Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

আলুটিলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ি, ২৭ এপ্রিল ২০২৬: আলুটিলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে এক আন্তরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এরপর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের প্রতি নৈতিকতা, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়, যা উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। এছাড়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিবেদক: আদি/আদিবা
শিক্ষার্থী, দশম শ্রেণি
আলুটিলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যালয়ে সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ 'ক খ উচ্চ বিদ্যালয়ে' শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা'। গতকাল বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

আয়োজন একনজরে

স্থান: ক খ উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তন, ময়মনসিংহ।

অংশগ্রহণকারী: ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।

বিভাগ: প্রতিযোগিতাটি মোট দুটি গ্রুপে বিভক্ত ছিল (ক-গ্রুপ: ষষ্ঠ-অষ্টম এবং খ-গ্রুপ: নবম-দশম)।

প্রতিযোগিতার বিবরণ

বর্তমান ডিজিটাল যুগে শিক্ষার্থীদের মাঝে সুন্দর ও স্পষ্ট হাতের লেখার চর্চা ফিরিয়ে আনাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে তাদের লিখন শৈলী প্রদর্শন করে।

প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিটি গ্রুপ থেকে সেরা ৩ জন করে মোট ৬ জন বিজয়ীকে নির্বাচিত করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন।

বিশিষ্টজনের বক্তব্য

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাঁর বক্তব্যে বলেন, "সুন্দর হাতের লেখা একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব ও একাগ্রতার প্রতীক। প্রযুক্তির এই যুগে আমরা যেন কলম ও কাগজের এই নান্দনিক চর্চাকে ভুলে না যাই।"

পুরস্কার বিতরণী শেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উক্ত আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

প্রতিবেদকের নাম: মাসুম / মাসুমা
পদবি: ময়মনসিংহ প্রতিনিধি, দৈনিক ইত্তেফাক
স্থান: ময়মনসিংহ
তারিখ: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
33

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈশাখী মেলা

বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।

মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।

বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।

মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।

এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।

66.3k
উত্তরঃ

যৌতুক প্রথা বাংলাদেশের সমাজজীবনে এক কলঙ্কজনক ব্যাধি। এটি এমন একটি কুপ্রথা যেখানে পাত্রপক্ষ বিয়ের সময় কনেপক্ষের কাছে অর্থ, অলংকার বা অন্য কোনো মূল্যবান সামগ্রী দাবি করে। এই প্রথা শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের অনেক দেশেই বিদ্যমান এবং এর কারণে অসংখ্য নারীর জীবন বিষিয়ে উঠেছে।

যৌতুক প্রথার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে সামাজিক অজ্ঞতা, লোভ, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং আর্থিক অসচ্ছলতা। অনেক পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়, এমনকি ঋণগ্রস্তও হয়ে পড়ে। যৌতুক দিতে না পারায় অনেক কনেকে অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়, কখনও কখনও তাদের জীবনও কেড়ে নেওয়া হয়। এটি নারীর মর্যাদা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে এবং সমাজে বৈষম্য তৈরি করে।

এই ঘৃণ্য প্রথা বন্ধে আইন প্রণীত হলেও শুধুমাত্র আইন দিয়ে এর নির্মূল সম্ভব নয়। প্রয়োজন ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিকতার পরিবর্তন। শিক্ষা বিস্তার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী-পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা যৌতুকমুক্ত সমাজ গঠনে অপরিহার্য। প্রতিটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে এই প্রথার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে, তবেই একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব হবে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1k
উত্তরঃ

কাজলা, রাজশাহী।
১০ই নভেম্বর, ২০২৩

প্রিয় হাফিজ,

আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালো আছো। অনেকদিন তোমার কোনো চিঠি পাই না, তাই ভাবলাম আমিই আজ তোমাকে চিঠি লিখি।

তুমি জানতে চেয়েছিলে আমার সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে। সম্প্রতি আমি পরিবারের সাথে রাজশাহীর অদূরে অবস্থিত পুঠিয়া রাজবাড়ী পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান এবং এখানকার প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশাল বিশাল দালান, মন্দিরের সূক্ষ্ম কারুকার্য এবং বিশাল খেলার মাঠ সত্যিই অসাধারণ।

আমরা রাজবাড়ীর বিভিন্ন প্রাসাদ ও মন্দির ঘুরে দেখেছি। বিশেষ করে বড় আহ্নিক মন্দির, গোবিন্দ মন্দির এবং পঞ্চরত্ন শিবমন্দির ছিল দর্শনার্থীদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। প্রতিটি স্থাপত্যই অতীতের গৌরবময় ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে। আমাদের সাথে থাকা একজন গাইড এখানকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য দিলেন, যা আমার জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এমন একটি স্থানে ভ্রমণ করে আমি যেন ইতিহাসকে আরও কাছ থেকে অনুভব করতে পারলাম।

সব মিলিয়ে ভ্রমণটি ছিল অত্যন্ত শিক্ষামূলক এবং আনন্দদায়ক। তুমিও সুযোগ পেলে একবার ঘুরে আসতে পারো। তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে জানিও। আর তোমার নতুন কোনো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকলে তা জানাতে ভুলো না।

আজ আর নয়। মা-বাবাকে আমার সালাম জানিও।

ইতি,
তোমার বন্ধু,
হাসিব

Satt AI
Satt AI
1 day ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews