বরগুনা জিলা স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা: বরগুনা জিলা স্কুলের মিলনায়তনে আজ অত্যন্ত আনন্দঘন ও আবেগঘন পরিবেশে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনার জেলা প্রশাসক। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণসমূহ
- পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত: ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে।
- নবীনবরণ: দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ফুল ও কলম দিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির নতুনদের বরণ করে নেয়।
- মানপত্র পাঠ: নবীন ও বিদায়ীদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন মানপত্র পাঠ করা হয়।
- স্মৃতিচারণ: বিদায়ী শিক্ষার্থীরা এই বিদ্যালয়ে কাটানো তাদের সোনালী দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে।
- উপহার প্রদান: বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিদায়ীদের বিশেষ স্মারক উপহার দেওয়া হয়।
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গান, আবৃত্তি ও নাটক মঞ্চস্থ হয়।
💬 প্রধান অতিথির বক্তব্য
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, "নতুনদের যেমন এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে হবে, তেমনি বিদায়ীদের দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।"
প্রতিবেদকের অনুভূতি
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে নতুনদের বরণ করতে পেরে যেমন আনন্দ হচ্ছে, তেমনি আমাদের বড় ভাইদের বিদায় দিতে গিয়ে মনটা বিষাদে ভরে উঠেছে। তাদের রেখে যাওয়া আদর্শ আমাদের সামনের দিনগুলোতে পথ দেখাবে।
প্রতিবেদকের নাম: মুনিম
শ্রেণি: দশম
রোল: [এখানে রোল নম্বর দিতে পারো]
বিদ্যালয়: বরগুনা জিলা স্কুল
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
নাবিল/নাবিলা
জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল
দৈনিক প্রথম আলো
বরিশালে অনুষ্ঠিত হলো মনোমুগ্ধকর সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা
বরিশাল: শিক্ষার্থীদের মাঝে সুন্দর ও স্পষ্ট হাতের লেখার চর্চা ফিরিয়ে আনতে বরিশালে এক ব্যতিক্রমী সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে স্থানীয় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতার মূল তথ্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- আয়োজক: বরিশাল কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর।
- অংশগ্রহণকারী: নগরের ২৫টি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী।
- গ্রুপ বিভাজন: প্রতিযোগিতাটি মোট ৩টি গ্রুপে (শিশু থেকে দশম শ্রেণি) বিভক্ত ছিল।
- নির্ধারিত বিষয়: বর্ণমালা লিখন, দেশাত্মবোধক কবিতা ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস।
সৃজনশীলতার বিকাশ
ডিজিটাল যুগে এসে শিক্ষার্থীদের লেখার অভ্যাস অনেকটাই কমে গেছে। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুনরায় লেখার আগ্রহ তৈরি করা এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতা চলাকালীন শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
পুরস্কার বিতরণী
প্রতিযোগিতা শেষে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুন্দর হাতের লেখা শুধু পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর পেতেই সাহায্য করে না, এটি একজন মানুষের ব্যক্তিত্বেরও প্রকাশ ঘটায়। এ ধরনের আয়োজন প্রতি বছর করার জন্য তারা আয়োজকদের আহ্বান জানান।
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!