ইসিজি করার সময় শরীরে মোট ১০টি ইলেকট্রোড লাগানো হয়।
সাধারণত শরীরের নরম ও সংবেদশীল অংশ যেমন- মস্তিষ্ক, পেশি ও যোজক কলার সমস্যাদি এবং ব্রেইন টিউমার শনাক্ত করার জন্য MRI করানো হয়। কারণ এই চিকিৎসা পদ্ধতি শরীরে নরম বা সংবেদনশীল অংশের পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে। ফলে এসব সমস্যা সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যায়।
হকে হলো সিটিস্ক্যান। এর কার্যপ্রণালী নিম্নে দেওয়া হলো-
সিটি স্ক্যান যন্ত্রে একটি এক্সরে টিউব রোগীর শরীরকে বৃত্তাকার ঘুরে এক্স-রে নির্গত করতে থাকে এবং অন্য পাশে ডিটেকটর প্রতিবিম্ব গ্রহণ করতে থাকে। প্রতিবিম্বটি স্পষ্ট করার জন্য অনেক সময় রোগীর শরীরে রেশিষ Contrast দ্রব্য ইনজেকশন করা হয়।
বৃত্তাকারে চারপাশের এক্সরে প্রতিবিষ পাওয়ার পর কম্পিউটার দিয়ে সেগুলো বিশ্লেষণ করে সমন্বয় করা হয় এবং একটি পরিপূর্ণ ফালির (Slice) অভ্যন্তরীণ গঠন পাওয়া যায়। একটি ফালির ছবি নেওয়ার পর সিটি স্ক্যান করার যন্ত্র রোগীকে একটুখানি সামনে সরিয়ে পুনরায় বৃত্তাকারে চারদিক থেকে এক্স-রে প্রতিচ্ছবি গ্রহণে করে যেগুলো বিশ্লেষণ করে দ্বিতীয় আরেকটি ফালির অভ্যন্তরীণ পঠনটির
একটি পূর্ণাজা ছবি তৈরি করে। এভাবে রোগীকে একটু একটু করে সামনে এগিয়ে নিয়ে তার শরীরের কোনো একটি অজোর অনেকগুলো ফালির প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয়। একটা রুটির অনেকগুলো স্লাইস পরপর সাজিয়ে নেওয়া হয়। একটা রুটির অনেকগুলো ছাইস পরপর সাজিয়ে নিয়ে আমরা যেরকম পুরো রুটিটি পেয়ে যাই, ঠিক সেরকম শরীরের কোনো অঙ্গের অনেকগুলো স্লাইসের ছবি একত্র করে আমরা রোগীর শরীরের ভেতরের একটা ত্রিমাত্রিক প্রতিচ্ছবি তৈরি করে নিতে পারি।
ছকের B হলো কেমোথেরাপি। কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিচে দেওয়া হলো-
- চুল পড়ে যাওয়া;
iⅱ হাতের তালু, পায়ের তালু প্রভৃতি অফোর চামড়া পুড়ে যাওয়া;
iii. হজমে সমস্যা হওয়া এবং এর কারণে ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, বমি প্রভৃতি সমস্যা হওয়া;
TY লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেতকণিকা ও অণুচক্রিকা উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হওয়া;
কেমোথেরাপির ঝুঁকি এড়াতে নিম্নলিখিত কৌশলগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন-
শরীরের তাপমাত্রার দিকে লক্ষ রাখতে হবে;
ii. তরল বা নরম খাবার খেতে হবে;
iii. কেমোথেরাপি গ্রহণকারী রোগীর বর্জ্য, যেমন মলমূত্র, বমি ইত্যাদি। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
iv. বর্জ্য পরিষ্কার করার সময় খালি হাত ব্যবহার না করে গ্লাভস বা কমপক্ষে প্লাস্টিকের ব্যাগে হাত ভালোভাবে মুড়িয়ে পরিষ্কার করা।
বেঁচে থাকার জন্য আমাদের দরকার সুস্থ, সবল এবং নীরোগ দেহ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা সবসময় সুস্থ থাকতে পারি না। কখনো কখনো কোনো একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। রোগ হলে দরকার ভালো চিকিৎসা আর ভালো চিকিৎসার জন্য সবার আগে দরকার সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়। বর্তমান সময়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্বের প্রয়োগে তৈরি হয়েছে রোগ নির্ণয়ের নতুন নতুন যন্ত্রপাতি। যার কারনে মানুষের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্তকরণে এবং সেগুলো নিরাময় আর প্রতিরোধে বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করাও অনেক সহজ হয়ে পড়েছে। এই অধ্যায়ে আমরা বিজ্ঞান, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞান ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় আর চিকিৎসার নানা পদ্ধতির কথা আলোচনা করব।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:
- চিকিৎসাবিজ্ঞানের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে বিজ্ঞানের তত্ত্ব ও ধারণার ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
- আধুনিক প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা এবং প্রতিরোধের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
- রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞানের অবদানকে প্রশংসা করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!