আরিজা, বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক ইত্তেফাক | পাবনা | ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পাবনা সদরের টেবুনিয়া-চৌধুরীবাজার সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে, যার ফলে প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না, যা জনদুর্ভোগ চরমে নিয়ে গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ব্যস্ত রাস্তার পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি এবং বর্ষায় কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় রাস্তাটি। টেবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, "এই রাস্তায় রিকশা বা ভ্যানে চড়লে কোমরের হাড় ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়। গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।"
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অফিসগামী মানুষ। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, "রাস্তা খারাপের কারণে আমাদের মালামাল পরিবহনে খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অনেক সময় ভ্যানচালক দুর্ঘটনার ভয়ে মালপত্র নিয়ে আসতে চায় না।"
স্থানীয় এলজিইডি (LGED) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, সংস্কারের জন্য বাজেট চাওয়া হয়েছে, তবে কবে কাজ শুরু হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।
উন্নয়ন ও যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য স্থানীয়রা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায়, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
পিআই/আরিজা
বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক প্রথম আলো,
১০০, কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
বিষয়: ‘শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উদযাপন সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি প্রকাশের জন্য আবেদন।
মহোদয়,
আপনার বহুল প্রচারিত ও ঐতিহ্যবাহী ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় প্রকাশের জন্য ‘বর্ণিল আয়োজনে বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি নিচে প্রেরণ করছি। এটি আপনার পত্রিকায় প্রকাশ করলে বিশেষভাবে বাধিত হব।
নিবেদক,
তারিন
শিক্ষার্থী ও ছাত্র প্রতিনিধি
মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা।
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!