ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক।
স্নেহ জাতীয় খাদ্যের কাজ নিচে দেওয়া হলো-
১. দেহের তাপ ও কর্মশক্তি বাড়ায়।
২. দেহের প্রোটিনকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।
৩.. দেহে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে-এর যোগান দেয়।
প্রাণীর স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য অতিপ্রয়োজনীয় খাদ্যগুলোকে খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন বলে। উদ্দীপকের C জাতীয় খাদ্যগুলো অর্থাৎ শাকসবজি, ফলমূল ও হলুদ ফল হলো ভিটামিনের প্রধান উৎস। শাকসবজি ভিটামিন-'এ' ও ভিটামিন-'সি' এর অন্যতম প্রধান উৎস। ফলমূলেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ' ও 'সি' আছে। অন্যদিকে হলুদ ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ। অর্থাৎ C জাতীয় খাদ্যগুলো থেকে বিভিন্ন ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ পাওয়া যায়।
সুতরাং বলা যায়, C জাতীয় খাদ্য থেকে খাদ্যপ্রাণ পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের A অর্থাৎ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ হলো প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। অন্যদিকে B অর্থাৎ চাল, গম, আলু, চিনি হলো শর্করা জাতীয় খাদ্য। সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এ খাদ্যগুলোর ভূমিকা নিচে বর্ণনা করা হলো- A অর্থাৎ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করে। যেমন- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্তকণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত। এছাড়াও প্রোটিন দেহে শক্তি উৎপন্ন করে এবং দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি তৈরি করে। অন্যদিকে B অর্থাৎ শর্করা দেহের কাজ করার শক্তি জোগায় ও তাপ উৎপন্ন করে। শর্করায় বিদ্যমান সেলুলোজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। দেহের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রোটিন ও শর্করার এ ভূমিকাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ প্রোটিন ও শর্করা সুস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View Allদেহের কাজকর্ম সুষ্ঠুরূপে পরিচালিত করে দেহকে সুস্থ ও কাজের উপযোগী রাখার জন্য যেসব উপাদান প্রয়োজন, সেসব উপাদান বিশিষ্ট বস্তুকে খাদ্য বলে।
উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত খাদ্য উপাদানটি পেয়ারা, যা ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ খাবার। ভিটামিন 'সি' সুস্থ-সবল হাড়, দাঁত, দাঁতের মাড়ি ও মুখের ক্ষত সারাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তাই দেহের হাড়, দাঁত, দাঁতের মাড়ি ও মুখের ক্ষত দূর করতে পেয়ারা খাওয়া প্রয়োজন।
উদ্দীপকের 'D' চিহ্নিত খাদ্যটি ভাত, যা শর্করাজাতীয় খাদ্য। সব ধরনের শর্করাই কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এ তিনটি 'মৌলিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। এ উপাদানগুলো স্নেহ জাতীয় পদার্থের দহনে সহায়তা করে; দেহে অন্যান্য খাদ্য উপাদান আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ গ্রহণে সহায়তা করে। অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেন রূপে সঞ্চিত থেকে দেহে কর্মশক্তি যোগায় এবং তাপ উৎপন্ন করে। মোটকথা এ খাদ্যটি অন্যান্য খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে শরীরে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। আর কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি মানেই দেহের আকার ও ওজন বৃদ্ধি। এভাবেই D চিহ্নিত খাদ্যটি দেহের ওজন বাড়ায়।
সুষম খাদ্য বলতে আমরা সেসব খাবারকে বুঝি, যাতে প্রয়োজনীয় পরিমাণে সকল খাদ্য উপাদান থাকে। অর্থাৎ সুষম খাদ্যে প্রোটিন, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন, লবণ ও পানি দেহের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে থাকে। উদ্দীপকের চিত্রে পেয়ারা, মাছ, সবজি ও ভাতের ছবি দেওয়া আছে। এসব খাদ্যে নিম্নলিখিতব উপাদানগুলো রয়েছে-
১. ভাতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা বা শ্বেতসার রয়েছে।
২. মাছ প্রোটিন ও আমিষের চাহিদা পূরণ করে। এছাড়াও এতে তেল বা চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদানও রয়েছে।
৩. পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে।
৪. টাটকা শাকসবজিতে ভিটামিন ও খনিজ লবণ রয়েছে।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের খাদ্যগুলো পানি ব্যতীত সুষম খাদ্যের সবগুলো উপাদানের চাহিদাই পূরণ করতে পারবে। তাই চিত্রের খাদ্যগুলোকে সুষম খাদ্যের উপযোগী বলা যায়।
দেহে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবই অপুষ্টি বা পুষ্টিহীনতা।
মরিয়ম শাকসবজি না খাওয়ায় তার ভিটামিন 'এ'-এর অভাব দেখা দিয়েছে। আমরা জানি, ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। রাতকানা রোগ হলে রাতে ভালোভাবে দেখা সম্ভব হয় না। উদ্দীপক অনুসারে কয়েক দিন ধরে মরিয়মও রাতের বেলা ভালো দেখতে পায় না। অতএব বলা যায়, মরিয়মের রাতকানা রোগ হয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
