Agaricus-এর যে দেহাংশ মাটির উপরে দেখা যায়, তাই ফুটবডি।
লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক এক সাথে সহাবস্থান করে একে অন্যের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে যে আদর্শ জীবন ব্যবস্থা গড়ে তোলে, তাই মিথোজীবিতা। এখানে ছত্রাক জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও খনিজ লবণ শৈবালকে সরবরাহ করে এবং শৈবাল এগুলোর সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে, ছত্রাকের সাথে ভাগ করে গ্রহণ করে। এভাবে শৈবাল ও ছত্রাকের মাঝে মিথোজীবিতা গঠিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত জীবটি হলো ছত্রাক। এর যৌন জননের ২য় দশাটি হলো-ক্যারিওগ্যামি দশা। ক্যারিওগ্যামি দশা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-
ক্যারিওগ্যামি দশায় দুটি হ্যাপ্লয়েড নিউক্লিয়াসের মিলনের ফলে ডিপ্লয়েড অর্থাৎ জাইগোট নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। উন্নত শ্রেণির ছত্রাকে ক্যারিওগ্যামি মোটামোটিভাবে বিলম্বে ঘটে; এ কারণে প্লাজমোগ্যামির ফলে দুটি নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট (n + n) কোষের (প্রত্যেক মাতৃকোষ হতে আগত একটি করে নিউক্লিয়াসসহ) উৎপত্তি ঘটে। ঐ প্রকার একজোড়া বিপরীত যৌনতার নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট কোষকে তখন ডাইক্যারিওন বা ডাইক্যারিওটিক কোষ বলা হয়। কোষমধ্যস্থ ঐ দুটি নিউক্লিয়াসের মিলন অর্থাৎ ক্যারিওগ্যামি ছত্রাকের জীবনচক্রের শেষভাগে সাধারণত ঘটে থাকে। ইতোমধ্যে, দ্বি-নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট কোষের বৃদ্ধি ও কোষ বিভাজনকালে কোষের এ প্রকার ডাইক্যারিওটিক অবস্থা থাকে।
চিত্রের জীবটি অর্থাৎ ছত্রাক অঙ্গজ জননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে পরিবেশে টিকে থাকে। সাধারণত চার ধরনের অঙ্গজ জননের মাধ্যমে এরা পরিবেশে নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখে। নিচে তা আলোচনা করা হলো-
খণ্ডায়ন: এ প্রক্রিয়ায় ছত্রাকের মাইসেলিয়াম খণ্ডিত হয়ে দুই বা ততোধিক খণ্ডে পরিণত হয় এবং উপযুক্ত পরিবেশে প্রতিটি খন্ড এক একটি নতুন মাইসেলিয়াম গঠন করে।
মুকুলোদগম: এ সময় মাতৃকোষের প্রাচীরের যেকোনো স্থান স্ফীত হয়ে মুকুল উৎপন্ন করে। নিউক্লিয়াসটি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস - গঠন করে। কিছু সাইটোপ্লাজমসহ অপত্য নিউক্লিয়াস দুটির একটি মুকুলের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়। মুকুলগুলো মাতৃদেহকোষ থেকে রিচ্যুত হয়ে নতুন মাইসেলিয়াম গঠন করে। যেমন- ঈস্ট।
দ্বিবিভাজন: দ্বিবিভাজন এককোষী ছত্রাকে (যেমন- ঈস্ট) দেখা যায়, এক্ষেত্রে অঙ্গজ কোষ দেহটি সংকোচনের ফলে বা প্রস্থপ্রাচীর গঠনের মাধ্যমে দুটি অপত্য কোষে বিভক্ত হয়ে যায়।
স্ক্লেরোশিয়াম: কোনো কোনো ছত্রাকের স্ক্লেরোশিয়াম নামক এক প্রকার অঙ্গ প্রতিকূল পরিবেশে সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং অনুকূল পরিবেশে আগমনে অঙ্গজ পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে।
উপরিউক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায়, চিত্রের জীবটি অর্থাৎ ছত্রাক অঙ্গজ জননের মাধ্যমেও বংশবিস্তারে সক্ষম।
যেসব উদ্ভিদের দেহকে মূল কান্ড ও পাতায় বিবক্ত করা যায় না তাদের সমাঙ্গদেহী বলে।
ক্লোরোফিল এর উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ওপর এদের ২ শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। যথাঃ
১.ক্লোরোফিল যুক্ত শৈবাল
২.ক্লোরোফিলবিহীন ছত্রাক
Related Question
View Allমিথোজীবিতা হচ্ছে দুটি ভিন্ন জীবের মধ্যে এমন একটি সহবস্থান যেখানে উভয়েই উপকৃত হয়।
বাহ্যিক আকার-আকৃতি ও প্রকৃতিগত সাদৃশ্যপূর্ণ দুটি গ্যামিটের মিলনকে আইসোগ্যামী বলে। এই ধরনের গ্যামিট একই খ্যালাসে অথবা ভিন্ন ভিন্ন থ্যালাসে উৎপন্ন হতে পারে। কখনও কখনও ফিলামেন্ট বিশিষ্ট শৈবালের একই ফিলামেন্টের ভিন্ন ভিন্ন কোষে এগুলো উৎপন্ন হয়।
যেমন- Ulothrix |
উদ্দীপকে উল্লিখিত এ জীবটি শৈবাল। শৈবালের দৈহিক গঠন বিভিন্ন রকম হতে পারে। নিচে শৈবালের দৈহিক গঠনের পরিসর ব্যাখ্যা করা হলো-শৈবাল এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে। এককোষী শৈবাল সচল (ফ্লাজেলা থাকায়, যেমন- Chlamydomonas) বা নিশ্চল ফ্লাজেলাবিহীন, (যেমন- Chlorella) হতে পারে। অনেক প্রজাতি আছে যাদের অনেকগুলো কোষ একসাথে কলোনি হিসেবে অবস্থা করে (যেমন-Volvox)। বহু শৈবাল প্রজাতি আছে যাদের দেহ ফিলামেন্টাস। ফিলামেন্ট অশাখ হতে পারে (যেমন- Spirogyra, Ulothrix) আবার শাখান্বিত হতে পারে (যেমন- Chaetophora), কোনো কোনো শৈবালে বিশেষ জননাঙ্গ সৃষ্টি হয়। অনেক সামুদ্রিক শৈবালের দেহকে বাহ্যিকভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত দেখায়। যেমন- Sargassum। সমুদ্রে কিছু শৈবাল এতো লম্বা হয় যা স্থলভাগের কোনো কোনো উঁচু বৃক্ষের সমান বা তারও বেশি। কোনো কোনো শৈবাল দেখতে পর্ব-মধ্যপর্ব বিশিষ্ট মনে হয় যেমন- Chara। অনেক শৈবালের দেহ লম্বা পাতার ন্যায়, যেমন- Ulva।
উদ্দীপকে 'A' ও 'B' দ্বারা যথাক্রমে শৈবাল ও ছত্রাককে নির্দেশ করা হয়েছে। শৈবাল ও ছত্রাকের পাশাপাশি সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় লাইকেন নামক উদ্ভিদের। লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলা হয়। সুতরাং লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক একে অন্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লাইকেন উদ্ভিদে ছত্রাক চারিদিক থেকে শৈবালকে ঘিরে রেখে বাসস্থান প্রদান করে। ছত্রাক পরিবেশ থেকে পানি, খনিজ লবণ ও জলীয় বাষ্প ইত্যাদি শোষণ করে শৈবালকে প্রদান করে। আর শৈবাল মধ্যখানে বসে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে। প্রস্তুতকৃত খাদ্য শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই ভাগ করে গ্রহণ করে। এভাবে শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট লাইকেন উদ্ভিদে তারা উভয়ই একে অপরের দ্বারা উপকৃত হয়।
সুতরাং উদ্দীপকের A ও B দ্বারা গঠিত জীবের পারস্পরিক মিথোজীবিতা একে অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সর্বদাই উপকার করে।
একটি জীবের এক সেট ক্রোমোসোমে অবস্থিত সকল জিনসহ পূর্ণাজা DNA-ই হলো জিনোম।
এক জোড়া সমসংস্থ ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড এর মধ্যে যে অংশের বিনিময় ঘটে, তাকে ক্রসিংওভার বলে। মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো ক্রসিংওভার, যার ফলে জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়। জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
