তখন মুক্তিযুদ্ধ চলছে।
তিন দিক থেকে তাঁদের ঘিরে ফেলে।
যশোরের ছুটিপুরে পাকিস্তানি সৈন্যদের ক্যাম্প।
কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা দমবার পাত্র নন।
নূর মোহাম্মদ বুঝতে পারলেন মৃত্যু আসন্ন ।
নূর মোহাম্মদ একজন বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।
ছেলেবেলায় মুন্সী আবদুর রউফ খুব দুরন্ত ছিলেন।
মুন্সী আবদুর রউফ মেশিন-চালক হিসেবে দষতা অর্জন করেন।
স্বল্পসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু ছিল সাহসী
বীরের রক্তস্রোতে রঞ্জিত হলো দেশের মাটি।
মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রান্তে আমরা।
এবার খুলনা মুক্তির লক্ষ্য
জাহাজ দুটি খুলনার কাছাকাছি চলে আসে।
রুহুল আমিনের ডান হাতটি উড়ে যায়।
Related Question
View Allগোলার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল তাঁর পা।
একটু দূরে গোয়ালহাটি গ্রামে টহল দিচ্ছিলেন পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা।
এরকমই আরেক যোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ।
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধে যোগ দেন
পাকিস্তানিদের সাতটি স্পিডবোটই ডুবে গেল।
দুরন্ত এক কিশোর। নাম নূর মোহাম্মদ শেখ। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। নাটক, থিয়েটার আর গানের প্রতি তাঁর প্রবল অনুরাগ। কিশোর বয়সে হঠাৎ করে তাঁর বাবা-মা মারা গেলেন ।
ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মাদ শেখের দলে ছিলেন অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা নান্নু মিয়া।
নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে নূর মোহাম্মদ শেখ সেদিন এভাবেই রক্ষা করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন।
ল্যান্সনায়েক মুন্সী আবদুর রউফ ১৯৪৩ সালের ৮ই মে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি থানার সালামতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
এই যুদ্ধে জয়ী বাহিনী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধারা বয়ে এনেছেন অসীম গৌরব।
ইমদাদ হক একজন ফুটবল খেলোয়াড়। সে মেসে থাকে। ফুটবল খেলতে গিয়ে ইমদাদ হকের হাড় ভাঙে। ভাঙা হাড়ের ব্যথায় সে সারা রাত ছটফট করে। মেসের চাকর আঘাতপ্রাপ্ত পায়ে মালিশ করতে করতে হয়রান হয়ে যায়।
'ফুটবল খেলোয়াড়' কবিতার ইমদাদ হক কবিতাটির প্রধান চরিত্র। তাকে নিয়েই 'ফুটবল খেলোয়াড়' কবিতাটি রচিত। একজন খ্যাতিমান ফুটবল খেলোয়াড়। ফুটবল খেলাই তার সব। ফুটবল খেলতে গিয়ে ছোট-বড় অনেক আঘাত পেলেও সে তার সর্বস্ব দিয়ে খেলে থাকেন। প্রতিদিন নানা ধরনের আঘাত পেলেও সে খেলা চালিয়ে যায়।
ইমদাদ হক একজন খ্যাতিমান ফুটবল খেলোয়াড়। ফুটবলই তার ধ্যান-জ্ঞান। খুব সকালে উঠেই তিনি অনুশীলনে চলে যান। বাম পায়ে ড্রিবলিং করে ডান পা দিয়ে বল মারেন। সে খুব দ্রুত দৌড়ান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!