"অন্তঃসারশূন্য তোষামোদবাক্যই আপনার, কাছে বেশি মূল্য পেল?"- কথাটি আর্ল অব কেন্ট বলেছে রাজা লিয়ারকে।
বৃদ্ধ রাজা লিয়ারের অবিচারের প্রতিবাদ করে এ কথাটি বলেছে। বৃদ্ধ রাজা লিয়ার সিদ্ধান্ত নেন যে, তাঁর তিন মেয়ের মধ্যে তিনি ব্রাজ্য ভাগ করে দেবেন। সে জন্য রাজসভা ডেকে সভাসদদের সামনেই তিন মেয়েকে এক' একে জিজ্ঞেস করলেন কে তাঁকে কতটুকু ভালোবাসে। বড়ো দুই মেয়ে গনেরিল আর রিগান বলে দিল তারা তাঁকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসে। রাজা তাদের এই তোষামুদে কথায় সন্তুষ্ট হয়ে তাদের দুই-তৃতীয়াংশ রাজ্য সমানভাগে ভাগ করে দিলেন। আদরের ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়া তাঁকে খুব ভালোবাসত, কিন্তু মুখে আড়ম্বর না দেখিয়ে সে শুধু বলল, একটি মেয়ে তার বাবাকে যতটা ভালোবাসা কর্তব্য ততটাই সে ভালোবাসে। এর বেশিও নয়, কমও নয়। এ কথায় রাজা খেপে গেলেন। এরপর রাজা তাকে ত্যাজ্য. করলেন, রাজ্য থেকে বের করে দিলেন এবং সম্পূর্ণ রাজ্য বড়ো ও মেজো মেয়ের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। রাজা লিয়ারের এমন অবিচক্ষণ সিদ্ধান্তে সভাসদবর্গের অনেকেই দুঃখিত হলেও কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পেলেন না। কিন্তু 'রাজার সবচেয়ে বিশ্বস্ত সভাসদ আর্ল অব কেন্ট নির্ভীক কণ্ঠে প্রতিবাদ করে। এ প্রসঙ্গেই বলে, "এ আপনি কী করছেন রাজা? কর্ডেলিয়া যে আপনাকে কম ভালোবাসে না, সেটা কি বুঝতে পারছেন না? অন্তঃসারশূন্য তোষামোদবাক্যই আপনার কাছে বেশি মূল্য পেল?"
"গনেরিল হলো তোষামুদে, স্বার্থান্বেষী ও প্রতারক চরিত্রের"- এ মন্তব্যটি যথার্থ।
ব্রিটেনের বৃদ্ধ রাজা লিয়ারের বড়ো মেয়ে হলো গনেরিল। রাজা বৃদ্ধকালে স্থির করলেন তাঁর তিন মেয়ে গনেরিল, রিগান আর কর্ডেলিয়াকে রাজ্য ভাগ করে দেবেন। তাই রাজা লিয়ার তাঁর রাজদরবারে সবাইকে ডেকেছেন। রাজ্য ভাগ করার আগে সভাসদদের সামনেই তিন মেয়েকে একে একে জিজ্ঞেস করলেন যে কে তাঁকে কতটুকু 'ভালোবাসে? বড়ো মেয়ে গনেরিল বলল, "পিতা, আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা আমি কথায় প্রকাশ করতে অক্ষম। এই পৃথিবীতে যা কিছু মহান, সুন্দর, জীবনের যা কিছু কাম্য, আরাধ্য 'সবকিছুর চেয়ে, আমার এই দুই চোখের জ্যোতির চেয়ে, আমার সমগ্র জীবনের চেয়ে আপনাকে বেশি ভালোবাসি।" এ কথা শুনে রাজা খুব সন্তোষ প্রকাশ করে তাকে রাজ্যের সেরা এক-তৃতীয়াংশ দান করলেন। এরপর মেজো মেয়ে রিগানের স্তুতিতেও খুশি হয়ে তাকে রাজ্যের অপর এক-তৃতীয়াংশ দান করলেন। তবে গোল বাধল ছোট মেয়ে কর্ডেলিয়ার কাছে এসে। কর্ডেলিয়ার ভালোবাসা ছিল বেশি গভীর কিন্তু সে তা মুখে প্রকাশ করল না। বরং বলল, একটি মেয়ের তার বাবাকে যতটা ভালোবাসা কর্তব্য ততটাই সে ভালোবাসে এর বেশিও নয়, কমও, নয়। ছোটো মেয়ের কথায় রাজা খেপে গেলেন। তাকে ত্যাজ্য করলেন। রাজ্য থেকে বের করে দিলেন এবং তাকে বঞ্চিত করে সম্পূর্ণ রাজ্য বড়ো মেয়ে ও মেজো মেয়ের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। এর কিছুদিন পরই বড়ো মেয়ে গনেরিলের আসল রূপ বের হলো। গনেরিলের কাছে কয়েক সপ্তাহ থাকার পরই রাজা লিয়ার টের পেতে লাগলেন মেয়ের কথা ও কাজের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। গনেরিল পিতার সঙ্গে ভালো করে কথা বলে না, পিতার অনুচর যোদ্ধারক্ষীদের কার্যকলাপে খুঁত ধরে, গনেরিলের কাজের লোকেরা রাজাকে যথাযোগ্য সম্মান করে না। এতে রাজার মেজাজ খারাপ হলো। রাজা দিশাহারা হয়ে ভাবলেন, এ কী কান্ড! যে মেয়ে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে তাঁকে বলেছে, তার জীবনের চেয়েও বেশি - ভালোবাসে, যাকে তিনি তাঁর রাজ্যে অর্ধেক দান করেছেন, রাজমুকুট পর্যন্ত জামাতার মাথায় বসিয়েছেন, সেই আদরের মেয়ের এখন এ কী ব্যবহার, এ কী কটুকথা। অবশেষে রাজা বিষম ক্রোধে মেজো মেয়ে রিগানের কাছে চলে যেতে চান। গনেরিল এ কথা জানতে পেরে বোন রিগানকে চিঠি পাঠাল বাবার বিরুদ্ধে নানা মন্ত্রণা দিয়ে এবং সে নিজেও চলে গেল' বোনের কাছে। দুই বোন মিলে রাজা লিয়ারকে তার রক্ষী সংখ্যা কমানোর জন্য বলল এবং দুই মেয়ে তাঁকে এই প্রাসাদে ঢুকতেই' দিল না। মেয়েদের দুর্ব্যবহারে রাজা প্রায় উন্মাদ হয়ে গেলেন। এদিকে রাজার প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কায় রাজাকে ডোভারে নিয়ে যায় বিশ্বস্ত অনুচর। এ খবর পেয়ে গনেরিল বাবার বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করতেও পিছপা হয় না। এসব বিচারে গনেরিল হলো প্রকৃত অর্থেই তোষামুদে, স্বার্থান্বেষী ও প্রতারক চরিত্রের। কেননা সে রাজাকে তোষামোদবাক্যে ভুলিয়েছে রাজ্যের লোভে অর্থাৎ স্বার্থের কারণে। কিন্তু কিছুদিন পর তার ছলনাময়ী রূপটি ধরা পড়ে। সে পিতাকে আর সহ্য তো করেইনি, বরং পিতার বিরুদ্ধে বোনের সঙ্গে ষড়যন্ত্রসহ যুদ্ধযাত্রা করতেও দ্বিধা করেনি। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allসম্মিলিত সেনাবাহিনীর কাছে কর্ডেলিয়ার অপ্রতুল সেনাবাহিনী পরাজিত হয়।
বড় দুই মেয়ের অমানুষিক নিষ্ঠুরতার কারণে মানসিক যন্ত্রণায় রাজা উন্মাদ হয়ে গেলেন।
'কিং লিয়ার' গল্পে গনেরিল পিতা লিয়ারের সঙ্গে ভালো করে কথা বলে না, পিতার অনুচর যোদ্ধারক্ষীদের কাজে খুঁত ধরে, তাঁকে যথাযোগ্য সম্মান করে না। তাই রাজা অকৃতজ্ঞ কন্যার প্রাসাদ ছেড়ে রিগানের কাছে চলে যেতে কাইয়াসকে দিয়ে চিঠি পাঠান। এ বিষয় জানতে পেরে গনেরিল রিগানকে চিঠি লিখে জানায় যে, সে যেন রাজাকে পাত্তা না দেয়। রিগান স্থির কণ্ঠে পিতাকে জানায় যে, লিয়ার এবং তাঁর রক্ষীদের সমাদর করতে প্রস্তুত নয়। এরূপ অমানবিক আচরণে কিং লিয়ার মনের কষ্টে উন্মাদ হয়ে যান।
উদ্দীপকটি কিং লিয়ারের প্রতি তাঁর বড় দুই মেয়ের অমানবিক আচরণের দিক থেকে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মানবিক আচরণই মানুষ প্রত্যাশা করে। যারা মানুষের প্রতি অমানবিক আচরণ করে তারা ভালো মানুষ নয়।
উদ্দীপকে মানুষের প্রতি মানুষের মানবিক আচরণের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বাবু ইয়ারের ওপর অত্যন্ত রাগ করলেও শেষ পর্যন্ত তার বাড়িতেই উদ্দীপকের ব্যক্তির থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ বিষয়টি 'কিং লিয়ার' গল্পের রাজা লিয়ারের প্রতি তার বড় দুই মেয়ে গনেরিল ও রিগানের আচরণের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ প্রথমে গনেরিল পিতার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করলে রাজা লিয়ার রিগানের কাছে যান। রিগান বড় বোনের কথামতো স্থির কণ্ঠে জানায় যে, লিয়ার এবং তার রক্ষীদের সমাদর করতে সে প্রস্তুত নয়। পিতার সঙ্গে রিগান অমানবিক আচরণ করে।
উদ্দীপকে 'কিং লিয়ার' গল্পের একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়, পুরো বিষয় সেখানে অনুপস্থিত- মন্তব্যটি যথার্থ।
সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার যেমন দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে, তেমনই পিতা-মাতার প্রতিও সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে। যারা স্বার্থের কারণে পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয় তারা নির্বোধ ও অমানুষ।
উদ্দীপকে মানুষের প্রতি মানুষের মানবিক আচরণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। নিজের বাড়িতে একটি লোকের আশ্রয় ও আহারের ব্যবস্থা করতে না পারায় বাবু তার ইয়ার দোস্তের ওপর রাগ করলেও আশ্রয়প্রার্থীর জন্য তিনি আশ্রয় ও আহারের ব্যবস্থা করেছেন। এ বিষয়টি 'কিং লিয়ার' গল্পের একটি বিশেষ দিকের বৈসাদৃশ্য মাত্র। কারণ এখানে ছোট মেয়ে কর্ডেলিয়ার প্রতি কিং লিয়ারের এবং তাঁর প্রতি বড় দুই মেয়ের যে অমানবিকতা প্রকাশ পেয়েছে তার বিপরীত চিত্রই উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়।
'কিং লিয়ার' গল্পে রাজা লিয়ার বড় দুই মেয়ের অন্তঃসারশূন্য তোষামোদ বাক্যে বিশ্বাস করে ছোট মেয়েকে সমস্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেন। তাঁর বিশ্বস্ত সভাসদ কেন্টের প্রতিবাদ, অসহায় কর্ডেলিয়াকে বার্গান্ডির ডিউকের বিবাহ, কিং লিয়ারের প্রতি বড় দুই মেয়ের অমানবিক আচরণ ইত্যাদি বিষয় উদ্দীপকে নেই। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
"এত কম তোমার বয়স, এখনই এমন কঠিন তোমার মন?"-কথাটি রাজা লিয়ার তার ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়াকে বলেছেন।
রাজা লিয়ারের, ছিল তিন মেয়ে। বৃদ্ধ রাজা স্থির করলেন তিনি তিন মেয়েকে সমস্ত সম্পত্তি ভাগ করে দেবেন। সেই উদ্দেশ্যে রাজসভা ডেকে সভাসদদের সামনেই তিন মেয়েকে একে একে জিজ্ঞেস করলেন কে তাকে কতটুকু ভালোবাসে? বড়ো দুই মেয়ে বলে দিল তারা তাদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসে বাবাকে। রাজা ভীষণ খুশি হলেন। তিনি ছোট মেয়ে কর্ডেলিয়াকে ভালোবাসতেন সবচেয়ে বেশি। তাই তিনি তার কাছে আরও বেশি আবেগপূর্ণ তোষামুদে বাক্য আশা করেছিলেন। কর্ডেলিয়ার ভালোবাসা ছিল অন্তরে প্রোথিত এবং তা এত গভীর যে, জিভের ডগায় আনলে তার মর্যাদাহানি হবে বলে সে মনে করল। তাই সে শুধু বলল যে, একটি মেয়ের তার বাবাকে যতটা ভালোবাসা কর্তব্য ততটাই সে ভালোবাসে। এর বেশিও নয়, কমও নয়। এভাবে রাজা সামনে অকপটে কিছু সত্য কথা সে বলল। তার বাক্যে তোষামুদে ভাব ছিল না। রাজা লিয়ার এতে খেপে গেলেন এবং মেয়েকে ভুল বুঝে বললেন, “এত কম তোমার বয়স, এখনই এমন কঠিন তোমার মন?"
কিং লিয়ার তোষামুদে তুষ্ট হয়ে নিজের জীবনে করুণ পরিণতি ডেকে এনেছিলেন।
ব্রিটেনের বৃদ্ধ রাজা লিয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁর তিন মেয়ে গনেরিল, রিগান আর কর্ডেলিয়াকে রাজ্য ভাগ করে দেবেন। তাঁর বড়ো দুই মেয়ে ছিল বিবাহিত এবং কর্ডেলিয়া ছিল কুমারী। রাজা লিয়ার রাজদরবারে সবাইকে ডাকলেন। তিনি সভাসদদের সামনে সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন এবং তার আগে তিন মেয়েকে একে একে জিজ্ঞেস করলেন কে তাঁকে কতটুকু ভালোবাসে। বড়ো মেয়ে গনেরিল বলল, "পিতা, আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা আমি কথায় প্রকাশ করতে অক্ষম। এই পৃথিবীতে যা কিছু মহান, সুন্দর, জীবনের যা কিছু কাম্য, আরাধ্য সবকিছুর চেয়ে, আমার এই দুই চোখের জ্যোতির চেয়ে, আমার সমগ্র জীবনের চেয়ে আপনাকে বেশি ভালোবাসি।” তার কথায় রাজা খুর সন্তুষ্ট হলেন এবং তাকে রাজ্যের সেরা এক-তৃতীয়াংশ দান করলেন। এরপর রিগান বলল, "আমার বড়ো বোন দেখি আমারই মনের কথাগুলো সব বলে দিয়েছে। তবে একটা কথা সে বলতে পারেনি, তা হলো আপনার ভালোবাসা ছাড়া আমার জীবনের অন্যসব সুখ-আনন্দ তুচ্ছ।” রাজা রিগানের প্রশস্তি শুনে পরম হৃষ্টচিত্তে তাকে রাজ্যের অপর এক-তৃতীয়াংশ দান করলেন। ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়াকে রাজা ভালোবাসতেন বেশি। তাই তার কাছে প্রত্যাশাও ছিল বেশি। কিন্তু কর্ডেলিয়া রাজাকে হতাশ করল। কর্ডেলিয়া মনে করে, তার ভালোবাসা কারও চেয়ে কম নয়; বরং তা এত গভীর যে, জিভের ডগায় আনলে তার মর্যাদাহানি হবে। সে রাজাকে বলল, "পিতা আমার মনের কথা মুখে আনতে পারছি না। তার জন্য আমার অশান্তির সীমা নেই। একটি মেয়ে তার পিতাকে যতখানি ভালোবাসা কর্তব্য, ঠিক ততখানিই আপনাকে ভালোবাসি। তার বেশিও নয়, কমও নয়।” এ কথা শুনে রাজা স্তম্ভিত হলেন, তাঁর মুখ অপমানে কালো হয়ে গেল। কর্ডেলিয়ার অকপট সত্য রাজা মেনে নিতে পারলেন না। তিনি কর্ডেলিয়াকে ত্যাজ্য করলেন। তাকে রাজ্য থেকে বের করে দিলেন এবং সম্পূর্ণ রাজ্য বড়ো ও মেজো মেয়ের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। রাজা তোষামুদেবাক্যকেই মর্যাদা দিলেন। রাজা লিয়ারের এমন অবিচক্ষণ সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনের জন্য কাল হলো। সমুদয় রাজ্য দুই মেয়েকে দান করায় তিনি তাদের করুণার পাত্র হয়ে পড়লেন। কিছুদিন পর দুই বোনের আসল স্বরূপ বেরিয়ে এলো। তারা রাজাকে অপমানজনক অবস্থায় ফেলল এবং রাজা রাজবাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য হলেন। রাজার জীবনে নেমে এলো দুঃসহ গ্লানি আর দুঃখ। তিনি বুঝতে পারলেন তাঁর বড়ো দুই মেয়ের ভালোবাসা ছিল মেকি এবং ছোটো মেয়ের ভালোবাসাই ছিল আসল। একপর্যায়ে তিনি প্রায় উন্মাদ হয়ে যান। এই দুঃসময়ে কর্ডেলিয়াই তার পাশে এসে দাঁড়ায়। তবে কর্ডেলিয়ারও প্রাণসংহার হয়। মানুষ তাঁর ভুলের জন্য দুঃখ-কষ্ট আর বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। কিং লিয়ারও তোষামোদে তুষ্ট হয়ে তাঁর জীবনে করুণ পরিণতি ডেকে এনেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
