উত্তরঃ

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনায় আবেগঘন পরিবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী | ২৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী কদমকুঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। 

সকাল ১০টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষকরা বলেন, "তোমরা এই বিদ্যালয়ের সম্পদ। আগামী দিনের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে বিদ্যালয়ের সুনাম ধরে রাখবে এবং দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবে।" 

অনুষ্ঠানে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বিদায়ী সিনিয়রদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কয়েকজন তাদের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং শিক্ষকদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

পরিশেষে, পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে একটি করে বিদায়ী উপহার প্রদান করা হয়। সবশেষে এক ফটোসেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

বরিশালে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ উৎসব শুরু: উৎসবমুখর পরিবেশে চারা রোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:
বরিশালে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ উৎসব ও মেলা। ‘সবুজ পৃথিবী, সুস্থ জীবন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

গতকাল সকালে নগরীর টাউন হল চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এরপর ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত দুটি করে ফলজ, বনজ ও ওষুধি চারা রোপণ করার আহ্বান জানান।

মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নার্সারি তাদের স্টলে হরেক রকমের চারার পসরা সাজিয়ে বসেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ফলজ চারা: আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু ও আমড়া।
  • বনজ চারা: মেহগনি, সেগুন ও রেইনট্রি।
  • ওষুধি চারা: নিম, তুলসী ও আমলকী।
  • শোভাবর্ধনকারী: হরেক প্রজাতির গোলাপ, ক্যালাথিয়া ও অর্কিড।

উৎসবে আসা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলা উপলক্ষে নামমাত্র মূল্যে এবং কিছু ক্ষেত্রে বিনামূল্যে চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রকৃতিকে সবুজ ও সুন্দর রাখতে বরিশালের এই বৃক্ষরোপণ উৎসব আগামী সাত দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

রাকিব/রাখা
বরিশাল প্রতিনিধি

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
33

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈশাখী মেলা

বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।

মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।

বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।

মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।

এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।

66.3k
উত্তরঃ

যৌতুক প্রথা বাংলাদেশের সমাজজীবনে এক কলঙ্কজনক ব্যাধি। এটি এমন একটি কুপ্রথা যেখানে পাত্রপক্ষ বিয়ের সময় কনেপক্ষের কাছে অর্থ, অলংকার বা অন্য কোনো মূল্যবান সামগ্রী দাবি করে। এই প্রথা শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের অনেক দেশেই বিদ্যমান এবং এর কারণে অসংখ্য নারীর জীবন বিষিয়ে উঠেছে।

যৌতুক প্রথার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে সামাজিক অজ্ঞতা, লোভ, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং আর্থিক অসচ্ছলতা। অনেক পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়, এমনকি ঋণগ্রস্তও হয়ে পড়ে। যৌতুক দিতে না পারায় অনেক কনেকে অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়, কখনও কখনও তাদের জীবনও কেড়ে নেওয়া হয়। এটি নারীর মর্যাদা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে এবং সমাজে বৈষম্য তৈরি করে।

এই ঘৃণ্য প্রথা বন্ধে আইন প্রণীত হলেও শুধুমাত্র আইন দিয়ে এর নির্মূল সম্ভব নয়। প্রয়োজন ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিকতার পরিবর্তন। শিক্ষা বিস্তার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী-পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা যৌতুকমুক্ত সমাজ গঠনে অপরিহার্য। প্রতিটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে এই প্রথার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে, তবেই একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব হবে।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
1k
উত্তরঃ

কাজলা, রাজশাহী।
১০ই নভেম্বর, ২০২৩

প্রিয় হাফিজ,

আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালো আছো। অনেকদিন তোমার কোনো চিঠি পাই না, তাই ভাবলাম আমিই আজ তোমাকে চিঠি লিখি।

তুমি জানতে চেয়েছিলে আমার সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে। সম্প্রতি আমি পরিবারের সাথে রাজশাহীর অদূরে অবস্থিত পুঠিয়া রাজবাড়ী পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান এবং এখানকার প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশাল বিশাল দালান, মন্দিরের সূক্ষ্ম কারুকার্য এবং বিশাল খেলার মাঠ সত্যিই অসাধারণ।

আমরা রাজবাড়ীর বিভিন্ন প্রাসাদ ও মন্দির ঘুরে দেখেছি। বিশেষ করে বড় আহ্নিক মন্দির, গোবিন্দ মন্দির এবং পঞ্চরত্ন শিবমন্দির ছিল দর্শনার্থীদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। প্রতিটি স্থাপত্যই অতীতের গৌরবময় ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে। আমাদের সাথে থাকা একজন গাইড এখানকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য দিলেন, যা আমার জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এমন একটি স্থানে ভ্রমণ করে আমি যেন ইতিহাসকে আরও কাছ থেকে অনুভব করতে পারলাম।

সব মিলিয়ে ভ্রমণটি ছিল অত্যন্ত শিক্ষামূলক এবং আনন্দদায়ক। তুমিও সুযোগ পেলে একবার ঘুরে আসতে পারো। তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে জানিও। আর তোমার নতুন কোনো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকলে তা জানাতে ভুলো না।

আজ আর নয়। মা-বাবাকে আমার সালাম জানিও।

ইতি,
তোমার বন্ধু,
হাসিব

Satt AI
Satt AI
2 days ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews