খাবার লবণের সংকেত হলো: NaCl
যে সকল পদার্থে একাধিক যৌগিক ও মৌলিক পদার্থ বিদ্যমান তাদেরকে মিশ্র পদার্থ বলে। বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্পসহ বিভিন্ন মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ থাকে। অর্থাৎ বায়ুতে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প ইত্যাদি যৌগিক পদার্থ বিদ্যমান থাকায় একে মিশ্র পদার্থ বলা হয়।
উদ্দীপক মতে, এ হলো ক্ষুদ্রতম কণা অর্থাৎ পরমাণু; যা দ্বারা P ও Q মৌলদ্বয় গঠিত। কেননা পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র 'কণা দ্বারা গঠিত। এ ক্ষুদ্র কণাই হলো পরমাণু। নিচে ও তথা পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
পরমাণুর গঠন কেমন হতে পারে তা নিয়ে অনেক গবেষণা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ডাল্টনের পরমাণুবাদ। এ পরমাণুবাদে পরমাণুকে অবিভাজ্য ধরা হয়।
কিন্তু উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে প্রমাণিত হয় যে, পরমাণু ৩টি মূল কণিকা দ্বারা গঠিত। এরা হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। এ তিনটি কণিকা বিভিন্ন সংখ্যায় একত্রিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু গঠন করে। ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন এবং আধানবিহীন নিউট্রন একত্রিত হয়ে নিউক্লিয়াস গঠন করে আর এদেরকে ঘিরে ঋণাত্মক আধানের ইলেকট্রন ঘূর্ণায়মান।
উদাহরণস্বরূপ, Li পরমাণুর গঠন-

উদ্দীপকের তথ্যমতে, P মৌলটির প্রোটন সংখ্যা ৮ এবং Q মৌলটির প্রোটন সংখ্যা ১১।
যেহেতু, মৌলের প্রোটন সংখ্যাই হলো এর ইলেকট্রন সংখ্যা।
তাহলে, P মৌলের ইলেকট্রন সংখ্যা ৮ এবং Q মৌলের ইলেকট্রন সংখ্যা ১১। এখন, P ও Q মৌলদ্বয়ের ইলেকট্রন বিন্যাস নিচের চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো-

ইলেকট্রন বিন্যাসের 2n2 সূত্রানুযায়ী-

Related Question
View Allকার্বন একটি মৌলিক পদার্থ। যেহেতু কার্বনকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কার্বন ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না, তাই কার্বন একটি মৌলিক পদার্থ।
উদ্দীপকের ১ নং পদার্থটির রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড। এটি খাবার লবণ নামেও পরিচিত। এর সংকেত: NaCl.
গঠন প্রক্রিয়া: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি যৌগিক পদার্থ। এটি দুটি মৌলিক পদার্থ সোডিয়াম (Na) ও ক্লোরিন (CI) দ্বারা গঠিত। সংকেত থেকে দেখা যায় যে, সোডিয়াম ক্লোরাইড যৌগটি একটি Na ও একটি CI পরমাণু দ্বারা গঠিত। অর্থাৎ NaCl কে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে একটি সোডিয়াম ও একটি ক্লোরিন পরমাণু পাওয়া যাবে। আবার বলা যায় যে, একটি সোডিয়াম পরমাণু ও একটি ক্লোরিন পরমাণু মিলে একটি সোডিয়াম ক্লোরাইড অণু গঠন করে। অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইডের একটি অণুতে মোট দুটি পরমাণু রয়েছে।

ছকের ২নং পদার্থটি (ফ্লোরিন) মৌলিক অণু। অর্থাৎ ফ্লোরিন মৌলিক পদার্থ। কারণ ফ্লোরিন কে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে ফ্লোরিন ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না।
এক্ষেত্রে ২টি ফ্লোরিন পরমাণু মিলে ফ্লোরিন অণু গঠিত হয়।

আবার ছকের ৩নং পদার্থটি ১টি C (কার্বন) ও ২টি O (অক্সিজেন) পরমাণু দ্বারা গঠিত একটি যৌগিক পদার্থ (কার্বন ডাইঅক্সাইড)। উৎপন্ন এর ধর্ম C ও O পরমাণু থেকে ভিন্ন। আবার যৌগটিকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে দুটি অক্সিজেন পরমাণু এবং একটি কার্বন পরমাণু পাওয়া যায়। জানা আছে, যে পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে একাধিক ভিন্নধর্মী মৌল পাওয়া যায় সেই পদার্থটি যৌগিক পদার্থ। তাই (কার্বন ডাইঅক্সাইড) একটি যৌগিক পদার্থ।
পরমাণু হলো ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন মৌলিক কণিকা দ্বারা গঠিত অতি ক্ষুদ্র কণা।
O এবং O2 এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেখানো হলো-
| O2 | |
| ১. O হচ্ছে অক্সিজেনের একটি পরমাণু। | ১. O2 হচ্ছে অক্সিজেনের একটি অণু, যা দুটি পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। |
| ২. O সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে। | ২. O2 সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
