উদ্দীপকের চিত্রের 'A' চিহ্নিত অংশটি উপচর্ম বা বহিঃত্বক এবং 'B' চিহ্নিত অংশটি অন্তঃচর্ম বা অন্তঃত্বক। এক্ষেত্রে 'A' অংশটি হচ্ছে ত্বকের বাইরের আবরণ। এ অংশ থেকেই লোম, চুল ও নখের উৎপত্তি হয়। এছাড়াও 'A' অংশটিতে লোমকূপ রয়েছে। অন্যদিকে 'B' অংশটিতে রয়েছে রক্তনালি ও স্নায়ু। এছাড়াও রয়েছে লোমের মূল, ঘর্মগ্রন্থি, তেলগ্রন্থি, দ্বেদগ্রন্থি ইত্যাদি। তবে এ অংশটির লোমহীন স্থানে অর্থাৎ করতল ও পদতলে শ্বেতগ্রন্থির সংখ্যা বেশি থাকে। এ অংশে রয়েছে অসংখ্য স্নায়ুকোষ। যার কারণে অংশটিতে ঠান্ডা, গরম, স্পর্শ, চাপ, ব্যথা ইত্যাদি সহজেই বুঝা যায়।
আবার 'B' অংশটির ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘাম লোমকূপের মাধ্যমে 'A' অংশ দিয়ে বের হয়ে যায়। ঘামের সাথে দেহের ভেতর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে শরীর ঠান্ডা ও সুস্থ থাকে।
সুতরাং বলা যায় যে, চিত্রের A ও B চিহ্নিত অংশ দুটি শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। এদের একটি ছাড়া অন্যটি অর্থহীন। অর্থাৎ A ও B চিহ্নিত অংশ দুটির মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
Related Question
View Allচোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
চোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
১. চোখের ভেতর থেকে আলোর প্রতিফলন হবে না।
২. পিউপিলের মাধ্যমে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।.
৩. সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো লেন্সটি সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারবে না। ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হবে না এবং চোখ বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সহায়তা করতে পারবে না।
চিত্রে চোখের 'B' চিহ্নিত অংশটি আইরিশ, যার অবস্থান কর্নিয়ার পেছনে। এটি ঘন কালো গোলাকার একটি অস্বচ্ছ পর্দা। এর 'কেন্দ্রস্থলে একটি ছিদ্র থাকে যাকে পিউপিল বলে। আইরিশের পেশিসমূহের সংকোচন প্রসারণে পিউপিল ছোট বড় হতে পারে। এর ফলে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করে। অর্থাৎ আইরিশ চক্ষু লেন্সের উপর আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি
চিত্রে চিহ্নিত অংশটি হলো লেন্স।
এটি তারারন্দ্রের ঠিক পেছনে অবস্থিত। লেন্স চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি এক বিশেষ ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকোচন ও প্রসারণের ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হয় ফলে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। যখন কোনো আলোকিত বস্তু হতে আলো চোখে পড়ে তখন তা পিউপিল দিয়ে লেন্সে আপতিত হয়। লেন্স তখন ঐ বস্তুর একটি ক্ষুদ্র ও উল্টো প্রতিবিম্ব রেটিনার উপর সৃষ্টি করে, তখন আলোর এ উদ্দীপনা অপটিক স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌছে। মস্তিষ্ক রেটিনার সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টে দেয় ফলে আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। আর এভাবেই 'J' চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ লেন্স আমাদের দেখতে সহায়তা করে।
যেসব অঙ্গ দিয়ে আমরা দেখি, শুনি, খাবারের স্বাদ গ্রহণ করি, গরম, ঠান্ডা, তাপ, চাপ অনুভব করি সেসব অজাকে সংবেদি অঙ্গ বলে।
চিত্রের চিহ্নিত অংশটি হলো পিনা বা কর্ণচ্চত্র। এটি কানের বাইরের অংশ। এটি শব্দকে কর্ণকুহরে পাঠায়। পিনা না থাকলে শব্দ কর্ণকুহরে পৌছাবে না। ফলে আমরা শব্দ শুনতে পাব না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
