Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আগুনে দগ্ধ রোগীর মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রক্তের প্লাজমা ও তরল পদার্থ হ্রাস পেয়ে সৃষ্ট হাইপোভলিউমিক শক (Hypovolemic Shock), শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া (Inhalation Injury), এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাকটেরিয়াঘটিত মারাত্মক সংক্রমণ বা সেপসিস (Sepsis)।

দগ্ধ রোগীর শরীরের প্রাকৃতি রক্ষাকবচ অর্থাৎ ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে দ্রুত শরীরের পানি ও প্রয়োজনীয় প্রোটিন বের হয়ে যায়, যা রক্তচাপ কমিয়ে প্রাণঘাতী শকের সৃষ্টি করে। এছাড়া, অগ্নিকাণ্ডের স্থান থেকে অতিরিক্ত উত্তপ্ত বাতাস ও বিষাক্ত ধোঁয়া শ্বাসনালীতে প্রবেশ করলে ফুসফুসের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্বাসরোধ ঘটে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠলেও পরবর্তী দিনগুলোতে খোলা ক্ষতস্থানের মাধ্যমে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকেজো করে দেয়।

আগুনে দগ্ধ রোগীর মৃত্যুর প্রধান কারণসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো:

      
  • হাইপোভলিউমিক শক (Hypovolemic Shock): পোড়া অংশ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে প্লাজমা ও সিরাম নিঃসৃত হওয়ায় শরীরে রক্তভলিউম আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়।
  •   
  • ইনহেলেশন ইনজুরি ও শ্বাসরোধ (Inhalation Injury): বিষাক্ত ধোঁয়া, কার্বন মনোক্সাইড এবং উত্তপ্ত বাতাস ফুসফুস ও শ্বাসনালী দগ্ধ করে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ করে দেয়।
  •   
  • সেপসিস ও ইনফেকশন (Sepsis & Infection): ত্বকের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ব্যাকটেরিয়া সহজে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে মারাত্মক সেপটিক শক তৈরি করে।
  •   
  • মাল্টি-অর্গান ফেইলিয়ার (Multi-organ Failure): পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও রক্তের অভাবে কিডনি, লিভার ও হূৎপিণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসমূহ একযোগে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
  •   
  • বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাব: অগ্নিকাণ্ডের সময় উৎপন্ন কার্বন মনোক্সাইড ও হাইড্রোজেন সায়ানাইড গ্যাস শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করে দ্রুত মৃত্যু ঘটায়।
  •   
  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা: শরীরের প্রয়োজনীয় সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদির মাত্রার তীব্র তারতম্যের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হতে পারে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
47

Related Question

View All
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহ (২৫৯ দিন) পূর্ণ হওয়ার পূর্বে জন্মগ্রহণকারী শিশুকে Preterm Baby (অকালজাত শিশু) এবং জন্মকালীন ওজন ২,৫০০ গ্রাম (২.৫ কেজি)-এর কম হওয়া শিশুকে Low Birth-weight (LBW) Baby (কম ওজনের শিশু) বলা হয়।

গর্ভধারণের স্বাভাবিক মেয়াদ সাধারণত ৩৭ থেকে ৪২ সপ্তাহ এবং একটি সুস্থ নবজাতকের জন্মকালীন স্বাভাবিক ওজন ২.৫ থেকে ৪ কেজি হয়ে থাকে। যদি কোনো শিশু ৩৭ সপ্তাহের আগেই জন্ম নেয়, তবে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পূর্ণাঙ্গভাবে পরিপক্ব না হওয়ায় তাকে Preterm Baby বলা হয়। অন্যদিকে, শিশু পূর্ণ মেয়াদে জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও যদি গর্ভকালীন পুষ্টির অভাব বা শারীরিক জটিলতার কারণে তার ওজন ২৫০০ গ্রামের নিচে হয়, তবে তাকে Low Birth-weight Baby হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ ধরণের উভয় শিশুই স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির মধ্যে থাকে এবং তাদের বিশেষ নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
60
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews