A মৌলটির ইলেকট্রন সংখ্যা 29 

B মৌলটির ভরসংখ্যা 16 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য রক্ষাকারী ক্ষুদ্রতম কণা যা সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দুটি একই রকম রাশি অনুপাত আকারে থাকলে এর কোনো একক থাকে না। কোনো মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভরকে নিম্নরূপে প্রকাশ করা হয়-

মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = মৌলের একটি পরমাণুর ভর / একটি কার্বন-১২ আইসোটোপের ভরের  অংশ

সুতরাং, দেখা যায় যে, আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর দুটি পৃথক ভরের অনুপাত (kg/kg বা g/g)। তাই এর কোনো একক থাকে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের A মৌলটির ইলেকট্রন সংখ্যা 29। সুতরাং A মৌলটি হলো কপার। Cu এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-

ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়ম হলো ইলেকট্রন আগে কম শক্তিসম্পন্ন অরবিটালে প্রবেশ করে, তারপর ইলেকট্রন শক্তির উচ্চক্রম অনুসারে বিভিন্ন অরবিটালে প্রবেশ করে। অরবিটালের শক্তি (n + 1) এর মান দ্বারা নির্ধারিত হয়।/ এর মান s, p, d, f এর জন্য যথাক্রমে 0, 1, 2, 3। এদের একাধিক অরবিটালের শক্তি একই হলে যে অরবিটালের n এর মান কম ইলেকট্রন আগে সে অরবিটালে প্রবেশ করে।

Cu এর ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, সর্বশেষ ইলেকট্রন 3d অরবিটালে প্রবেশ করে। 4s অরবিটালের শক্তি (4+0) বা 4 এবং 3d অরবিটালের শক্তি (3 + 2) বা 5। তাই, ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়ম অনুসারে সর্বশেষ ইলেকট্রন 4s অরবিটালে প্রবেশ করার কথা ছিল। কিন্তু সর্বশেষ ইলেকট্রন 3d অরবিটালে প্রবেশ করে। প্রকৃতপক্ষে, 4s অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ হবার পর 3d অরবিটালে যখন 3d' কাঠামো লাভ করে তখন ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায় 3d°4s²। এখন 4s থেকে যদি একটি ইলেকট্রন 3d অরবিটালে প্রবেশ করে তাহলে ইলেকট্রন বিন্যাস হয় 3d10 4s1। যেহেতু শেষোক্ত ইলেকট্রন বিন্যাসটি অর্ধপূর্ণ অরবিটালের তাই তুলনামূলক বেশি স্থিতিশীল। কাজেই 4s অরবিটাল থেকে একটি ইলেকট্রন 3d অরবিটালে প্রবেশ করে। তখন ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায় 3d10 4s1

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় Cu এর ইলেকট্রন বিন্যাস স্বাভাবিক নিয়মের ব্যতিক্রম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত A মৌলটির ইলেকট্রন সংখ্যা 29। B মৌলটির ভরসংখ্যা 16। পর্যায় সারণী থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী A এবং B যথাক্রমে Cu ও ০। সুতরাং A ও B দ্বারা গঠিত যৌগসমূহ হলো Cu2O এবং CuO। উভয় যৌগই ক্যাটায়ন এবং অ্যানায়নের মাধ্যমে গঠিত হয় বলে এরা আয়নিক যৌগ। তড়িৎ বিশ্লেষ্যের সংজ্ঞাণুযায়ী, যে সব আয়নিক যৌগ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ পরিবহন করতে পারে তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে।

Cu2O এবং CuO উভয় যৌগে Cu মৌলটি যথাক্রমে Cu+ এবং Cu+ আয়নরূপে দ্রবণে বিদ্যমান থাকে। উভয় যৌগে অক্সিজেন O2- আয়নরূপে দ্রবণে থাকে। উভয় আয়নই দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম।

CuO (l)     Cu2+(aq)+O2-(aq)

অ্যানোড বিক্রিয়া: 2O2- - 4e-  O2

ক্যাথোডে বিক্রিয়া: 2Cu2+ + 4e-  2Cu 

Cu2O (l)  2Cu+(aq) + O2-(aq) 

অ্যানোড বিক্রিয়া: O2--4e- O2

ক্যাথোডে বিক্রিয়া: 4Cu+(aq) + 4e-  Cu(s) 

সুতরাং, বলা যায়, উদ্দীপকের A ও B দ্বারা গঠিত যৌগ তড়িৎ বিশ্লেষ্য হিসেবে আচরণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
67

কাঠ পোড়ালে আগুন জ্বলে আবার পেট্রল বা ডিজেল এগুলো পাড়ির ইঞ্জিনে পোড়ালে তার জন্য গাড়ি চলে। তাহলে এগুলোর মধ্যে শক্তি থাকে। এ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি বলে। পদার্থের মধ্যে এ রাসায়নিক শক্তি কীভাবে থাকে? আবার কীভাবেই বা এ শক্তি আমাদের কাজে লাগে? টর্চের ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে আলো জ্বালায়। খনিজ তেল পুড়িয়ে তা থেকে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। এ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এ সকল কীভাবে ঘটে? এ নিয়ে অবশ্যই তোমাদের মনে প্রশ্ন জাগে। বিভিন্ন দেশে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ সবগুলোর সাথেই রসায়ন তথা রাসায়নিক বিক্রিয়া অথবা নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া জড়িত। আবার, এ বিক্রিয়াগুলোর কিছু বিরূপ প্রভাব আছে পরিবেশ ও আমাদের শরীরের উপর। এ সমস্ত বিষয়ই এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • রাসায়নিক পরিবর্তনের সাথে শক্তি উৎপাদনের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • শক্তি উৎপাদনে জ্বালানির বিশুদ্ধতার গুরুত্ব অনুধাবন, পরিবেশ সুরক্ষায় এগুলোর ব্যবহার
     
  • সীমিত রাখতে ও উপযুক্ত জ্বালানি নির্বাচনে সচেতনতার পরিচয় দিতে পারব।
     
  • নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রাসায়নিক বিক্রিয়া-সংশ্লিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে তা অনুসন্ধানের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে পাৱৰ
     
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার সংঘটনে এবং শক্তি উৎপাদনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হব।
     
  •  জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ইলেকট্রনীয় মতবাদ ব্যবহার করে চলবিদ্যুতের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বিক্রিয়া সংঘটন করতে পারব।
     
  • বিভিন্ন পদার্থের তড়িৎ বিশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ এবং এর বাণিজ্যিক ব্যবহার সম্পর্কে মতামত দিতে পারব।
     
  •  গ্যালভানিক কোষের তড়িৎদ্বার গঠন করতে পারব।
     
  • তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ ও গ্যালভানিক কোষের মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • তড়িৎ রাসায়নিক কোষের প্রয়োগ ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পর্কে মতামত দিতে পারব।
     
  •  তাপহারী ও তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার পরীক্ষা করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর দিকসমূহ সম্পর্কে সচেতনতা প্রদর্শন করতে পারব। 
  •  বিশুদ্ধ জ্বালানি ব্যবহারে আগ্রহ প্রদর্শন করতে পারব।
     
  • লবণ দ্রবীভূত ও রাসায়নিক পরিবর্তন হওয়ার সময় তাপের পরিবর্তন পরীক্ষার সাহায্যে দেখাতে পারব।
     

Related Question

View All
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে কোনো সক্রিয় ধাতুর ওপর অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেয়ার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
282
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষে লবণ সেতু ব্যবহার হয় প্রধানত দুটি কারণে।
i. লবণ সেতু অর্ধকোষদ্বয়ের উভয় দ্রবণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কোষের বর্তনী পূর্ণ করে।
ii. জারণ অর্ধকোষে উৎপন্ন ধনাত্মক আয়ন (যেমন- Zn2+) বৃদ্ধি পাওয়ায় এতে লবণ সেতু থেকে ঋণাত্মক আয়নের ব্যাপন ঘটে। অনুরূপভাবে বিজারণ অর্ধকোষে ধনাত্মক (যেমন- Cu2+) আয়ন হ্রাস পাওয়ায় এতে লবণ সেতু থেকে ধনাত্মক আয়নের ব্যাপন ঘটে। ফলে উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে চার্জ নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দ্বিতীয় বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:

U238+n01  B56a + K36r +3nn01+ শক্তি 

রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মৌলসমূহের (বিক্রিয়কের) পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়ায় নতুন পদার্থ (উৎপাদ) গঠিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিক্রিয়কের বন্ধন ভেঙ্গে উৎপাদ গঠিত হওয়ার সময় নতুন বন্ধন গঠিত হয়। এতে তাপের শোষণ বা উদ্‌দ্গীরণ ঘটে। এ ধরনের বিক্রিয়ার মৌলিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মৌলসমূহের মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের বা শেয়ারের মাধ্যমে নতুন যৌগের সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে একটি ইউরেনিয়াম ভেঙ্গে দুটি মৌলের সৃষ্টি হয় (Ba ও Kr)। এটি একটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া। কেননা, এতে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন নিউট্রনের আঘাতে একটি নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে দুটো নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। এতে ইলেকট্রনের কোন ভূমিকা থাকে না। যে সব বিক্রিয়ায় কোন মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে এক বা একাধিক অপেক্ষাকৃত হালকা নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়, তাদেরকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। উল্লেখিত নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় একটি বড় নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে দুটো ছোট নিউক্লিয়াস তৈরি হয় বলে একে নিউক্লিয়ার ফিসন বিক্রিয়া বলা হয়। নিউক্রিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। তাই (ii) নং বিক্রিয়াটি রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
379
উত্তরঃ

উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং (ii) নং বিক্রিয়াটি নিউক্লিয় বিক্রিয়া। রাসায়নিক ও নিউক্লিয় বিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ।

রাসায়নিক বিক্রিয়ানিউক্লিয় বিক্রিয়া
iরাসায়নিক বিক্রিয়ায় যোজ্যতা ইলেকট্রনসমূহের পরিবর্তন ঘটে।নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে।
iiরাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন মৌল সৃষ্টি হয় না; শুধু পরমাণুর স্থানান্তর ঘটে। Zn(s)+H2SO4(aq)ZnSO4(aq) + H2(g) নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় নতুন মৌল সৃষ্টি হয়।H12+H13  H24e+n01
iiiরাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির পরিবর্তনের পরিমাণ তুলনামূলক খুবই কম।নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় শক্তির পরিবর্তনের পরিমাণ রাসায়নিক বিক্রিয়ার তুলনায় শত লক্ষ গুণ বেশি।
ivরাসায়নিক বিক্রিয়াকালে মৌলের প্রোটন সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় মৌলের প্রোটন সংখ্যা পরিবর্তিত হয়।
vরাসায়নিক বিক্রিয়া কাচপাত্রে যেমন টেস্ট টিউবে ঘটানো যায়।নিউক্লিয় বিক্রিয়া নিউক্লিয় চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটানো হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
250
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় কোনোরূপ রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে না, সঞ্চারণশীল ইলেকট্রন দ্বারা তড়িৎ পরিবাহিত হয়, তাদেরকে ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী হলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
551
উত্তরঃ

যদি পরিবাহীর আয়ন দ্বারা বিদ্যুৎ প্রবাহ সাধিত হয় তবে, এসব পরিবাহীকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী বলে। যেমন গলিত লবণ, এসিড, ক্ষার ও লবণের দ্রবণ।

ধাতব প্লাটিনাম (Pt) পাতের অ্যানোড ও ক্যাথোড ব্যবহার করে এসিড মিশ্রিত পানির মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে নিম্নোক্ত বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
অ্যানোড বিক্রিয়ায়: 2H2O(l)  O2(g)+4H+(aq)+4e-

ক্যাথোড বিক্রিয়া : 4H++ 4e- 2H2(g)2H2O(l) 2H2(g)+O2(g)

অর্থাৎ এসিড মিশ্রিত পানি পরিবহনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে বিধায় এসিড মিশ্রিত পানিকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী বলে। এখানে উল্লেখ্য যে, বিক্রিয়ায় সালফিউরিক এসিডের কোনো পরিবর্তন বা ব্যয় হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
606
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews