A

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

CO2 আত্তীকরণের মাধ্যমে শর্করা তৈরিতে ব্যবহৃত শক্তিই আত্তীকরণ শক্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং ইলেকট্রন উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো ফটোলাইসিস। সালোকসংশ্লেষণের অচক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশনে ফটোলাইসিস ঘটে। সালোকসংশ্লেষণে নির্গত অক্সিজেন ফটোলাইসিস এর মাধ্যমে তৈরি হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত অংশে শ্বসন প্রক্রিয়ার গ্লাইকোলাইসিসে উৎপন্ন পাইরুভিক এসিডের অসম্পূর্ণ জারণ প্রক্রিয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেটা শুধুমাত্র অবাত শ্বসনের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে।
অবাত শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি নির্গমনের প্রক্রিয়া দুইটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমটি হলো গ্লাইকোলাইসিস এবং দ্বিতীয় ধাপটি হলো পাইরুভিক অ্যাসিডের অসম্পূর্ণ জারণ। নিচে উদ্দীপকের 'A' অংশে পাইরুভিক অ্যাসিডের অসম্পূর্ণ জারণ প্রক্রিয়াটির বর্ণনা দেওয়া হলো-
অবাত শ্বসনের ক্ষেত্রে কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এনজাইমের কার্যকারিতায় পাইরুভিক অ্যাসিড অসম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে CO2, ইথাইল অ্যালকোহল অথবা শুধু ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং সামান্য পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সংঘটিত দুটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াই হলো শ্বসন। অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় অবাত শ্বসন এবং অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় সবাত শ্বসন। নিচে সবাত ও অবাত শ্বসনের
মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো-
i. সবাত শ্বসনে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলেও অবাত শ্বসনে অক্সিজেনের কোন প্রয়োজন নাই।
ii. সবাত শ্বসনে পাইরুভিক অ্যাসিড সম্পূর্ণরূপে জারিত হয় যেখানে অবাত শ্বসনে এটি অসম্পূর্ণরূপে জারিত হয়।
iii. সুবাত শ্বসনে নির্গত CO2 এর পরিমাণ বেশি কিন্তু অবাত শ্বসনে CO2 তুলনামূলক কম নির্গত হয়।
iv. সবাত শ্বসনে পানি উৎপন্ন হলেও অবাত শ্বসনে পানি উৎপন্ন হতে দেখা যায় না।
v. সবাত শ্বসনে নির্গত শক্তির পরিমাণ বেশি এবং অবাত শ্বসনে নির্গত শক্তির পরিমাণ কম।
vi. সবাত শ্বসনের বিক্রিয়াগুলি আংশিক সাইটোপ্লাজমে ও আংশিক মাইটোকন্ড্রিয়াতে ঘটে, যেখানে অবাত শ্বসনের সমস্ত বিক্রিয়াই কোষের সাইটোপ্লাজমে সম্পন্ন হয়।
vii. সবাত শ্বসনে অনুরূপ উপাদান প্রস্তুত না হওয়ায় শিল্প ক্ষেত্রে এর ব্যবহারের কোন সুযোগ নেই। কিন্তু অবাত শ্বসনে অ্যালকোহল ও জৈব অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়ায় শিল্প ক্ষেত্রে এর ব্যবহার রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
156

জীবন পরিচালনার জন্য জীবকোষে প্রতি মুহূর্তে হাজারো রকমের জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটতে থাকে। এসব বিক্রিয়ার জন্য কমবেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। পৃথিবীতে শক্তির মূল উৎস সূর্য। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করে শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে। প্রাণী কিংবা অসবুজ উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে সরাসরি আবদ্ধ করে দৈহিক কাজে ব্যবহার করতে পারে না। জীবন পরিচালনার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সে শন্তির জন্য তাদের কোনো না কোনোভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপরেই নির্ভর করতে হয়। এসব বিষয় আলোচনা করাই জীবনীশক্তি বা বায়োএনার্জেটিক্স (Bioenergetics)-এর মূল উদ্দেশ্য। এই অধ্যায়ে সংক্ষিপ্তাকারে জীবনীশক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

 

  • কোষে প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে এটিপির (ATP) ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা প্রস্তুতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোফিল এবং আলোর ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • সালোকসংশ্লেষণের প্রভাবকের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব। 
  • সালোকসংশ্লেষণের উপর জীবের নির্ভরশীলতার কারণ মূল্যায়ন করতে পারব। 
  • শ্বসন ব্যাখ্যা করতে পারব। সবাত ও অবাত শ্বসনের ধারণা ও পুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসনের মধ্যে তুলনা করতে পারব। 
  • সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল ও আলোর অপরিহার্যতার পরীক্ষা করতে পারব।
  •  শ্বসন প্রক্রিয়ায় তাপ নির্গমনের পরীক্ষা করতে পারব। 
  • জীবের খাদ্য প্রস্তুতে উদ্ভিদের অবদান উপলব্ধি করতে পারব এবং উদ্ভিদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে শিখব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে। অর্থাৎ যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোনো শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই কোষ মধ্যস্থ এনজাইম দ্বারা আংশিকরূপে জারিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার জৈব যৌগ (ইথাইল অ্যালকোহল, ল্যাকটিক এসিড ইত্যাদি), CO2  ও সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে তাকে অবাত শ্বসন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের আলোেক নির্ভর পর্যায়ের জন্য আলো অপরিহার্য। এ পর্যায়ে ATP (অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট) এবং NADPH + H+ উৎপন্ন হওয়ার মাধ্যমে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় যা উদ্দীপকের চিত্রে A দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ এতে করে উদ্ভিদের শক্তির আত্মীকরণ ঘটে। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার আলোক পর্যায়ে পাতার ক্লোরোফিল অণু আলোকরশ্মির ফোটন শোষণ করে এবং শোষণকৃত ফোটন হতে শক্তি সঞ্চয় করে ADP এর সাথে অজৈব ফসফেট (Pi) মিলিত হয়ে ATP তৈরি করে। ATP তৈরির এই প্রক্রিয়াকে ফটোফসফোরাইলেশন বলে।

ADP + Pi ক্লোরোফিলআলো ATP

আবার সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন O2 হাইড্রোজেন H+ ও ইলেকট্রন (e- ) উৎপন্ন হয় যা উদ্দীপকের চিত্রে পাতার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। ইলেকট্রন NADP- কে বিজারিত করে NADPH + H+ উৎপন্ন করে। এভাবে ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন ATP এবং NADPH + H+ কেই বলা হয় আত্মীকরণ শক্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
659
উত্তরঃ

জীবন পরিচালনার জন্য জীবকোষে প্রতিনিয়ত হাজারো রকমের জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া চলে। এসব বিক্রিয়ার জন্য শক্তির প্রয়োজন। শক্তির মূল উৎস সূর্য। সূর্যের এই শক্তিকে সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরির মাধ্যমে নিজের দেহে আবদ্ধ করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত আত্মীকরণ শক্তি A-ই হলো উদ্ভিদ দেহে আবদ্ধ রাসায়নিক শক্তি যা পরবর্তীতে উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। পরবর্তীতে সালোকসংশ্লেষণের কার্বন বিজারণ পর্যায়ে এ শক্তি শর্করা ও অন্যান্য জৈব যৌগের অণুর রাসায়নিক বন্ধনীতে সঞ্চিত বা আবদ্ধ হয়। উদ্ভিদ দেহে সঞ্চিত এ স্থৈতিক শক্তি শ্বসনের সময় তাপরূপে উদ্ভূত হয়ে রাসায়নিক শক্তিরূপে (ATP) মুক্ত হয় এবং উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। জৈব সংশ্লেষণ, পরিবহন ও অন্যান্য বিপাকীয় কাজে শক্তির প্রয়োজন হলে ATP ভেঙ্গে ADP ও AMP তৈরি হয় এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।
কাজেই সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করতে না পারলে উদ্ভিদ দেহে প্রয়োজনীয় শক্তির সংবন্ধন ঘটবে না। এতে করে উদ্ভিদ বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারবেনা। প্রয়োজনীয় আত্মীকরণ শক্তির অভাবে উদ্ভিদ দেহের সমস্ত জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলো আর চলতে পারবেনা। ফলে উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত, বৃদ্ধি, পরিবহন, প্রজনন ইত্যাদি প্রক্রিয়াগুলো বন্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদ মৃত্যুর কোলে উপনীত হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
620
উত্তরঃ

সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ও ইলেকট্রন উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো ফটোলাইসিস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
552
উত্তরঃ

সবুজ উদ্ভিদে সংঘটিত সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায়ে CO2 বিজারণের তিনটি গতিপথ রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্র বা C4 গতিপথ। এই চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৪ কার্বন বিশিষ্ট অক্সালো এসিটিক এসিড। যেসব, উদ্ভিদে C3 গতিপথ বা ক্যালভিন চক্র পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি এই C4 গতিপথও সংঘটিত হয় সেগুলোই হলো C4 উদ্ভিদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
412
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews