একটি প্রকল্পের বিকল্প ব্যয়সমূহের মধ্যে উত্তমটি যাচাই করতে যে ব্যয় হয় তাকে সুযোগ ব্যয় বলে।
বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম প্রত্যাশিত আয়ের হারকে মূলধন ব্যয় বলে।
মূলধন ব্যয়ের অনুমিত শর্তাবলি হলো (১) ব্যবসায় ঝুঁকি অপরিবর্তিত বা স্থির থাকবে (২) আর্থিক ঝুঁকি স্থির থাকবে (৩) মুদ্রাস্ফীতির হার স্থির থাকবে (৪) কার্যের লভ্যাংশ নীতি স্থির থাকবে।
ABC লিমিটেডের গড় মূলধন ব্যয় নির্ণয় :
এখানে
সাধারণ শেয়ার ব্যয়, = ১৭ %
অগ্রাধিকার শেয়ার ব্যয়, = ১০ %
করপরবর্তী ঋণের ব্যয়, (Kd) = করপূর্ব ঋণের ব্যয় (১ – করহার)
= ১৪ % ( ১-০.০৪)
= ৮.৪ %
সাধারণ শেয়ারের ভার,
অগ্রাধিকার শেয়ারের ভার, (Wp) =
ঋণ মূলধন (বন্ড) এর ভার,
গড় মূলধন ব্যয়,
=( ০.০৫ ১৭%)+(০.১২৫ ১০%)+(০.৩৭৫ ৮.৪%)
= ৮.৫০ + ১.২৫ + ৩.১৫%
= ১২.৯০%
কোম্পানি আরও অতিরিক্ত ২০,০০,০০০ টাকা বন্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করলে মোট বন্ডের পরিমাণ হবে = ৩০,০০,০০০ + ২০,০০,০০০ = ৫০,০০,০০০ টাকা
এবং মোট মূলধন হবে = ৮০,০০,০০০ + ২০,০০,০০০ = ১,০০,০০,০০০ টাকা
সাধারণ শেয়ারের ভার, (We) =
অগ্রাধিকার শেয়ারের ভার, (Wp) =
ঋণ মূলধন (বন্ড) এর ভার, (Wd) =
আমরা জানি,
গড় মূলধন ব্যয়,
= (০.৪০ ১৭%) + (০.১০ ১০%) + (০.৫০ ৮.৪০%)
= ৬.৮% + ১% + ৪.২%
= ১২%
নতুন প্রস্তাব গ্রহণ করলে কোম্পানি লাভবান হবে। কারণ, নতুন প্রস্তাবে গড় মূলধন ব্যয় ১২% এবং পূর্ববর্তী প্রস্তাবে গড় মূলধন ব্যয় ১২.৯%।
Related Question
View Allইক্যুইটি মূলধন ও ঋণ মূলধনের মিশ্রণকে মূলধন কাঠামো বলে।
যৌথমূলধনী কোম্পানির মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশকে সাধারণ শেয়ার বলে।
সাধারণ শেয়ার মূলধনের ব্যয় বলতে সাধারণত লভ্যাংশ ও শেয়ারমূল্য বৃদ্ধিজনিত লাভ থেকে প্রত্যাশিত আয়ের হারকে বোঝায়। অন্যভাবে, সাধারণ শেয়ারের ব্যয় বলতে বিনিয়োগকারীদের সাধারণ শেয়ারে বিনিয়োগ হতে প্রত্যাশিত আয়ের হারকে বোঝায়। এছাড়া সাধারণ শেয়ারের সাথে শেয়ার ইস্যু ও বিক্রয়জনিত খরচ জড়িত। তাই বলা যায়, 'সাধারণ শেয়ার মূলধনের ব্যয় আছে'।
নুসরাত লি.-এর সাধারণ শেয়ার মূলধন ব্যয় নির্ণয় :
এখানে
সাধারণ শেয়ারের বাজারমূল্য ( P০ )= ২০০ টাকা
প্রত্যাশিত লভ্যাংশ (D1) = ১৫ টাকা
লভ্যাংশ বৃদ্ধির হার (g) = ৪ % বা, ০.০৪
আমরা জানি,
সাধারণ শেয়ার মূলধন ব্যয়,
=
= ১১.৫০%
সুতরাং নুসরাত লি.-এর সাধারণ শেয়ার মূলধন ব্যয় ১১.৫০%।
নুসরাত লি.-এর ভারযুক্ত গড় মূলধন ব্যয় নির্ণয় :
এখানে,
সাধারণ শেয়ারের ব্যয় (K) = ১১.৫০% ['গ' নং থেকে প্রাপ্ত]
অগ্রাধিকার শেয়ারের ব্যয় (Kp) = ৮%
করপূর্ববর্তী ঋণের ব্যয় (K) = ১০%
কর হার (T) = ৪০% বা, ০.৪০
করপরবর্তী ঋণ মূলধন ব্যয় = = ৬%
আবার,
সাধারণ শেয়ারের ভার
অগ্রাধিকার শেয়ারের ভার
ঋণ মূলধন (বন্ড) এর ভার
আমরা জানি,
ভারযুক্ত গড় মূলধন ব্যয়,
WACC = WeKe + WpKp + WdKd
= ৯.১৫ %
সুতরাং নুসরাত লি.-এর ভারযুক্ত গড় মূলধন ব্যয় ৯.১৫%।
নিট আয়ের যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন না করে কারবারে সংরক্ষণ করা হয় তাকে সংরক্ষিত আয় বলে।
ইক্যুইটি মূলধন ও ঋণ মূলধনের মিশ্রণকে মূলধন কাঠামো বলে। কারবারে সঠিক মূলধন কাঠামো নির্বাচন করার ক্ষেত্রে মূলধন ব্যয় তাৎপর্য বহন করে। কারণ ইক্যুইটি ও ঋণ মূলধনের মিশ্রণের অনুপাতের ওপর মূলধন কাঠামোর খরচ নির্ভর করে। বিকল্প অনুপাতে মূলধন ব্যয় কম হলে সে মূলধন কাঠামো গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!