধ করে উপরে দেওয়া হয়েছে। নিচে অপপ্রয়োগগুলো চিহ্নিত করে সংশোধনের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:

        
  • মনুসত্ত্ব → মনুষ্যত্ব: 'মনুষ্য' শব্দের সাথে 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মনুষ্যত্ব' শব্দটি গঠিত হয়, যা মানবীয় গুণাবলিকে বোঝায়। 'মনুসত্ত্ব' কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণসম্মত নয়।
  •     
  • রশ → রস: এখানে 'রশ' এর পরিবর্তে 'রস' হবে। 'রস' শব্দটি গাছের শোষিত নির্যাস বা খাদ্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে 'রশ' অর্থহীন। এটি 'শ' ও 'স' এর ভুল প্রয়োগ জনিত একটি সাধারণ বানান ভুল।
  •     
  • সুন্দর্য্য → সৌন্দর্য: 'সুন্দর' বিশেষণ পদ থেকে গঠিত বিশেষ্য পদ হলো 'সৌন্দর্য'। 'সুন্দর' শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'সৌন্দর্য' গঠিত হয়। যেমন: মধুর + য = মাধুর্য, ধীর + য = ধৈর্য। এখানে 'সুন্দর্য্য' বানানটি অপ্রচলিত ও ভুল।
  •     
  • উদ্দেশ্য → উদ্দেশ্যে: বাক্যের গঠন এবং অর্থ অনুযায়ী এখানে 'উদ্দেশ্য' শব্দের সপ্তমীরূপ 'উদ্দেশ্যে' ব্যবহার করা উচিত। 'উদ্দেশ্যে' (যেমন - 'এর উদ্দেশ্যে', 'এর জন্য') দ্বারা লক্ষ্য বা কারণ বোঝানো হয়, যা বাক্যটির ভাবকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
125

বাক্যের মেীলিক উপাদান শব্দ হলে ও ভাষার মূল উপকরণ বাক্য। এই বাক্য সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে না পারলে বাক্য তার ভাষাগত যোগ্যতা হারায়। যার ফলস্বরুপ মনের ভাব সুস্পষ্টরুপে প্রকাশ করা সম্ভব হয় না বা আমরা যথাযথভাবে বুঝতে পারি না।ত্রুটিমুক্ত বাক্যই পারে সঠিকভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে। ভাষাগত যোগ্যতার বিচারে সঠিক বাক্য বলা বা প্রয়োগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাক্য: যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তাকে বাক্য বলে। যেমন: সজল ও লতা বই পড়ে।

সাধারণ বাক্যের প্রধান অংশ তিনটি। যথা: কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া। বাক্যের ক্রিয়াকে যে চালায়, সে হলো কর্তা। যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে বলে কর্ম। আর বাক্যের মধ্যে যে অংশ দিয়ে কোনো কিছু করা, ঘটা বা হওয়া বোঝায়, তাকে বলে ক্রিয়া। যেমন: সজল ও লতা বই পড়ে। এখানে 'সজল ও লতা' হলো কর্তা, 'বই' হলো কর্ম এবং 'পড়ে' হলো ক্রিয়া।

বাক্যের ভিত্তি: ভাষার বিচারে বাক্যের নিম্নলিখিত তিনটি গুণ থাকা চাই।

যেমন:

ক) আকাঙ্খা

২) আসত্তি

৩) যোগ্যতা

গঠন অনুযায়ী বাক্য তিন প্রকার।

যথা: সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য।

উদাহরণ: আমি পড়াশোনা শেষ করে খেলতে যাব। যখন আমার পড়াশোনা শেষ হবে, তখন আমি খেলতে যাব। আমি পড়াশোনা শেষ করব; তারপর খেলতে যাব।

প্রথম বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে। এটি সরল বাক্য। দ্বিতীয় বাক্যের দুটি অংশ 'যখন' ও 'তখন' যোজক দ্বারা যুক্ত হয়েছে। এটি জটিল বাক্য। তৃতীয় বাক্যে 'করব' ও 'যাব' দুটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। এটি যৌগিক বাক্য।

অর্থানুসারে বাক্যর প্রকারভেদঃ

অর্থানুসারে বাক্য সাত প্রকার। যথা:

ক. বিবৃতিমূলক বা বর্ণনামূলক বা নির্দেশমূলক বাক্য। যেমন:

এখান থেকে যাও (নির্দেশাত্মক)।

আমি ভাত খাই (বিবৃতিমূলক)।

সে ঢাকা যাবে (হ্যাঁ-বাচক)।

আমি বলতে চাই না (না-বাচক)।

আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম।

তারা তোমাদের ভুলেনি।

খ. প্রশ্নবাচক বাক্য। যেমন:

তোমার নাম কী?

কী পড়ছ?

যাবে নাকি? কোথায় যাচ্ছ?

সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?

অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য। যেমন:

বল বীর বল উন্নত মম শির।

উঠে দাঁড়াও।

আমাকে একটি কলম দাও।

ঘ. ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য। যেমন:

মহারাজের জয় হোক।

তোমার মঙ্গল হোক।

ঈশ্বর তোমাকে জয়ী করুন।

দীর্ঘজীবী হও।

পরীক্ষায় সফল হও।

তার মঙ্গল হোক।

ঙ. কার্যকারণাত্মক বাক্য। যেমন: কষ্ট না করলে কেষ্ট মিলে না।

চ. সংশয়সূচক বাক্য। যেমন: বোধ হয়, ছেলেটা চাকুরি পেয়ে যাবে।

ছ. বিস্ময় বা আবেগসূচক বাক্য।

যেমন: হে সিন্ধু!

বন্ধু মোর-মজিনু তব রূপে!

হুররে! আমরা জিতেছি

দারুণ! আমরা জিতে গিয়েছি।

অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা: 
১. সরল বাক্য ২. মিশ্র বা জটিল বাক্য ৩. যৌগিক বাক্য। 
১. সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া তাকে সরল বাক্য বলে। 
২. মিশ্র বা জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান বাক্য এবং একাধিক খণ্ড বাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে তাকে মিশ্র বাক্য। বলে। 
৩. যৌগিক বাক্য: পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলে যৌগিক বাক্য গঠিত হয়।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
663
উত্তরঃ

বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য

উত্তরঃ

আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক

উত্তরঃ

দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ

উত্তরঃ

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। = ক্রিয়াবিশেষণ

উত্তরঃ

মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা ৷ = সর্বনাম

উত্তরঃ

বুঝিয়াছিলাম মেয়েটির রূপ বড় আশ্চর্য। = ক্রিয়া

উত্তরঃ

শাবাশ! দারুণ কাজ করেছ। = আবেগ

উত্তরঃ

সানজিদা দ্রুত দৌড়াতে পারে। = ক্রিয়াবিশেষণ

490
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews