Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

বরগুনা জিলা স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা: বরগুনা জিলা স্কুলের মিলনায়তনে আজ অত্যন্ত আনন্দঘন ও আবেগঘন পরিবেশে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনার জেলা প্রশাসক। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণসমূহ

  • পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত: ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে।
  • নবীনবরণ: দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ফুল ও কলম দিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির নতুনদের বরণ করে নেয়।
  • মানপত্র পাঠ: নবীন ও বিদায়ীদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন মানপত্র পাঠ করা হয়।
  • স্মৃতিচারণ: বিদায়ী শিক্ষার্থীরা এই বিদ্যালয়ে কাটানো তাদের সোনালী দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে।
  • উপহার প্রদান: বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিদায়ীদের বিশেষ স্মারক উপহার দেওয়া হয়।
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গান, আবৃত্তি ও নাটক মঞ্চস্থ হয়।

💬 প্রধান অতিথির বক্তব্য

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, "নতুনদের যেমন এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে হবে, তেমনি বিদায়ীদের দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।"

প্রতিবেদকের অনুভূতি

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে নতুনদের বরণ করতে পেরে যেমন আনন্দ হচ্ছে, তেমনি আমাদের বড় ভাইদের বিদায় দিতে গিয়ে মনটা বিষাদে ভরে উঠেছে। তাদের রেখে যাওয়া আদর্শ আমাদের সামনের দিনগুলোতে পথ দেখাবে।


প্রতিবেদকের নাম: মুনিম
শ্রেণি: দশম
রোল: [এখানে রোল নম্বর দিতে পারো]
বিদ্যালয়: বরগুনা জিলা স্কুল
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

নাবিল/নাবিলা
জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল
দৈনিক প্রথম আলো

বরিশালে অনুষ্ঠিত হলো মনোমুগ্ধকর সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা

বরিশাল: শিক্ষার্থীদের মাঝে সুন্দর ও স্পষ্ট হাতের লেখার চর্চা ফিরিয়ে আনতে বরিশালে এক ব্যতিক্রমী সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে স্থানীয় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতার মূল তথ্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • আয়োজক: বরিশাল কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর।
  • অংশগ্রহণকারী: নগরের ২৫টি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী।
  • গ্রুপ বিভাজন: প্রতিযোগিতাটি মোট ৩টি গ্রুপে (শিশু থেকে দশম শ্রেণি) বিভক্ত ছিল।
  • নির্ধারিত বিষয়: বর্ণমালা লিখন, দেশাত্মবোধক কবিতা ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস।

সৃজনশীলতার বিকাশ

ডিজিটাল যুগে এসে শিক্ষার্থীদের লেখার অভ্যাস অনেকটাই কমে গেছে। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুনরায় লেখার আগ্রহ তৈরি করা এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতা চলাকালীন শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

পুরস্কার বিতরণী

প্রতিযোগিতা শেষে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুন্দর হাতের লেখা শুধু পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর পেতেই সাহায্য করে না, এটি একজন মানুষের ব্যক্তিত্বেরও প্রকাশ ঘটায়। এ ধরনের আয়োজন প্রতি বছর করার জন্য তারা আয়োজকদের আহ্বান জানান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
37

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈশাখী মেলা

বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।

মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।

বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।

মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।

এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।

66.3k
উত্তরঃ

যৌতুক প্রথা বাংলাদেশের সমাজজীবনে এক কলঙ্কজনক ব্যাধি। এটি এমন একটি কুপ্রথা যেখানে পাত্রপক্ষ বিয়ের সময় কনেপক্ষের কাছে অর্থ, অলংকার বা অন্য কোনো মূল্যবান সামগ্রী দাবি করে। এই প্রথা শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের অনেক দেশেই বিদ্যমান এবং এর কারণে অসংখ্য নারীর জীবন বিষিয়ে উঠেছে।

যৌতুক প্রথার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে সামাজিক অজ্ঞতা, লোভ, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং আর্থিক অসচ্ছলতা। অনেক পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়, এমনকি ঋণগ্রস্তও হয়ে পড়ে। যৌতুক দিতে না পারায় অনেক কনেকে অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়, কখনও কখনও তাদের জীবনও কেড়ে নেওয়া হয়। এটি নারীর মর্যাদা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে এবং সমাজে বৈষম্য তৈরি করে।

এই ঘৃণ্য প্রথা বন্ধে আইন প্রণীত হলেও শুধুমাত্র আইন দিয়ে এর নির্মূল সম্ভব নয়। প্রয়োজন ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিকতার পরিবর্তন। শিক্ষা বিস্তার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী-পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা যৌতুকমুক্ত সমাজ গঠনে অপরিহার্য। প্রতিটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে এই প্রথার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে, তবেই একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব হবে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1k
উত্তরঃ

কাজলা, রাজশাহী।
১০ই নভেম্বর, ২০২৩

প্রিয় হাফিজ,

আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালো আছো। অনেকদিন তোমার কোনো চিঠি পাই না, তাই ভাবলাম আমিই আজ তোমাকে চিঠি লিখি।

তুমি জানতে চেয়েছিলে আমার সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে। সম্প্রতি আমি পরিবারের সাথে রাজশাহীর অদূরে অবস্থিত পুঠিয়া রাজবাড়ী পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান এবং এখানকার প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশাল বিশাল দালান, মন্দিরের সূক্ষ্ম কারুকার্য এবং বিশাল খেলার মাঠ সত্যিই অসাধারণ।

আমরা রাজবাড়ীর বিভিন্ন প্রাসাদ ও মন্দির ঘুরে দেখেছি। বিশেষ করে বড় আহ্নিক মন্দির, গোবিন্দ মন্দির এবং পঞ্চরত্ন শিবমন্দির ছিল দর্শনার্থীদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। প্রতিটি স্থাপত্যই অতীতের গৌরবময় ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে। আমাদের সাথে থাকা একজন গাইড এখানকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য দিলেন, যা আমার জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এমন একটি স্থানে ভ্রমণ করে আমি যেন ইতিহাসকে আরও কাছ থেকে অনুভব করতে পারলাম।

সব মিলিয়ে ভ্রমণটি ছিল অত্যন্ত শিক্ষামূলক এবং আনন্দদায়ক। তুমিও সুযোগ পেলে একবার ঘুরে আসতে পারো। তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে জানিও। আর তোমার নতুন কোনো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকলে তা জানাতে ভুলো না।

আজ আর নয়। মা-বাবাকে আমার সালাম জানিও।

ইতি,
তোমার বন্ধু,
হাসিব

Satt AI
Satt AI
1 day ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews