মন্দিরে গেলে পুণ্যলাভ হয়।
কান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলার ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত।
লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানের সময় ভক্তরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন'।
মথুরা হলো শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ও তাঁর লীলা ক্ষেত্র।
মন্দির একটি আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান।
প্রতিটি মন্দির হলো এক একটি ধর্মক্ষেত্র ।
কান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
১৭০৪ খ্রিষ্টাব্দে মহারাজ প্রাণনাথ রায় মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
কান্তজী মন্দিরের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত 1
১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ভূমিকম্পে সবগুলো শিখর ধ্বংস হয়ে যায় কান্তজী সবগুলো মন্দিরের।
কান্তজী মন্দিরে আমাদের দেশের সর্বোৎকৃষ্ট টেরাকোটা শিল্পের নিদর্শন রয়েছে।
শীতকালের শুরুতে কান্তজী মন্দিরে মাসব্যাপী রাসমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের উড়িষ্যার পুরীতে জগন্নাথ মন্দির অবস্থিত।
বঙ্গোপসাগরের তীরে জগন্নাথ মন্দিরটি অবস্থিত।
রাজা অনন্তবর্মণ দ্বাদশ শতাব্দীতে জগন্নাথ মন্দির নির্মাণ করেছিলেন।
রাজা অনন্তবর্মণ দ্বাদশ শতাব্দীতে জগন্নাথ মন্দির নির্মাণ করেছিলেন।
জগন্নাথ মন্দির বিষ্ণুর একটি রূপ।
জগন্নাথ মন্দিরের মহাপ্রসাদ সকলকে প্রদান করা হয়।
ঈশ্বরের কৃপা লাভের জন্য মানুষ তীর্থক্ষেত্রে যায়।
লাঙ্গলবন্দ নারায়ণগঞ্জ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত।
মথুরা হিন্দুদের অন্যতম পবিত্র তীর্থক্ষেত্র।
মথুরা দর্শনে ভক্তদের মনে শ্রদ্ধাবোধ জেগে ওঠে।
আমরা সমাজবদ্ধ জীব।
যত মত, তত পথ'।
আমাদের সকলের মানবিক গুণ অর্জন করতে হবে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allকান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলার ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত।
লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানের সময় ভক্তরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন'।
মথুরা হলো শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ও তাঁর লীলা ক্ষেত্র।
মন্দির একটি আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!