সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর  সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশ্রিত হয়ে কিছু শক্ত কণা তৈরি হয়, ঐ শক্ত কণাসমূহ একত্রিত হয়ে যে পদার্থ তৈরি হয় তাকে বলে শিলা। শিলা হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত শক্ত পদার্থ কিংবা খনিজ পদার্থের সমষ্টি। শিলাসমূহ প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে বিভক্তঃ আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে বা অভ্যন্তরে উত্তপ্ত ও গলিত ম্যাগমা (magma) ঠান্ডা ও কেলাসিত হয়ে যে পদার্থ গঠন করে তাকে বলে আগ্নেয় শিলা। আগ্নেয় শিলা দুই প্রকার- অগ্ন্যুৎপত্তি এবং আগ্নেয়। অগ্ন্যুৎপত্তি শিলা ভূ-পৃষ্ঠের ভিতরে তৈরি হয় এবং আগ্নেয় শিলা ভূ-পৃষ্ঠের উপরে তৈরি হয়। উদাহরণস্বরূপ, গ্রানাইট, বেসাল্ট, অবসিডিয়ান ইত্যাদি আগ্নেয় শিলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন প্রকার খনিজ ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি একীভূত হয়ে যে কাঠামো গঠন করে তাকে বলে পাললিক শিলা। এই শিলাগুলো সাধারণত পানি, বাতাস, কুয়াশা, ঝড় ইত্যাদির কারণে ভূ-পৃষ্ঠের অন্য কোথাও থেকে এসে জমে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, বেলেপাথর, চুনাপাথর, শেল ইত্যাদি পাললিক শিলা।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয় ও পাললিক শিলা তাপ, চাপ বা রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে তার মূল গঠন ও ধর্ম পরিবর্তন করে নতুন যে শিলাতে পরিণত হয় তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। উদাহরণস্বরূপ, মার্বেল (চুনাপাথর থেকে তৈরি), কোয়ার্টজাইট (বালুপাথর থেকে তৈরি) ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির উপরিভাগে বা তলদেশে যে সকল পদার্থ থেকে আমরা প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি যেমন- বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করে থাকি তাদেরকে বলা হয় খনিজ। এগুলো সাধারণত এক বা একাধিক রাসায়নিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং নির্দিষ্ট ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। খনিজগুলো শিলা গঠনের মূল উপাদান। উদাহরণস্বরূপ, কোয়ার্টজ, ফেন্ডস্পার, মাইকা ইত্যাদি খনিজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা যায় সে' সকল খনিজকে আকরিক বলে। এই খনিজগুলোতে সাধারণত ধাতুর যৌগ থাকে। উদাহরণস্বরূপ, হেমাটাইট (লোহার আকরিক), বক্সাইট (অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক), গ্যালেনা (সীসার আকরিক) ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনিজ ও আকরিকের মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ-

খনিজআকরিক
১. সকল আকরিক খনিজ১. সকল খনিজ আকরিক নয়।
২. খনিজ হলো প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যেকোনো পদার্থ,২. আকরিক হলো সেই খনিজ যা থেকে লাভজনকভাবে ধাতু নিষ্কাশন করা যায়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাই খনি। খনি থেকে বিভিন্ন ধরনের খনিজ, ধাতু, পাথর এবং জ্বালানি নিষ্কাশন করা হয়। এই নিষ্কাশিত পদার্থগুলো শিল্প, নির্মাণ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মানুষ প্রাচীনকাল থেকেই খনি থেকে বিভিন্ন মূল্যবান পদার্থ সংগ্রহ করে আসছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠে বা ভূগর্ভে কোনো কোনো শিলাস্তূপে প্রচুর পরিমাণে যৌগ অথবা মুক্ত মৌল হিসেবে যেসব মূল্যবান ধাতু ও অধাতু পাওয়া যায় এদেরকে খনিজ বলে। সকল খনিজ থেকে ধাতু লাভজনকভাবে নিষ্কাশন করা যায় না। শুধুমাত্র যেসব খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, তাদেরকেই আকরিক বলে। অর্থাৎ সকল খনিজ আকরিক নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পদ্ধতিতে আকরিক থেকে ধাতু সংগ্রহ করা হয় তকে বলে ধাতু নিষ্কাশন। এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত কয়েক ধাপে সম্পন্ন হয়। ধাতু নিষ্কাশন শিল্প ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখান থেকে পাওয়া ধাতু দিয়েই আমরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম এবং গৃহস্থালির সামগ্রী তৈরি করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধাতুর নিষ্কাশন প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা থাকার মূল কারণ হলো ধাতুগুলোর ভিন্ন ভিন্ন রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্য। একটি ধাতু অন্য একটি ধাতুর থেকে অনেক আলাদা হতে পারে, যেমন তাদের গলনাঙ্ক, রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষমতা, আকরিকের সাথে যুক্ত অপদ্রব্যের ধরন ইত্যাদি। এই ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন ধাতুকে আকরিক থেকে পৃথক করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া ব্যবহার। করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতুর আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। ধাপগুলো হলো:
(i) আকরিককে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা
(ii) আকরিক এর ঘনীকরণ
(iii) ঘনীকৃত আকরিককে অক্সাইডে রূপান্তর
(iv) ধাতব অক্সাইডকে মুক্ত ধাতুতে রূপান্তর
(v) ধাতু বিশুদ্ধিকরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু নিষ্কাশন এর জন্য প্রথম ধাপে আকরিককে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা। আকরিক যদি বড় এবং কঠিন শিলা হয় তবে এই কঠিন শিলাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হয়। প্রথমে শিলাখন্ডকে জো ক্রাশারের সাহায্যে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করা হয় এবং তারপর রল ক্রাশারের সাহায্যে আকরিকের ছোট ছোট টুকরাকে মিহি দানায় বা পাউডারে পরিণত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিচূর্ণিত আকরিকের মধ্যে মাটি, বালি, পাথর, চুনাপাথর এবং কতিপয় অধাতু ভেজাল হিসাবে থাকে, যাদেরকে খনিজমল বলে। যেমন, বক্সাইট আকরিককে খনি থেকে তোলার সময় বক্সাইট আকরিকের সাথে খনিজমল হিসেবে রালি মিশ্রিত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিলাস্তূপে প্রচুর পরিমাণে যৌগ বা মুক্ত মৌল হিসাবে মূল্যবান ধাতু বা অধাতু পাওয়া যায়। এ বিশাল শিলাখন্ড ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় রূপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ধাতু নিষ্কাশন করা হয়। শিলাস্তূপ থেকে অপদ্রব্যসহ প্রাপ্ত ধাতুকে ধাতুমল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অক্সাইড আকরিকগুলোকে হাইড্রোলাইটিক পদ্ধতিতে ঘনীকরণ করা হয়। এই পদ্ধতিতে আকরিকের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত করা হয়। এতে ভারী আকরিক ঘনীভূত হয়ে খাঁজের মধ্যে পড়ে থাকে এবং হালকা খনিজমলসমূহ পানির প্রবাহে ধৌত হয়ে চলে যায়। এভাবে আকরিক থেকে খনিজমলসমূহ চলে যাবার পর আকরিক গাঢ় হয়'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফাইট আকরিকের ঘনীকরণের জন্য তেলফেনা ভাসমান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে বড় ট্যাংকে পানি ও তেলের মিশ্রণে আকরিক যোগ করা হয়। এরপর এই মিশ্রণের মধ্যে বায়ুপ্রবাহ চালনা করলে সালফাইড আকরিকগুলো তেলে দ্রবীভূত হয় এরং ফেনার আকারে ভেসে উঠে। ফেনাসহ আকরিক পৃথক করে নেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চুম্বকীয় পৃথকীকরণের মাধ্যমে রুটাইল এর ঘনীকরণ করা হয়। বুটাইল (TiO2) চুম্বক স্বারা আকর্ষিত হয়। তাই আকরিকের চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করা হলে তা খনিজমল থেকে পৃথক হয়ে যায়। ফলে রুটাইলের ঘনীকরণ সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চূর্ণ বিচূর্ণ বক্সাইট আকরিককে NaOH যোগে 1500 °C -2000 °C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হলে বক্সাইট দ্রবীভূত হয়ে যায়।

Al2O3 + 2NaOH1500 °C 2NaAlO2 + H2O

উৎপন্ন NaAlO2 কে পরিশ্রুত পানি যোগে উত্তপ্ত করলে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রাক্সাইড অধঃক্ষিপ্ত হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড অ্যালুমিনায় রূপান্তরিত হয়।

NaAlO2 + 2H2OAl(OH)3 + NaOH

2Al(OH)3Al2O3 + 3H2O

              অ্যালুমিনা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Na ধাতু নিষ্কাশনে NaCl এর সাথে CuCl2এর মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। কারণ NaCl এর গলনাঙ্ক 815 °C। এতো উচ্চ তাপমাত্রায় উৎপন্ন Na ধাতু (স্ফুটনাঙ্ক 883 °C) বাষ্পীভূত হয়ে থাকে। তাই NaCl এর সাথে বিগালকরূপে CaCl2 মিশ্রিত করলে 600 °C তাপমাত্রায় NaCl এর বিগলিত তরল উৎপন্ন হয়। ফলে বিভিন্ন অসুবিধা দূর হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় আকরিককে বায়ুর উপস্থিতিতে গলনাঙ্কের চেয়ে নিম্ন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয় তাকে তাপজারণ বলে। ফলে আকরিক জারিত হয়ে ঐ ধাতুর অক্সাইডে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে খনিজমল সাধারণত উদ্বায়ী অক্সাইডৰূপে দূরীভূত হয়। সাধারণত সালফাইড আকরিকের তাপজারণ করা হয়।

2ZnS +302Δ2ZnO + 2SO2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভস্মীকরণ: যে প্রক্রিয়ায় কোনো আকরিককে বায়ুর অনুপস্থিতিতে উত্তপ্ত করা হয়, তাকে বলে ভস্মীকরণ। এর ফলে জৈব উপাদান ও জলীয় বাষ্প দূর হয়।
তাপজারণ: যে প্রক্রিয়ায় কোন চূর্ণীকৃত আকরিককে অতিরিক্ত বায়ুর উপস্থিতিতে এমন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়, যাতে আকরিক গলে না কিন্তু বায়ুর অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়, তাকে তাপজারণ বলে। এর ফলে আকরিকে বিদ্যমান উদ্বায়ী পদার্থসমূহ দূরীভূত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত সালফাইড আকরিকের তাপজারণ করা হয়। সালফাইড আকরিককে গলনাঙ্কের চেয়ে কম তাপমাত্রায় বাতাসের উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করা হয়। এর ফলে সালফাইড, ফসফরাস, আর্সেনিক ইত্যাদি উদ্বায়ী খনিজমল অক্সাইড হিসেবে দূরীভূত হয়।  2PbS+302Δ2PbO+2SO2

2ZnS +3O2Δ2ZnO +2SO2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Ph ধাতুর আকরিক গ্যালেনা (PbS) এর ক্ষেত্রে তাপজারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য। কারণ কেবলমাত্র সালফাইড আকরিকের তাপজারণ হয়। AI ধাতুর আকরিক বক্সাইট (Al2O3.2H2O)-এ সালফার নেই। অপরদিকে গ্যালেনা (PbS) আকরিকে সালফার (S) থাকায় এই সালফাইড আকরিককে বায়ুপ্রবাহের উপস্থিতিতে গলনাঙ্ক তাপমাত্রার নিম্ন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালামাইন হলো জিংকের আকরিক। এর সংকেত ZnCO3 একে অক্সাইডে রূপান্তরের জন্য ঘনীভূত করে গলনাংকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় বায়ুর অনুপস্থিতিতে উত্তপ্ত করা হয়। ফলে কার্বনেট কার্বন ডাইতাক্সাইড হিসেবে দূরীভূত হয়ে ক্যালামাইন জিংক অক্সাইডে পরিণত হয়।

ZnCO3ZnO + CO2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু নিষ্কাশনের সক্রিয়তা সিরিজ একটি ধাতুকে তার যৌগ থেকে মুক্ত করার সহজতা নির্দেশ করে। সক্রিয়তা সিরিজের উপর ভিত্তি করে কোন ধাতুকে কোন পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা যাবে তা নির্ধারণ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, সিরিজের উপরের দিকে থাকা ধাতুগুলোকে সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয় এবং নিচের দিকে থাকা ধাতুগুলোকে কার্বন দিয়ে বিজারিত করে নিষ্কাশন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সক্রিয়তার ক্রম অনুযায়ী যে ধাতুর অবস্থান যত উপরে তা ততোধিক শক্তিশালী। সক্রিয়তার ক্রম অনুযায়ী জিংকের অবস্থান কপার ধাতুর উপরে। তাই জিংক কপারের চেয়ে অধিক সক্রিয়। এ কারণে জিংক লবণের দ্রবণে কপার ধাতু যোগ করা হলে তা জিংককে প্রতিস্থাপন করতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালুমিনা বা বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের (Al2(O)3 গলনাঙ্ক 2050°C'। এর সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণে ক্রায়োলাইট (Na3AlF)6 মেশালে মিশ্রণটির গলনাঙ্ক 800-1000°C তাপমাত্রায় মধ্যে হয়। এ বিষয়টি বিবেচনা করে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশনের সহজ কৌশল অবলম্বনের জন্য ক্রায়োলাইট ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

AICI3, থেকে AI নিষ্কাশন করা যায় না এর কারণ: অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর ক্লোরাইড দু ধরনের হয়; যেমন, পানিযুক্ত ও পানি শূন্য। পানিযুক্ত অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AICI36H2O) কে উত্তপ্ত করলে তা গলে না। বরং বিয়োজিত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করে। অপরদিকে পানি শূন্য অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AICI3) কে উত্তপ্ত করলে ঊর্ধ্বপাতিত হয়, তরলে পরিণত হয় না। এ কারণে AICI3 থেকে AI নিষ্কাশন করা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব ধাতু, অধিক সক্রিয় তাদেরকে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না। প্রকৃতিতে এদের যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়। যেহেতু ক্যালসিয়াম সক্রিয় ধাতু, তাই একে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না বরং যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়। CaCO3, CaCl2, CaSO4ইত্যাদি হলো ক্যালসিয়ামের উল্লেখযোগ্য যৌগ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসিয়াম (Ca) ও পটাসিয়াম (K) অধিক সক্রিয় ধাতু হওয়ায় ইহা সহজেই বিভিন্ন মৌলের সাথে যুক্ত হয়ে এদের বিভিন্ন যৌগ গঠন করে। যেমন- C'a সালফারের সাথে বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম সালফাইড যৌগ উৎপন্ন করে। বিক্রিয়া: Ca + S→ CaS
তাই C'a ও K ধাতুকে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম খুবই সক্রিয় ধাতু। একে বায়ুতে উন্মুক্ত রাখলে তা বায়ুর অক্সিজেনের সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O) উৎপন্ন করে। সোডিয়াম অক্সাইড বাতাসের জলীয় বাষ্প এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে যথাক্রমে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও সোডিয়াম কার্বনেট উৎপন্ন করে। এ কারণে সোডিয়াম বায়ুতে উন্মুক্ত না রেখে কেরোসিনে ডুবিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যাগনেসিয়াম ধাতুকে তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিষ্কাশন করার প্রধান কারণ হলো এর উচ্চ রাসায়নিক সক্রিয়তা। ম্যাগনেসিয়াম অন্যান্য ধাতুর তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয়। ফলে, সাধারণ রাসায়নিক পদ্ধতিতে একে তার যৌগ থেকে পৃথক করা খুব কঠিন এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়। তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়াম আয়নকে ইলেকট্রন দিয়ে বিজারিত করে বিশুদ্ধ ম্যাগনেসিয়াম ধাতু পাওয়া সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজারণ পদ্ধতি সক্রিয়তা সিরিজে ধাতুর অবস্থানের উপর নির্ভর করে। সক্রিয়তা সিরিজে মাঝের দিকে অবস্থিত মধ্যম সক্রিয় ধাতুসমূহকে কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয়। লেড মধ্যম সক্রিয় ধাতু হওয়ার কারণে কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে বিজারিত করে নিষ্কাশন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেন অথবা তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল বা মূলকের অপসারিত হওয়াকে বিজারণ বলে। আবার, বিক্রিয়ক কর্তৃক ইলেকট্রন গ্রহণ করাকেও বিজারণ বলে।

বিক্রিয়া PbO + C  Pb + CO; এখানে C, Pb কে বিজারিত করেছে।

অথবা Pb2 + 2c-Pb

অর্থাৎ, লেড আয়ন তথা Pb2+ আয়নের বিজারণ ঘটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইটে বিদ্যমান Al2O3; একটি উভধর্মী অক্সাইড আর ভেজালগুলো ক্ষারীয়। ভেজালগুলো থেকে Al2O3 কে আলাদা করার জন্যে NaOH ব্যবহার করা হয় যেন Al2O3 এর সাথে NaOH বিক্রিয়া করে দ্রবণীয় সোডিয়াম অ্যালুমিনেট গঠন করলেও ভেজালগুলোর কোনো পরিবর্তন হয় না। এর ফলে ফিল্টার করে খুব সহজে ভেজাল দূর করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্বন একটি মধ্যম শক্তির বিজারক। কার্বন বিজারণ দ্বারা জিংকের উপরের ধাতুসমূহের লবণের বিজারণ সম্ভব নয়, কেননা এরা নিজেরাই কার্বন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী বিজারক। সক্রিয়তা সিরিজে Al ধাতু Zn এর উপরে অবস্থিত এবং AI ধাতু কার্বন অপেক্ষা শক্তিশালী বিজারক। তাই কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে AI ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু নিষ্কাশনে অ্যানোডে জারণ ও ক্যাথোডে বিজারণ সংঘটিত হয়। ধাতব আয়নগুলো ধনাত্মক চার্জ যুক্ত। তাই এগুলো ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত ক্যাথোডের দিকে ধাবিত হয় এবং ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতুতে পরিণত হয়। যেমন, Al2O2 থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাশনে ক‍্যাথোডে বিক্রিয়া- Al3+ + 3e- Al

তাপরদিকে আকরিকের ঋণাত্মক অংশ অ্যানোডের দিকে যায় এবং অ্যানোডে ইলেকট্রন বর্জন করে। যেমন- O2-O+2e-O+O=O2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সক্রিয়তা সিরিজে অবস্থিত নিচের দিকে অবস্থিত কম সক্রিয় ধাতুসমূহের অক্সাইড এর ক্ষেত্রে কোনো বিজারক যোগ না করে শুধু উত্তপ্ত করেও বিজারণ ঘটানো হয়, এটিই হচ্ছে স্ববিজারণ। Cu, Hg, Ag ধাতুসমূহ নিষ্কাশনে এ পদ্ধড়ি ব্যবহার করা হয়। যেমন   HgS + O2 Hg(/) + SO2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপার পাইরাইটস (CuFeS2) আকরিক হতে কপার নিষ্কাশন কষ্টকর। কারণ-

১. কপার পাইরাইটস একটি নিম্নমানের আকরিক। এতে আকরিকের সম্পূর্ণ ভরের মাত্র 2-3% কম্পার থাকে।
২. তাপজারণে উৎপন্ন FeO কে সিলিকা (SiO2)এর সাথে বিক্রিয়া ঘটিয়ে ফেরাস সিলিকেট (FcSiO3) ধাতুমলরূপে অপসারণ করা হয়। সমস্ত FeS এরূপে অপসারণ করতে প্রক্রিয়াটি জটিল হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতুর আকরিকের সাথে কিছু পরিমাণ খনিজমল থাকে, এই খনিজমল দূর করার জন্য আকরিকের সাথে ফ্লাক্স বা বিগালক যোগ করা হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় আকরিকের ধাতব অক্সাইড বিজারিত হয়ে ধাতু মুক্ত হয় এবং ফ্লাক্স খনিজমলের সাথে যুক্ত হয়ে ধাতুমল উৎপন্ন করে। ধাতুমল গলিত ধাতুতে দ্রবীভূত হয় না। অপেক্ষাকৃত হালকা বলে ধাতুমল সহজেই গলিত ধাতু থেকে পৃথক করা যায়। এ প্রক্রিয়াকেই হচ্ছে বিগলন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকরিক থেকে খনিজমল দূর করার জন্য আকরিকের মধ্যে যে পদার্থ যোগ করা হয় তাদের ফ্লাক্স বলা হয়। ফ্লাক্স খনিজে অবাঞ্ছিত পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে একটি স্লাগ তৈরি করে, যা. গলিত ধাতুর চেয়ে হালফা হয় এবং পৃষ্ঠে ভেসে ওঠে। ফলে স্লাগকে সহজেই গলিত ধাতু থেকে পৃথক করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, সিলিকা (SiO2) একটি সাধারণ ফ্লাক্স, যা ধাতুর অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে সিলিকেট তৈরি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহার করে খনিজমল দূর করা হয়। আয়রন আকরিকের সাথে যোগকৃCaCO3 (900-1000) °C

তাপমাত্রায় বিয়োজিত হয়ে CaO  CO2 উৎপন্ন করে। উৎপন্ন চুন (CaO) খনিজমল SiO2এর সাথে যুক্ত হয়ে ধাতুমল CaSiO3 উৎপন্ন করে।

বিক্রিয়া CaCO3 (900-1000) °CCaO + CO2 CaO + SiO2 CaSiO3

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু বিশোধন প্রক্রিয়ায় অশুদ্ধ ধাতুর একটি পাতকে অ্যানোড এবং বিশুদ্ধ ধাতুর একটি পাতকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় পাতকে একটি উপযুক্ত ইলেকট্রোলাইট দ্রবণে ডুবিয়ে রাখা হয়। তড়িৎ প্রবাহ প্রয়োগ করলে, অশুদ্ধ ধাতুর পাত থেকে ধাতু আয়ন দ্রবণে মুক্ত হয় এবং বিশুদ্ধ ধাতুর পাতে জমে। এইভাবে অশুদ্ধ ধাতুকে বিশুদ্ধ করা হয়-।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহার প্রধান আকরিকগুলোর নাম ও সংকেত:

আকরিকের নামসংকেত
ম্যাগনেটাইটFe3O4
হেমাটাইটFe2O3
লিমোনাইটFe2O3.3H2O
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নে চারটি আকরিকের নাম ও সংকেত উল্লেখ করা হলো:

আকরিকের নামসংকেত
জিংক ব্লেন্ডZnS
গ্যালেনাPbS
চালকোসাইটCu2S
ক্যালামাইনZnCO3
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কতগুলো ধাতুকে একত্রে গলানোর পর গলিত মিশ্রণকে ঠান্ডা করলে যে ধাতু মিশ্রণ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সংকর ধাতু। এ সংকর ধাতুগুলো মূল ধাতুগুলোর চেয়ে শক্ত, স্থিতিস্থাপক বা অন্যান্য উপকারী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ: ইস্পাত, পিতল, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি সংকর ধাতু। ইস্পাত হলো লোহা ও কার্বনের মিশ্রণ, পিতল হলো তামা ও দস্তার মিশ্রণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো গরম গলিত ধাতুর মধ্যে অন্য কোনো গরম গলিত ধাতু বা অধাতু মিশিয়ে সেই মিশ্রণকে ঠান্ডা করলে যে কঠিন পদার্থ পাওয়া যায় তাকে সংকর ধাতু বলে। যেহেতু 65% কপার ও 35% জিংককে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে ধাতু সংকর পিতল (ব্রাস) তৈরি করা হয়েছে; তাই পিতল একটি সংকর ধাতু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গলিত অবস্থায় একাধিক ধাতুর মিশ্রণে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। ধাতুর কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য সংকর ধাতু তৈরি করা হয়.। কপারের উপযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এর সাথে জিংক মিশিয়ে পিতল বা ব্রাস তৈরি করা হয়। এজন্য ব্রাসকে কপারের সংকর ধাতু বলা হয়।
এতে কপারের পরিমাণ 65% ও জিংকের পরিমাণ 35%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শুদ্ধ সোনা খুব নরম হওয়ায় এটি দিয়ে গহনা তৈরি করা কঠিন এবং ব্যবহারিক নয়। তাই গহনা তৈরিতে সাধারণত শুদ্ধ সোনার সাথে অন্য ধাতু যেমন তামা, নিকেল বা রূপা মিশিয়ে একটি সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। সংকর ধাতু তৈরির ফলে সোনা আরও শক্তিশালী, টেকসই এবং বিভিন্ন রঙের হয়ে ওঠে। তাই গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত স্বর্ণ আসলে একটি সংকর ধাতু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সংকর ধাতু আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইস্পাতকে ছুরি, কাঁটা চামচ, পাকঘরের সিঙ্ক, রসায়ন শিল্পের বিক্রিয়া পাত্র, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। পিতলকে অলংকার, বৈদ্যুতিক সুইচ, দরজার হাতল ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ব্রোঞ্জকে মূর্তি এবং অন্যান্য শিল্পকর্ম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেইনলেস স্টিল তথা মরিচাবিহীন ইস্পাত হলো একটি সংকর ধাতু। এতে 74% Fe, 18% Cr ও ৪% Ni বিদ্যমান। এর মধ্যে নিকেল স্টিলের কাঠিন্য বৃদ্ধি করে এবং ক্রোমিয়াম মরিচা প্রতিরোধ করে। এটি ছুরি, কাটা চামচ, পাকা ঘরের সিঙ্ক, রসায়ন শিল্পের বিক্রিয়া পাত্র, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহা কিছুদিন মুক্ত বাতাসে থাকলেই এর উপর মরিচা ধরে। এতে লোহা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ব্যবহার উপযোগিতা হারায়। অন্যদিকে স্টেইনলেস স্টিলে লোহার সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মেশানো থাকে। এক্ষেত্রে নিকেল স্টিলের কাঠিন্য বাড়ায় ও ক্রোমিয়াম স্টিলকে মরিচারোধী করে তোলে। ফলে স্টেইনলেস স্টিল অত্যন্ত ব্যবহার উপযোগী হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেইনলেস স্টিল হলো একটি সংকর ধাতু। এর প্রধান উপাদান হলো লোহা, ক্রোমিয়াম, নিকেল। এটি ছুরি, কাটাডামচ, রান্না ঘরের জিনিসপত্র, রসায়ন শিল্পের বিক্রিয়া পাত্র, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রাশ হলো 65% কপার ও 35% জিংক ধাতৃদ্বয়ের সংকর।
তাহলে, 100g ব্রাশে কপার থাকে = 65 g

35 g ব্রাশে কপার থাকে = 65 × 35100g 22.75 g

সুতরাং, 35 g ব্রাশ-এ কপারের পরিমাণ 22.75 g।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিতলে মূলত কপার ও জিংক 65: 35 অনুপাতে মিশ্রিত থাকে।

তাহলে 100g পিতলে জিংক থাকে 35 g

35g পিতলে জিংক থাকে 35 × 35100g 12.75 g

সুতরাং, 35g পিতলে জিংক এর পরিমাণ 12.25 g।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডুরালমিনের ধাতসমূহের সংযুতি:
অ্যালুমিনিয়াম → 95%
কপার → 4%
ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও লোহা 1%

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মরিচা হলো লোহা বা লোহাযুক্ত পদার্থের উপর জারণের ফলে সৃষ্ট একটি লালচে বাদামি রঙের আবরণ। বাতাসের আর্দ্রতা ও অক্সিজেনের সাথে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটলে এই মরিচা সৃষ্টি হয়। মরিচা পড়া এক ধরনের জারণ প্রক্রিয়া এবং এটি লোহার শক্তি কমিয়ে দেয় এবং পদার্থটিকে দুর্বল করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাম্রমল হলো তামার উপর সবুজ বা নীল রঙের একটি আবরণ, যা সাধারণত আর্দ্র পরিবেশে তামার সাথে বাতাসের বিক্রিয়ায় তৈরি হয়। তাম্রমলের রাসায়নিক সংকেত হলো CuCO3. Cu(OH)2 l পরিবেশের অ্যাসিডের উপস্থিতি, আর্দ্রতা এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণের উপর নির্ভর করে তাম্রমলের রং এবং গঠন পরিবর্তিত হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাম্রমলের নির্দিষ্ট সংকেত না থাকার কারণ হলো এর গঠন পরিবেশের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। যেমন- কোনো কোনো তাম্রমলে কিউপ্রাস অক্সাইড (Cu2O), আবার কোনো তাম্রমলে চালকোসাইট (Cu2S) উপস্থিত থাকে। পরিবেশভেদে তাম্রমলে বিভিন্ন অনুপাতে (CuCO3), এবং Cu(OH)2 এর মিশ্রণ থাকে। ফলে তাম্রমলের রাসায়নিক সংযোজন পরিবেশের উপর নির্ভর করে বিধায় এর নির্দিষ্ট সংকেত দেওয়া সম্ভব নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুতে উন্মুক্ত রেখে, তামার উপর একটা সবুজ রঙের আবরণ তৈরি হয়, যাকে তাম্রমল বলে। এই তাম্রমল আসলে এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা তামাকে বাতাসের সংস্পর্শ থেকে বিরত রেখে আরও ক্ষয় হওয়া রোধ করে। তাই বলা যায়, তামা বাতাসে উন্মুক্ত থাকলেও তাম্রমলের কারণে এটি দীর্ঘ সময় টিকে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিতলের প্রধান উপাদান তামা। পিতলের তৈরি সামগ্রী ফেলে রাখলে এতে সবুজ বর্ণের আবরণ সৃষ্টি হয়, যাকে বলে তাম্রমল। তাম্রমল সাধারণত কপার (11) কার্বনেট এবং কপার (II) হাইড্রক্সাইডের মিশ্রণ [CuCO3. Cu(OH)2। সুতরাং, তাম্রমলের কারণে পিতলের তৈরি সামগ্রী ফেলে রাখলে এতে সবুজ বর্ণের আবরণ সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু সংকর যখন বায়ুমন্ডলে থাকে তখন ধাতুসমূহ জারণ ক্রিয়ায় ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। আবার, ধাতু যে ইলেকট্রন ত্যাগ করে বায়ুমণ্ডলের কোনো উপাদান বিজারণ প্রক্রিয়ার সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। অতঃপর ধনাত্মক আয়ন এবং ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে বিক্রিয়ায় একটি যৌগ তৈরি হয়। নতুন যৌগটি রূপান্তরিত হয় বা অন্যান্য যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে। এভাবে ধাতু বা সংকর ধাতু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তামা ও পিতলের তৈরি জিনিসপত্র কিছুদিন অপরিষ্কারভাবে থাকলে এর উপর সবুজ বর্ণের তাম্রমলের আবরণ সৃষ্টি হয়। তাম্রমল সাধারণত কপার (II) কার্বনেট ও কপার (11) হাইড্রোক্সাইডের মিশ্রণ [CuCO3. Cu(OH)2]। এটি জৈব এসিডে দ্রবীভূত হয়। তেঁতুল একটি জৈব এসিড সমৃদ্ধ ফল। এজন্য অপরিষ্কার তামা ও. পিতলের জিনিসপত্র হতে তাম্রমল অপসারণের জন্য তেঁতুল ব্যবহার করা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহাকে বায়ুতে মুক্ত অবস্থায় রেখে দিলে অক্সিজেন ও জলীয়বাষ্পের সাথে এটি বিক্রিয়া করে আয়রনের অক্সাইড বা মরিচা (Fe2O3.nH2O) উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে লোহার ধর্ম হতে মরিচার ধর্ম সম্পূর্ণ পৃথক। কাজেই লোহার উপর, মরিচা পড়া একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

বিক্রিয়া 4Fe + 6H2O +3O2 4Fe(OH)3

2Fe(OH)3-H2OFe2O3.nH2O

                                        মরিচা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে কোনো ধাতুর উপর জিঙ্কের (Zn) প্রলেপ দেওয়াকে বলে গ্যালভানাইজিং। এই পদ্ধতিতে লোহা বা ইস্পাতের উপর দস্তারের একটি পাতলা আবরণ তৈরি করা হয়। এই দস্তারের আবরণ লোহাকে অক্সিজেন এবং আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয় এবং ফলে মরিচা সৃষ্টি হতে বাধা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে কোনো ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে একটি ধাতুকে অন্য ধাতুর আয়ন দিয়ে আবৃত করা হয়। ইলেকট্রোপ্লেটিং এর মাধ্যমে ধাতুকে সুন্দর দেখানো, মরিচা থেকে রক্ষা করা এবং অন্যান্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রদান করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানাইজিং এবং ইলেকট্রোপ্লেটিং মূলত ধাতুকে মরিচা থেকে রক্ষা করার জন্য করা হয়। এছাড়াও প্রক্রিয়াগুলো ধাতুকে সুন্দর -দেখানো, ধাতুর স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা এবং অন্যান্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, গাড়ি, পাইপ, এবং অন্যান্য লোহার বস্তুকে মরিচা থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যালভানাইজিং করা হয়। আর জুয়েলারি, হার্ডওয়‍্যার এবং ইলেকট্রনিক্সের বিভিন্ন অংশকে সুন্দর দেখানো এবং তাদের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত লোহার তৈরি জিনিসে সহজেই মরিচা ধরে ও সে কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ঘড়ির চেইন সাধারণত লোহা দিয়ে তৈরি হয়। এই লোহা যাতে বাতাসের সংস্পর্শে এসে মরিচা ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে না পারে সেজন্য লোহার চেইনের ওপর ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয়। তখন দেখতেও চকচকে লাগে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিত্যক্ত অব্যবহৃত ধাতব আবর্জনাকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী ধাতুতে পরিণত করার প্রক্রিয়াকেই বলে ধাতু পুনঃ প্রক্রিয়াজাতকরণ। প্রতিটি খনিজ পদার্থই সসীম। বর্তমান হারে ধাতু ব্যবহার করতে থাকলে এ পর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত ধাতুর খনিজ আগামী 120 - 150 বছরে শেষ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে ধাতু পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ প্রক্রিয়ায় ধাতুকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তুললে এ সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফারের ব্যবহার:

১. সালফিউরিক এসিড প্রস্তুতিতে সালফার ব্যবহার করা হয়।
২. রাবারকে টেকসই করার জন্ন রাবারের মধ্যে সালফার যোগ করা হয়। একে রাবারের ভলকনাইজিং বলে।
৩. সালফানাইড দ্বারা বিভিন্ন প্রকার ওষুধ তৈরি করা হয়। সালফানাইড ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। সালফানাইড প্রস্তুতিতে সালফার ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিঁয়াজে সালফারের প্রোপাইল যৌগ বিদ্যমান। পিঁয়াজ কাটার সময় এ প্রোপাইল যৌগ বিযোজিত হয়ে সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2) উৎপন্ন করে, যা চোখের পানির সংস্পর্শে সালফিউরাস এসিডে (H2SO3) পরিণত হয়।

বিক্রিয়া SO2+ H2O  H2SO3 উৎপন্ন সালফিউরাস এসিডের কারণেই চোখ জ্বালা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

SO2 এর সাথে H2O এর সংস্পর্শ ঘটলে H2SO4 তৈরি হবে। কিন্তু SO3, এর সাথে সরাসরি H2O বিক্রিয়ায় বাষ্পীয় H2SO4তৈরি. হয়, যা ঘন কুয়াশার মতো অবস্থা তৈরি করে। এতে শিল্পকারখানায় কাজের অসুবিধা হয়। এছাড়া এই বাষ্পীয় H2SO4কে ঘনীভূত করে তরল H2SO4এ পরিণত করা কঠিন। এই কারণে পানিতে SO3 মিশ্রিত করে সালফিউরিক এসিড H2SO4 প্রস্তুত করা হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

SO3 কে প্রথমে গাঢ় H2SO4 এর মধ্যে শোষণ করিয়ে ধূমায়মান সালফিউরিক এসিড তৈরি করা হয়। এই ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে অলিয়াম বলে। এর সংকেত H2S2O7 | অলিয়ামকে পানির সাথে মিশ্রিত করে বিভিন্ন ঘনত্বের সালফিউরিক এসিড তৈরি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লঘু বা গাঢ় H2SO4 এসিড ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি তৈরি করে। একে H2SO4 এর এসিড ধর্ম বলে। যেমন: সালফিউরিক এসিড ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম সালফেট লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে।

H2SO4 + Ca(OH)2      CaSO4           + 2H2O

                                                 ক্যালসিয়াম সালফেট        পানি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তপ্ত অবস্থায় গাঢ় সালফিউরিক এসিড (H2SO4) কার্বন বা সালফারকে জারিত করে যথাক্রমে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) বা সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাসে পরিণত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
অর্থাৎ এই বিক্রিয়ায় সালফিউরিক এসিড জারক হিসেবে ক্রিয়া করে।

বিক্রিয়া: C+H2SO42SO2  + CO2 + 2H2O

S + H2SO43SO2 + 2H2O

 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাঢ়  H2SO4একটি নিরূদক। আমরা জানি, যে সকল পদার্থ অন্য পদার্থ হতে পানি অপসারণ করে নিজে তা শোষণ করে নেয় তা হলো নিরূদক।

সমীকরণ:  H2SO4 + CH3CH2OH CH2=CH2+H2SO4. H2O

ব্যাখ্যা: ইথানল হতে H2SO4পানি শোষণ করে নেয়। তাই গাঢ় H2SO4 নিরূদক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির উপরিভাগে বা মাটির তলদেশে যে সকল পদার্থ থেকে আমরা প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি যেমন- বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করে থাকি তাদেরকে খনিজ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা যায় সে সকল খনিজকে আকরিক বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা বিভিন্ন তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে নতুন ধরনের যে শিলা তৈরি হয় সেগুলোকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয়গিরি থেকে যে গলিত পদার্থসমূহের মিশ্রণ বের হয় তাকে ম্যাগমা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাই খনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যাগমা যখন ঠান্ডা হয়ে কঠিন পদার্থে পরিণত তখন তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া ও জলবায়ু ইত্যাদি পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টির পানি, বাতাস, কুয়াশা, ঝড় ইত্যাদির কারণে মাটির উপরিভাগের ভূত্বকের কাদামাটি, বালিমাটি ইত্যাদি ধুয়ে কোনো কোনো জায়গায় পলি আকারে জমা হয়ে পলির কণাগুলো বিভিন্ন স্তরে স্তরে সজ্জিত হয়ে যে শিলা তৈরি হয় তাকে পাললিক শিলা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের সময় আকরিকের সাথে আকরিক ব্যতীত অন্যান্য যেসব পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় থাকে, সেসব পদার্থকে খনিজমল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পদ্ধতিতে আকরিক থেকে ধাতু সংগ্রহ করা হয় তকে ধাতু নিষ্কাশন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালামাইন আকরিকের সংকেত হলো. ZnCO3

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইটের সংকেত হলো Al2O3.2H2O l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে অলিয়াম (H2S2O7) বলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওলিয়ামের সংকেত H2S2O7

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় ঘনীকৃত আকরিককে গলনাঙ্কের চেয়ে কম তাপমাত্রায় বায়ুর অনুপস্থিতিতে উত্তপ্ত করা হয় তাকে ভস্মীকরণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ তাপমাত্রায় কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে প্রাপ্ত ধাতুর মধ্যে দ্রবীভূত খনিজ মলকে অপসারণ করার জন্য যে পদার্থ যোগ করা হয় তাকে বিগালক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিমোনাইটের সংকেত হলো Fe2O33H2O l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিমোনাইটের সংকেত হলো  Fe2O33H2O
 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালুমিনিয়াম (AI) ধাতু নিষ্কাশনে ব্যবহৃত Na3AIF6 পদার্থ কে ক্রায়োলাইট বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকরিকসমূহকে বায়ুপ্রবাহের উপস্থিতিতে গলনাঙ্কের নিম্ন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে অক্সাইডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে তাপজারণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সক্রিয়তা সিরিজে অবস্থিত নিচের দিকে অবস্থিত কম সক্রিয় ধাতু Cu, Hg. Ag ধাতুসমূহের অক্সাইড এর ক্ষেত্রে কোনো বিজারক যোগ না করে শুধু উত্তপ্ত করেও বিজারণ ঘটানো হয়, এটিই হচ্ছে স্ববিজারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনি হতে সালফারকে ফ্লাশ পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকরিক থেকে খনিজমল দূর করার জন্য আকরিকের মধ্যে যে পদার্থ যোগ করা হয় তাদের ফ্লাক্স বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপার পাইরাইটের সংকেত: CuFeS2 l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চৌম্বক ধর্ম সম্বলিত দুটি আকরিক হলো বুটাইল (TiO2) ও উলফ্রামাইট (FeWO4)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্নালাইটের সংকেত: KCI MgCl2.6H2O.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপারের ১টি আকরিক এর নাম ও সংকেত চালকোসাইট (Cu2S)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আয়রন ধাতুর দুটি আকরিকের নাম ও সংকেত হলো-হেমাটাইট (F2O3) ও লিমোনাইট (Fe2O3. 3H2O) 1

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কতগুলো ধাতুকে একত্রে গলানোর পর গলিত মিশ্রণকে ঠান্ডা করলে যে ধাতু মিশ্রণ পাওয়া যায় তাকে সংকর ধাতু বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেইনলেস স্টিলের সংযুক্তি লোহা (Fe) 74%, ক্রোমিয়াম (Cr)- 18%, নিকেল (Ni)-৪%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মরিচাহীন ইস্পাত হলো লোহা (74%), ক্রোমিয়াম (18%) ও নিকেল (৪%) ধাতুর মিশ্রণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উড়োজাহাজের বডি তৈরিতে ডুরালুমিন সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরিত্যক্ত ধাতু থেকে আবার ব্যবহার উপযোগী ধাতুতে পরিণত করার পদ্ধতিকে ধাতু পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাম্রমল সাধারণত কপার (1) কার্বনেট এবং কপার (II) হাইড্রক্সাইডের মিশ্রণ [CuCO3, Cu (OH)2].

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে কোনো ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে কোনো ধাতুর উপর জিঙ্কের (Zn) প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিঁয়াজ কাটার সময় সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2) গ্যাসের উৎপত্তির দরুন চোখ জ্বালা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে অলিয়াম (H2S2O7) বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

SO3কে 98% H2SO4 শোষণ করলে উৎপন্ন এসিডকে (H2S2O7) ধূমায়মান সালফিউরিক এসিড বা অলিয়াম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু, অধাতু, উপধাতু বা তাদের যৌগ প্রকৃতির মাটি, পানি বা বায়ুমণ্ডল থেকে উৎস হতে সংগ্রহ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উল্লেখযোগ্য তরল খনিজ পেট্রোলিয়াম l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ্বের মধ্যপ্রাচ্যে অঞ্চলে পেট্রোলিয়ামের খনি রয়েছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উল্লেখযোগ্য সোনা ও হীরার খনিজ খনিজ দক্ষিণ আফ্রিকাতে রয়েছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন খনিজ পদার্থের মিশ্রিত কণা একত্রিত হয়ে শিলা গঠন করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিলা তিন প্রকার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত গলিত পদার্থের মিশ্রণকে ম্যাগমা  বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রাফাইট আগ্নেয় শিলা ধরনের শিলা l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনে পাললিক শিলা গঠিত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেলেপাথর পাললিক শিলা ধরনের শিলাl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কয়লা রূপান্তরিত শিলা শিলার অন্তর্গতl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির নিচে শিলা বিভিন্ন স্তরে সঞ্চিত ভাবে থাকেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাটির নিচে শিলা বিভিন্ন স্তরে সজ্জিত হয় মাধ্যাকর্ষণ বল, তাপ, চাপ এবং প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাকে খনি বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতু সংগ্রহ করা হয় তাকে আকরিক বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালেনা থেকে লেড (Pb) ধাতু নিষ্কাশন করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইট অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর আকরিক l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয় কাদামাটি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের নেত্রকোনার বিজয়পুরে অঞ্চলে কেউলিন খনিজ পাওয়া যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কক্সবাজারের বালিতে জিরকন খনিজ পাওয়া যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হ্যালোজেনসমূহের উৎস সমুদ্রের পানি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পদ্ধতিতে আকরিক থেকে ধাতু সংগ্রহ করা' হয় তাকে ধাতু নিষ্কাশন বলেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতুর ধর্ম কারণে বিভিন্ন ধাতুসমূহ একই পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয় না l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাটিনাম সাধারণত খনিতে বিশুদ্ধ অবস্থায় অবস্থায় পাওয়া যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের প্রধান ৫টি ধাপ রয়েছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতুর ধর্ম ভিত্তিতে ধাতু নিষ্কাশনের ধাপগুলো অনুসরণ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জো ক্রাশার যন্ত্রের সাহায্যে আকরিককে ছোট ছোট টুকরা করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বল ক্রাশার যন্ত্রের সাহায্যে আকরিককে মিহি দানায় বা পাউডারে পরিণত করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মূল ধাতু ব্যতীত আকরিকের সাথে মিশ্রিত থাকা পদার্থকে অপদ্রব্য বা খনিজমল বলেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইট আকরিকে বালি খনিজমল থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকরিকের ঘনীকরণ পদ্ধতিতে আকরিক থেকে খনিজমল দূর করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনিজমল বা আকরিক কোনটি চৌম্বক পদার্থ হলে তা চৌম্বকীয় পৃথকীকরণ পদ্ধতিতে পৃথক করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চৌম্বকধর্মবিশিষ্ট ২টি আকরিকের নাম ক্রোমাইট (FeO.Cr2O3) বুটাইল (TiO2)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড পেতে রাসায়নিক পদ্ধতি পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড পেতে রাসায়নিক পদ্ধতি পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্সাইটের সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় সোডিয়াম অ্যালুমিনেট (NaAlO2) যৌগ উৎপন্ন হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে 1100 °C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড পাওয়া যায়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ঘনীকৃত আকরিককে ধাতুর অক্সাইডে পরিণত করতে ভস্মীকরণ বা তাপজারণ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত সালফাইড আকরিকের তাপজারণ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পটাসিয়াম বা সোডিয়ামের অক্সাইড যৌগকে তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে বিজারণ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Zn বা Fe এর অক্সাইড যৌগকে কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে বিজারণ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Cu, Hg, Ag এর অক্সাইডকে স্ববিজারণ পদ্ধতিতে বিজারণ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের গলনাঙ্ক 2050 °Cl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের গলনাঙ্ক কমাতে এর মধ্যে কোন যৌগ যোগ করা ক্রায়োলাইট(Na3AlF6)l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রায়োলাইট যোগকরণে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের গলনাঙ্ক 800°C-1000 °C হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতব অক্সাইডের সাথে কার্বনকে উত্তপ্ত করে ধাতু নিষ্কাশনের পদ্ধতিকে কার্বন বিজারণ বলেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খনিজমল অপসারণের জন্য বিগালক পদার্থ যোগ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্ষারকীয় খনিজমলে বিগালক হিসেবে SiO2 যোগ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এসিডিক খনিজমলে বিগালক হিসেবে CaO যোগ করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজারণ প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত কপার ধাতু শতকরা 98% ভাগ বিশুদ্ধl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশোধন পদ্ধতিতে শতকরা 99.99% ভাগ বিশুদ্ধ কপার পাওয়া যায়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইডের গলনাঙ্ক 801 °Cl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

NaCl 40-42% এবং CaCl2 58-60% মিশ্রণের গলনাঙ্ক 600 °Cl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হেমাটাইটের সংকেত Fe2O3 l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালামাইনের সংকেত ZnCO3 l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিন্নাবার (HgS) মার্কারি ধাতুর আকরিক l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চালকোসাইটের সংকেত Cu2Sl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লিমোনাইট  (Fe2O3. 3H3O) আয়রন ধাতুর আকরিকl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসিয়ামের আকরিক চুনাপাথর (CaCO3)l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জিঙ্ক ব্লেন্ড এর সংকেত  ZnSl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একাধিক ধাতু মিশ্রিত অবস্থায় একত্রে থাকলে তাকে সংকর ধাতু বলেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাম্রযুগের সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব 5000-3000 পর্যন্ত ছিল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রোঞ্জ কপার ও টিন ধাতুর মিশ্রণে তৈরি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রোঞ্জ যুগের সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব 3000-1000 পর্যন্ত ছিল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহা এবং কার্বন মিশিয়ে স্টিল সংকর ধাতু তৈরি করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম ধাতুর মিশ্রণে স্টেইনলেস স্টিল তৈরি করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিতলের মূল উপাদান কপার ও জিঙ্ক l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপার ও-টিন মিশিয়ে কাঁসা বা ব্রোঞ্জ ধাতু তৈরি করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উড়োজাহাজের বডি তৈরিতে ডুরালমিন ধাতু সংকর ব্যবহৃত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টেইনলেস স্টিলে নিকেলের সংযুক্তি ৪% l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিতলে কপারের সংযুক্তি 65%

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডুরালমিনে অ্যালুমিনিয়ামের সংযুক্তি 95% l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেন্টিস্টিতে 24 ক্যারেট ক্যারেট স্বর্ণ ব্যবহৃত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

22 ক্যারেট স্বর্ণে স্বর্ণের সংযুক্তি 91.67%

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পিতলের প্রধান ধাতু কপার (65%)l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টিলের প্রধান ধাতু লোহা (99%)l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাইসাইকেলের পার্টস তৈরি ডুরালমিন ধাতু সংকর ব্যবহৃত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

21 ক্যারেট স্বর্ণে স্বর্ণের সংযুক্তি 87.5% l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

21 ক্যারেট স্বর্ণে কপারের সংযুতি 12.5%l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খোলা জায়গায় লোহার তৈরি জিনিসে বাদামি যে আস্তরণ পড়ে তাকে মরিচা বলেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মরিচার সংকেত Fe2O3. nH2Ol

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মরিচা তৈরি প্রক্রিয়া জারণ-বিজারণ ধরনের বিক্রিয়া l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঁসার তৈরি জিনিসপত্র দীর্ঘদিন পড়ে থাকলে এর উপর যে আস্তরণ পড়ে তাকে তামমল বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাম্রমলে Cu2O,Cu2S যৌগ থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাম্রমলের সংকেত নির্দিষ্ট কোনো সংকেত নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহায় মরিচা পড়ার জন্য বায়ুমণ্ডলের O2, H2Oউপাদান প্রয়োজন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অধিক সক্রিয় ধাতুর উপর ২ ভাবে সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ কতভাবে দেওয়া যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং মূলত তড়িৎ বিশ্লেষণ ধরনের প্রক্রিয়াl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং প্রক্রিয়ায় যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্ত  যুক্ত করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহার উপর কপারের প্রলেপ দেওয়ার জন্য কোষে CuSO2 দ্রবণ নেওয়া হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ধাতুর উপর জিঙ্ক ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতিতে পরিত্যক্ত ধাতুকে ব্যবহার, উপযোগী করা যায়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউরোপে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়ামের 60% ভাগ পুনঃপ্রক্রিয়াজাত এর মাধ্যমে তৈরিl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমেরিকায় ব্যবহৃত কপারের 21% ভাগ পুনঃপ্রক্রিয়াজাত এর মাধ্যমে তৈরি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফারের গলনাঙ্ক 115 °Cl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফারের বর্ণ কীরূপ হলুদ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্রাশ পদ্ধতি পদ্ধতিতে সালফারের খনি থেকে সালফার নিষ্কাশন করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুপার হিটেড ওয়াটারের তাপমাত্রা 100 °C-374 °Cl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্রাশ পদ্ধতিতে সালফার নিষ্কাশনে পাইপের ভিতরে 20-22 atm চাপে বাতাস প্রবাহিত করা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাবারকে টেকসই করার জন্য রাবারের মধ্যে সালফার (S) যোগ করা হয়?

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফানাইডের কাজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফানাইড দ্বারা ওষুধ তৈরি  তৈরি করা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালফারের সালফিউরাস এসিড(H2SO3) যৌগটি এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্পকারখানার স্পর্শ পদ্ধতি পদ্ধতিতে সালফিউরিক এসিড প্রস্তুত করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

SO2 থেকে SO3 প্রস্তুতিতে চুল্লির তাপমাত্রা 450-550 ° থাকেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

SO2থেকে SO3 প্রস্তুতিতে প্রভাবক ভ্যানাডিয়াম পেন্টাঅক্সাইড l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে অলিয়াম বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অলিয়ামের সংকেত H2S2O7l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে পদার্থ কোনো যৌগ থেকে পানি শোষণ করে তাকে নিরুদক বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি শোষণ করার ধর্মকে নিরুদন ধর্ম বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চিনির সংকেতC12H22O11l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
71

টিন, লোহা, তামা, সোনা, চিনামাটির তৈরি থালাবাসন, প্রাকৃতিক গ্যাসসহ হাজার হাজার প্রয়োজনীয় সামগ্রী আমরা পারিবারিক জীবন, শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে আসছি। এগুলো মৌলিক, যৌগিক বা বিভিন্ন মৌল ও যৌগের মিশ্রণ হতে পারে। এদের মধ্যে অনেক পদার্থ খনি থেকে পাওয়া যায়। খনিজ সম্পদ কী? কীভাবে খনি থেকে ধাতু ও অধাতু পাওয়া যায়? আবার সেগুলোকে কীভাবে সংরক্ষণ করা যায় বা এগুলো থেকে কীভাবে অন্য কোনো প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরি করা যায় সেগুলো নিয়েই এ অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা
 

  • খনিজ সম্পদের ধারণা দিতে পারব।
  • শিলা, খনিজ ও আকরিকের মধ্যে তুলনা করতে পারব।
  • ধাতুসমূহের নিষ্কাশনের উপযুক্ত উপায় নির্ধারণ করতে পারব।
  • ধাতুসংকর তৈরির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • সালফারের উৎস এবং এদের কতিপয় প্রয়োজনীয় যৌগ প্রস্তুতের বিক্রিয়া, রাসায়নিক ধর্মের বর্ণনা এবং গৃহে, শিল্পে ও কৃষিক্ষেত্রে তা ব্যবহারের পুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • খনিজ দ্রব্যের সসীমতা, যথাযথ ব্যবহার ও পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • খনিজ দ্রব্যের ব্যবহারে সতর্কতা এবং সংরক্ষণে আগ্রহ প্রদর্শন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

তাপজারণ মূলত একটি রাসায়নিক গাঢ়ীকরণ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ধাতুর সালফাইড আকরিককে বায়ুর উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করে ধাতব অক্সাইডে পরিণত করা হয়।

গাঢ়ীকৃত জিংক ব্লেন্ডকে 900°C তাপমাত্রায় তাপজারণ করা হয়। ফলে জিংক অক্সাইড উৎপন্ন হয়।

বিক্রিয়া : 2ZnS(s) + 3O2(g) 2ZnO(s) + 2SO2(g)

307
উত্তরঃ

ক্যালমাইনের তাপজারণে উৎপন্ন জিংক অক্সাইড ZnO, কে কোক কার্বনের সাথে মিশ্রিত করে চীনা মাটির তৈরি রিটর্টে নেয়া হয়। উক্ত মিশ্রণকে জ্বালানি গ্যাসের সাহায্যে 1350°C তাপমাত্রায় 24 ঘন্টা যাবৎ উত্তপ্ত করা হয়। জিংক অক্সাইড কার্বন দ্বারা বিজারিত হয়ে জিংক ধাতুর বাষ্প এবং কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয়।

Zno(s) + C(s) Zn(s) + CO(g)

উৎপন্ন জিংক বাষ্প গ্রাহক শীতকে প্রবেশ করে এবং এর অধিকাংশ ঘনীভূত হয়ে তরল জিংক রূপে জমা হয়। কিছু জিংক বাষ্প রিটর্টে উপস্থিত অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে জিংক অক্সাইড উৎপন্ন করে। উৎপন্ন জিংক অক্সাইড ও অবশিষ্ট জিংক বাষ্প প্রোলং-এ ঘনীভূত হয়।

রিটর্টে সংগঠিত বিক্রিয়াটি আমরা নিম্নরূপে ব্যাখ্যা করতে পারি-

ZnO  Zn2+ + O2-

O2+C CO + 2e- (জারণ)

Zn2+ + 2e- Zn (বিজারণ)

অর্থাৎ কোক কার্বন জিংক অক্সাইডের অক্সিজেনের সহিত বিক্রিয়া করে কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন করে এবং দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে। উৎপন্ন ইলেকট্রন দুটি জিংক আয়ন গ্রহণ করে জিংক ধাতু উৎপন্ন করে। যা মূলত একটি বিজারণ বিক্রিয়া।

তাই এক কথায় বলা যায় রিটর্টে সংঘটিত মূল বিক্রিয়াটি মূলত কার্বন বিজারণ বিক্রিয়া।

308
উত্তরঃ

যে সকল ধাতু কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা যায় না শুধু মাত্র সেগুলোই তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয়। কেননা, প্রথমত, কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল কোক কার্বন সবচেয়ে সহজলভ্য। প্রকৃতিতে প্রচুর পরিমাণে এ উপাদান বিদ্যমান তাই এর ব্যবহার সার্বিক উৎপাদন খরচ হ্রাসে সহায়তা করে।

অপরদিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ একটি অত্যাধিক ব্যয়বহুল 'প্রক্রিয়া। কেননা এ প্রক্রিয়ায় বাহ্যিক তড়িৎ প্রবাহের সাহায্যে কোন গলিত বা দ্রবীভূত বিশ্লেষ্যকে উপাদান মৌলে পৃথক করা হয়। ফলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রবাহ এক্ষেত্রে অপরিহার্য, যা নিঃসন্দেহে একটি ব্যয় বহুল খাত।

দ্বিতীয়, কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে ক্যালামাইন আকরিককে গুড়া করার পর বহুতাক বিশিষ্ট চুল্লিতে 900°C তাপমাত্রায় তাপজারণ করা হয়। ফলে জিংক অক্সাইড উৎপন্ন হয়।

ZnCO3(s) 900°C  ZnO(s) + CO2(g)

অতঃপর উক্ত ZnO কে সহজলভ্য কোক কার্বনের সাথে মিশ্রিত করে জ্বালানি গ্যাসের সাহায্যে 1300°C তাপমাত্রায় 24 ঘন্টা উত্তপ্ত করা হলে জিংক বাষ্প এবং কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা 1350°C

অপরদিকে ক্যালামাইন হতে তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ধাতু নিষ্কাশন করতে হলে ক্যালামাইনের গলিত তরল তড়িৎবিশ্লেষ্য রূপে ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হবে 1975°C। যা কার্বন বিজারণ পদ্ধতি অপেক্ষা প্রায় 600°C অধিক। অর্থাৎ এ উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োগ এবং নিয়ন্ত্রণ শুধু ব্যয়বহুলই নয়, বেশ কঠিন।

তাই ক্যালমাইন হতে জিংক ধাতু নিষ্কাশণে প্রথমে অল্প তাপে তাপজারণ করে ZnO, দ্বিতীয় ধাপে উক্ত ZnO, কোক কার্বনের সহিত যুক্ত করে চীনা মাটির তৈরি রিটর্টে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে তরল অবিশুদ্ধ জিংক আহরণ করা হয়।

পরিশেষে, উক্ত অবিশুদ্ধ জিংক তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে আরো বিশুদ্ধ করা হয়। ফলে 99.95% বিশুদ্ধ জিংক উৎপন্ন হয়।

243
উত্তরঃ

ভূ-পৃষ্ঠে বা ভূ-গর্ভে যে সব শিলাস্তূপে প্রচুর পরিমাণে কোন যৌগ বা মুক্ত মৌল হিসেবে কোন মূল্যবান ধাতু বা অধাতু পাওয়া যায় তাদেরকে খনিজ বলে।

609
উত্তরঃ

খনিজ বলতে আমরা সেই সব শিলাস্তূপকে বুঝি যা ভূ-পৃষ্ঠে বা ভূ-গর্ভে অবস্থিত এবং তাতে কোন মূল্যবান ধাতু বা অধাতু মুক্ত মৌল বা যৌগ হিসেবে অবস্থান করে।

যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা যায় সে সকল খনিজকে আকরিক বলে। বক্সাইট থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। অতএব বক্সাইটকে অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক বা খনিজ বলা হয়। আবার, কাদামাটি থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না, সেজন্য কাদামাটি শুধু অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয়। অতএব, আমরা বলতে পারি আকরিক হলে সেটা অবশ্যই খনিজ হতে হবে কিন্তু খনিজ হলে সেটা আকরিক নাও হতে পারে। তাই সকল আকরিক খনিজ হলেও সকল খনিজ আকরিক নয়।

764
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews