A চিহ্নিত অঙ্গটি হচ্ছে যকৃৎ। এটি একসাথে পরিপাক গ্রন্থি ও খাদ্য সঞ্চয়কারী হিসেবে কাজ করে। খাদ্য পরিপাকের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি থেকে রস নিঃসৃত হয়। পরিপাকনালির যেসব গ্রন্থির নিঃসৃত রস খাদ্য পরিপাকে অংশগ্রহণ করে তাদের পরিপাক গ্রন্থি বলে। লালা গ্রন্থি, যকৃৎ এবং অগ্ন্যাশয় পরিপাক গ্রন্থির অন্তর্ভুক্ত। যকৃতের মধ্যে স্নেহ জাতীয় খাদ্য জমা হয় এবং যকৃৎ হতে পিত্তরস নিঃসৃত হয় যা স্নেহ জাতীয় খাদ্যকে হজমে সহায়তা করে। যদি যকৃতে পিত্তরস না থাকত তাহলে স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজম হতো না। আমাদের দেহে স্নেহ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা মিটতো না। পরিশেষে বলা যায় যে, যকৃৎ একসাথে পরিপাক গ্রন্থি ও খাদ্য সঞ্চয়কারী হিসেবে কাজ করে।
Related Question
View Allক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মতো যে প্রবর্ধক বা অভিক্ষেপ থাকে তাই ভিলাই।
খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিত। কারণ, খাওয়ার পর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাদ্য কণা দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে আটকে থাকে। আটকে থাকা খাদ্যকণা পচে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রাপ্তিতে সহায়তা করে। তাই এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিত।
উদ্দীপকের চিত্রে Y-চিহ্নিত অংশটি হলো পাকস্থলি। নিচে পাকস্থলির কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করা হলো-
অন্ননালি ও ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যবর্তী স্থানে পাকস্থলির অবস্থান। এর আকৃতি থলের মতো। এর প্রাচীর বেশ পুরু ও পেশিবহুল, গলবিল ও অন্ননালির ক্রমসংকোচনের ফলে পিচ্ছিল খাদ্যবস্তু এখানে এসে জমা হয়। পাকস্থলি নিম্নরূপ কাজগুলো করে থাকে-
১. পাকস্থলিতে সাময়িকভাবে খাদ্যবস্তু জমা থাকে।
২. গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির হাইড্রোক্লোরিক এসিড দ্বারা খাদ্য জীবাণুমুক্ত হয়।
৩. পাকস্থলি গৃহীত খাদ্যবস্তুর সাথে গ্যাস্ট্রিক রসের মিশ্রণ ঘটিয়ে 'খাদ্যকে কাইমে পরিণত করে।
৪. গ্যাস্ট্রিক রসের সাহায্যে কিছু খাদ্যের আংশিক পরিপাক সম্পন্ন হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে নির্দেশিত Z অংশটি হলো যকৃৎ। এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। যকৃৎ মানবদেহে নানা কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-
১. পরিপাক: যকৃৎ পিত্তরস ক্ষরণ করে। পিত্তের পিত্তলবণ ফ্যাটজাতীয় খাদ্যের পরিপাক ও শোষণে সাহায্য করে।
২. শর্করা বিপাক: যকৃতে প্রোটিন ও ফ্যাট থেকে শর্করা উৎপন্ন হয়।
৩. রক্ত সংক্রান্ত কার্যাবলি ভ্রূণ অবস্থায় যকৃতে লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টি হয় এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়।
৪. সঞ্চয়মূলক কাজ: যকৃতে গ্লাইকোজেন, ভিটামিন A ও D সঞ্চিত থাকে।
৫. রক্ষণমূলক কাজ: যকৃতে বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয়।
৬. তাপ নিয়ন্ত্রণ: যকৃৎ রাসায়নিক ক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপ শোষণ করে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৭. রেচন: যকৃৎ বিভিন্ন রকমের ধাতব পদার্থ, অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত ওষুধ পিত্তের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত করে।
উপরের বর্ণনা থেকে বুঝা যায় যে, যকৃৎ মানবদেহের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। যদি কোনো কারণে এ অঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন হতে ব্যাঘাত ঘটবে। এতে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
হৃৎপিন্ড দুই স্তরবিশিষ্ট যে পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে তাই পেরিকার্ডিয়াম।
লাইপেজ হলো অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত স্নেহ পদার্থ হজমকারী একপ্রকার উৎসেচক। অর্থাৎ এরা চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিপাককারী বা লাইপোলাইটিক উৎসেচক। এটি চর্বিকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
